সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন জমা দিলেন দুঃসময়ের ছাত্রদল নেত্রী শিরিন !

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সংরক্ষিত নারী আসন বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেত্রী রেহানা আক্তার শিরিন। রোববার (১২ এপ্রিল) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর হাতে মনোনয়ন জমা দেন তিনি। দলীয় সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন রাজপথের রাজনীতিতে সক্রিয়, ত্যাগী ও নির্যাতিত নেত্রীদের এ ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এ দৌড়ে সাংগঠনিক দক্ষতা […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫৩

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সংরক্ষিত নারী আসন বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেত্রী রেহানা আক্তার শিরিন।

রোববার (১২ এপ্রিল) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর হাতে মনোনয়ন জমা দেন তিনি।

দলীয় সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন রাজপথের রাজনীতিতে সক্রিয়, ত্যাগী ও নির্যাতিত নেত্রীদের এ ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

এ দৌড়ে সাংগঠনিক দক্ষতা ও রাজপথের সক্রিয়তার কারণে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেত্রী রেহানা আক্তার শিরিনের নাম।

রেহানা আক্তার শিরিন বর্তমানে ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক এবং ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলায় রাজনৈতিকভাবে পরিচিত একটি পরিবারে তার জন্ম। তার বাবা মরহুম হাজী বোরহান উদ্দীন আড়াইহাজার থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।

পারিবারিকভাবে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে ছোটবেলা থেকেই রাজনীতির প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন রেহানা আক্তার শিরিন। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে তিনি একমাত্র বোন। তার পরিবারের অন্য সদস্যরাও বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের রাজনীতিতে সক্রিয়।

বড় ভাই শেখ ফরিদ বিশনন্দী ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি। মেজ ভাই খাজা মঈনুদ্দীন আড়াইহাজার থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বিশনন্দী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। তিনি ২০১৬ সালে ধানের শীষ প্রতীকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনও করেছিলেন।

সেজ ভাই শাহজালাল বিশনন্দী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি এবং ছোট ভাই শাহপরান আড়াইহাজার থানা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

২০০৭-’০৮ সালে ইডেন মহিলা কলেজে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই রেহানা আক্তার শিরিন ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম ও কর্মসূচিতে তিনি রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন।

দলীয় আন্দোলন-সংগ্রামের কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে তিনি একাধিকবার হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হন। এমনকি তাকে কারাবরণও করতে হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের দিন ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন তিনি। ২০২১ সালের ১ মার্চ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে পুলিশের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন।

২০২২ সালের ২৪ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খালেদা জিয়াকে কটূক্তির প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে ছাত্রলীগের হামলার শিকার হন শিরিন। ওই ঘটনায় তিনি গুরুতর আহত হন।

এ ছাড়া ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবরের পর দলীয় আন্দোলন-সংগ্রামের কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন তিনি। ২০২৪ সালের গণআন্দোলনেও শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন রেহানা আক্তার শিরিন।

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছাত্রদল নেত্রী শিরিন বাংলাদেশ টাইমসকে বলেন, বিএনপির রাজনীতি করার কারণে বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের নানা জুলুম-অত্যাচারের শিকার হয়েছেন। দলের নীতি নির্ধারকরা যদি ত্যাগিদের মূল্যায়ন করেন, তবে তাকেই মনোনয়ন দিবেন বলে বিশ্বাস করেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩৫

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩৫
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩৫

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৩৫