বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ইমামের মেয়ে অপহরণের ঘটনায় ওসির প্রত্যাহার চাইলেন হেফাজতের নেতা

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা হেফাজতে ইসলামের সভাপতি মুফতি শামীম আহমেদ বলেছেন, ‘আমরা যখন মামলা নিয়ে যাই, তখন স্থানীয় এমপি অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চুকে ফোন দিয়ে ইমামের মেয়ের ঘটনা জানাই। তখন ওনাকে অনুরোধ করি শ্রীপুর থানার ওসি সঙ্গে কথা বলার জন্য। তখন উনি আমার মোবাইল দিয়েই ওসিকে বলে দেন আসামিদের গ্রেফতার করেন সে যে […]

ইমামের মেয়ে অপহরণের ঘটনায় ওসির প্রত্যাহার চাইলেন হেফাজতের নেতা

ইমামের মেয়ে অপহরণের ঘটনায় ওসির প্রত্যাহার চাইলেন হেফাজতের নেতা

নিউজ ডেস্ক

২০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৪

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা হেফাজতে ইসলামের সভাপতি মুফতি শামীম আহমেদ বলেছেন, ‘আমরা যখন মামলা নিয়ে যাই, তখন স্থানীয় এমপি অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চুকে ফোন দিয়ে ইমামের মেয়ের ঘটনা জানাই। তখন ওনাকে অনুরোধ করি শ্রীপুর থানার ওসি সঙ্গে কথা বলার জন্য। তখন উনি আমার মোবাইল দিয়েই ওসিকে বলে দেন আসামিদের গ্রেফতার করেন সে যে দলেরই হোক, আমার আত্মীয় হলেও তাকে গ্রেফতার করেন। এমপির নির্দেশ দিলেও পুলিশ আসামি গ্রেফতার করতে গড়িমসি করেছে। ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য ইমামের মেয়েকে নিয়ে অপহরণকারীর সঙ্গে প্রেমঘটিত নাটক ওসি সাজিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় যারা গাফিলতি করেছে ওসি মোহাম্মদ নাসির আহমদের প্রত্যাহার চাই। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শ্রীপুর থানার এসআই লাল চাঁনেরও প্রত্যাহার চাই। তাদের কাছে আমাদের এই মামলা থাকা নিরাপদ মনে করি না। ওসি এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করতে হবে।’

রবিবার (১৯ এপ্রিল) বিকাল ৫টায় গাজীপুরের শ্রীপুরের একটি মসজিদের ইমামের মেয়েকে অপহরণের ঘটনায় উপজেলা হেফাজতে ইসলামের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মুফতি শামীম আহমেদ বলেন, ‘শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত ১০টা ৫ মিনিটের দিকে আমাদের মাওলানা সফিকুল ইসলাম রহমানি মাওনা চৌরাস্তায় শ্রীপুর উপজেলা শিল্পাঞ্চল শ্রমিক দলের সভাপতি কাজল ফকিরের সামনে বসা ছিল। ওই মুহূর্তে ওসি কাজল ফরিকেরকে ফোন দিয়ে বলে দেয় আপনার ছেলেকে সরিয়ে রাখেন। একজন ওসি কি এ কাজ করতে পারে? ওসি সাহেব ছুটতে থেকে এ কথা বলেছে। এ জন্য আমরা যথাসম্ভব তাদের (থানা পুলিশের) সহযোগিতা পাই নাই। আমরা তাদের প্রত্যাহার চাই। শ্রীপুর থানা থেকে তাদের প্রত্যাহারসহ বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে ওসির বিচার চাই। আমরা গাজীপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) সাহেবকেও বলেছি। শ্রীপুরের সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে আমরা আন্দোলনের ঘোষণা দেবো।’

ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, ‘আপনারা জানেন আমার মেয়ে ইতিমধ্যে উদ্ধার হয়েছে। আমার মেয়ে দুপুর ১টা বেজে গেলেও যখন বাসায় আসতেছে না তখন মেয়ের সহপাঠীদের কাছ থেকে জানতে পারলাম মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে তাকে (১৬) প্রধান আসামি আবিদ ধরে নিয়ে গেছে। আমার মেয়েকে নিয়ে যাওয়ার ১০ মিনিট পর ওসি সাহেব ফোন দিয়ে বলে, আমার ফোর্স গেছে? তখন আমি বললাম, স্যার আপনার ফোর্সের দরকার নাই। আমার যা নেওয়ার সব নিয়ে গেছে, আমার কলিজা নিয়ে গেছে। আমার দেহ আছে, আপনার ফোর্স পাঠান আমার দেহের পোস্টমর্টেম করুক। পরে আমার সহকর্মী মুফতি-মাওলানাদেরকে নিয়ে থানায় গেলে ওসি টালবাহানা করে। পরে মুফতি শামীম ভাইয়ের মোবাইল দিয়ে এমপি মহোদয় ওসির সঙ্গে কথা বলেন। এমপি মহোদয় ওসি সাহেবকে কঠিনভাবে বলার পরও ওই রাতে আমার মেয়ে উদ্ধার হয় নাই। রাত ৯টার দিকে আমার মামলা নিলেন। দুইদিন পার হওয়ার পর যখন জানতে পারলাম, অপহরণকারী আসামি আবিদকে সহযোগীতাকারী এবং অপহরণে নেতৃত্ব দেওয়া পাপ্পু এবং সোহান ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তখন আমি প্রত্যেক নেতাকর্মীদের কাছে গিয়ে অনুরোধ করি। তাদের দুই জনকে (পাপ্পু এবং সোহান) চাপ দিলে আমার মেয়ে উদ্ধার হবে।’
তিনি বলেন, ‘তখন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গেলে দেখা হয় শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মোতালেবের সঙ্গে। তখন উপস্থিত শ্রীপুর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শাহজাহান সজলের কাছ থেকে ঘটনার বর্ণনা শুনে তিনি বিস্মিত হয়ে বললেন সজল কী বলো? ঘটনার সময় তুমি উপস্থিত থাকতে এ ঘটনা ঘটালো কীভাবে? তখন তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচার হওয়া দরকার। আগে মেয়েটাকে উদ্ধার করেন। পরে ওসি সাহেবের কাছে এলেই তিনি বলেন, এটা প্রেমঘটিত।’

তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘আপনাদের তৎপরতার কারণে থানা পুলিশ আমার মেয়েকে উদ্ধার করে। এক ঘণ্টা পর থানায় গিয়ে ওসির (তদন্ত) কক্ষে মেয়ে আমাকে দেখে বলে, বাবা তুমি এদেরকে বাঁচাইয়া দেও, অভিযোগ উঠিয়ে নেও। আমি তোমার লগে চইলা যামু। তখন আমি মেয়েকে বলি তুমি আর ভয় পাইও না দেশের সমস্ত মানুষ তোমার সঙ্গে আছে। পরে আদালতের মাধ্যমে আমার মেয়েকে আমার কাছে বুঝিয়ে দেয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ এবং পরিতাপের বিষয় হলো প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমার মেয়ের নামে যে সমস্ত প্রপাগান্ডা ছড়িয়েছে এগুলো কিছু হলুদ মিডিয়া বিভিন্নভাবে সত্যকে অসত্য হিসেবে নানাভাবে প্রচার করছে। আমার মেয়ের জবানবন্দিতে যারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত আমি দ্রুত তাদের গ্রেফতার দাবি করছি। শ্রীপুর থানার ওসি তৎপর হলে আমার মেয়ে চারদিন পর উদ্ধার হয় না। ওসি মোহাম্মদ নাসির আহমদকে প্রত্যাহার করা হোক এবং আমার মামলা সুষ্ঠুভাবে সঠিক বিচার পাওয়ার জন্য তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করে দেওয়া হোক। মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকেও ওসি বিভিন্নভাবে প্রবাহিত করেছে ওসি।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- গাজীপুর খেলাফত মজলিসের সভাপতি মুফতি মাছুদুর রহমান, শ্রীপুর উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা আলমগীর হোসেন, বাগমারা জান্নাতুল আতফাল মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি কাজী মঈন উদ্দিন, মাওলানা শফিকুল ইসলাম, শ্রীপুর পৌর ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি আবু নাছের মোহাম্মদ জুবায়ের, মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।