বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ইমামের মেয়ে অপহরণের ঘটনায় ওসির প্রত্যাহার চাইলেন হেফাজতের নেতা

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা হেফাজতে ইসলামের সভাপতি মুফতি শামীম আহমেদ বলেছেন, ‘আমরা যখন মামলা নিয়ে যাই, তখন স্থানীয় এমপি অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চুকে ফোন দিয়ে ইমামের মেয়ের ঘটনা জানাই। তখন ওনাকে অনুরোধ করি শ্রীপুর থানার ওসি সঙ্গে কথা বলার জন্য। তখন উনি আমার মোবাইল দিয়েই ওসিকে বলে দেন আসামিদের গ্রেফতার করেন সে যে […]

ইমামের মেয়ে অপহরণের ঘটনায় ওসির প্রত্যাহার চাইলেন হেফাজতের নেতা

ইমামের মেয়ে অপহরণের ঘটনায় ওসির প্রত্যাহার চাইলেন হেফাজতের নেতা

নিউজ ডেস্ক

২০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৪

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা হেফাজতে ইসলামের সভাপতি মুফতি শামীম আহমেদ বলেছেন, ‘আমরা যখন মামলা নিয়ে যাই, তখন স্থানীয় এমপি অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চুকে ফোন দিয়ে ইমামের মেয়ের ঘটনা জানাই। তখন ওনাকে অনুরোধ করি শ্রীপুর থানার ওসি সঙ্গে কথা বলার জন্য। তখন উনি আমার মোবাইল দিয়েই ওসিকে বলে দেন আসামিদের গ্রেফতার করেন সে যে দলেরই হোক, আমার আত্মীয় হলেও তাকে গ্রেফতার করেন। এমপির নির্দেশ দিলেও পুলিশ আসামি গ্রেফতার করতে গড়িমসি করেছে। ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য ইমামের মেয়েকে নিয়ে অপহরণকারীর সঙ্গে প্রেমঘটিত নাটক ওসি সাজিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় যারা গাফিলতি করেছে ওসি মোহাম্মদ নাসির আহমদের প্রত্যাহার চাই। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শ্রীপুর থানার এসআই লাল চাঁনেরও প্রত্যাহার চাই। তাদের কাছে আমাদের এই মামলা থাকা নিরাপদ মনে করি না। ওসি এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করতে হবে।’

রবিবার (১৯ এপ্রিল) বিকাল ৫টায় গাজীপুরের শ্রীপুরের একটি মসজিদের ইমামের মেয়েকে অপহরণের ঘটনায় উপজেলা হেফাজতে ইসলামের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

মুফতি শামীম আহমেদ বলেন, ‘শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত ১০টা ৫ মিনিটের দিকে আমাদের মাওলানা সফিকুল ইসলাম রহমানি মাওনা চৌরাস্তায় শ্রীপুর উপজেলা শিল্পাঞ্চল শ্রমিক দলের সভাপতি কাজল ফকিরের সামনে বসা ছিল। ওই মুহূর্তে ওসি কাজল ফরিকেরকে ফোন দিয়ে বলে দেয় আপনার ছেলেকে সরিয়ে রাখেন। একজন ওসি কি এ কাজ করতে পারে? ওসি সাহেব ছুটতে থেকে এ কথা বলেছে। এ জন্য আমরা যথাসম্ভব তাদের (থানা পুলিশের) সহযোগিতা পাই নাই। আমরা তাদের প্রত্যাহার চাই। শ্রীপুর থানা থেকে তাদের প্রত্যাহারসহ বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে ওসির বিচার চাই। আমরা গাজীপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) সাহেবকেও বলেছি। শ্রীপুরের সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে আমরা আন্দোলনের ঘোষণা দেবো।’

ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, ‘আপনারা জানেন আমার মেয়ে ইতিমধ্যে উদ্ধার হয়েছে। আমার মেয়ে দুপুর ১টা বেজে গেলেও যখন বাসায় আসতেছে না তখন মেয়ের সহপাঠীদের কাছ থেকে জানতে পারলাম মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে তাকে (১৬) প্রধান আসামি আবিদ ধরে নিয়ে গেছে। আমার মেয়েকে নিয়ে যাওয়ার ১০ মিনিট পর ওসি সাহেব ফোন দিয়ে বলে, আমার ফোর্স গেছে? তখন আমি বললাম, স্যার আপনার ফোর্সের দরকার নাই। আমার যা নেওয়ার সব নিয়ে গেছে, আমার কলিজা নিয়ে গেছে। আমার দেহ আছে, আপনার ফোর্স পাঠান আমার দেহের পোস্টমর্টেম করুক। পরে আমার সহকর্মী মুফতি-মাওলানাদেরকে নিয়ে থানায় গেলে ওসি টালবাহানা করে। পরে মুফতি শামীম ভাইয়ের মোবাইল দিয়ে এমপি মহোদয় ওসির সঙ্গে কথা বলেন। এমপি মহোদয় ওসি সাহেবকে কঠিনভাবে বলার পরও ওই রাতে আমার মেয়ে উদ্ধার হয় নাই। রাত ৯টার দিকে আমার মামলা নিলেন। দুইদিন পার হওয়ার পর যখন জানতে পারলাম, অপহরণকারী আসামি আবিদকে সহযোগীতাকারী এবং অপহরণে নেতৃত্ব দেওয়া পাপ্পু এবং সোহান ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তখন আমি প্রত্যেক নেতাকর্মীদের কাছে গিয়ে অনুরোধ করি। তাদের দুই জনকে (পাপ্পু এবং সোহান) চাপ দিলে আমার মেয়ে উদ্ধার হবে।’
তিনি বলেন, ‘তখন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গেলে দেখা হয় শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মোতালেবের সঙ্গে। তখন উপস্থিত শ্রীপুর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শাহজাহান সজলের কাছ থেকে ঘটনার বর্ণনা শুনে তিনি বিস্মিত হয়ে বললেন সজল কী বলো? ঘটনার সময় তুমি উপস্থিত থাকতে এ ঘটনা ঘটালো কীভাবে? তখন তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচার হওয়া দরকার। আগে মেয়েটাকে উদ্ধার করেন। পরে ওসি সাহেবের কাছে এলেই তিনি বলেন, এটা প্রেমঘটিত।’

তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘আপনাদের তৎপরতার কারণে থানা পুলিশ আমার মেয়েকে উদ্ধার করে। এক ঘণ্টা পর থানায় গিয়ে ওসির (তদন্ত) কক্ষে মেয়ে আমাকে দেখে বলে, বাবা তুমি এদেরকে বাঁচাইয়া দেও, অভিযোগ উঠিয়ে নেও। আমি তোমার লগে চইলা যামু। তখন আমি মেয়েকে বলি তুমি আর ভয় পাইও না দেশের সমস্ত মানুষ তোমার সঙ্গে আছে। পরে আদালতের মাধ্যমে আমার মেয়েকে আমার কাছে বুঝিয়ে দেয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ এবং পরিতাপের বিষয় হলো প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমার মেয়ের নামে যে সমস্ত প্রপাগান্ডা ছড়িয়েছে এগুলো কিছু হলুদ মিডিয়া বিভিন্নভাবে সত্যকে অসত্য হিসেবে নানাভাবে প্রচার করছে। আমার মেয়ের জবানবন্দিতে যারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত আমি দ্রুত তাদের গ্রেফতার দাবি করছি। শ্রীপুর থানার ওসি তৎপর হলে আমার মেয়ে চারদিন পর উদ্ধার হয় না। ওসি মোহাম্মদ নাসির আহমদকে প্রত্যাহার করা হোক এবং আমার মামলা সুষ্ঠুভাবে সঠিক বিচার পাওয়ার জন্য তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করে দেওয়া হোক। মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকেও ওসি বিভিন্নভাবে প্রবাহিত করেছে ওসি।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- গাজীপুর খেলাফত মজলিসের সভাপতি মুফতি মাছুদুর রহমান, শ্রীপুর উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা আলমগীর হোসেন, বাগমারা জান্নাতুল আতফাল মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি কাজী মঈন উদ্দিন, মাওলানা শফিকুল ইসলাম, শ্রীপুর পৌর ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি আবু নাছের মোহাম্মদ জুবায়ের, মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।