শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

‘রাষ্ট্র সাধারণ চোরের জন্য একরকম আর রাঘববোয়ালদের জন্য আরেক রকম আইন রাখছে’ : তাসনিম জারা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা দুর্নীতি দমন কমিশন সংক্রান্ত অধ্যাদেশটি বাতিলের বিষয়ে বলেছেন, অধিকতর আলোচনার অজুহাতে আইনটি বাতিল করে পুরোনো ব্যবস্থাকে ফিরিয়ে আনবেন না। আইনটিকে আরও শক্তিশালী করতে চাইলে পরবর্তীতে সংসদে সংশোধন আনুন, কিন্তু এই কথা বলে প্রতিষ্ঠানকে (দুদক) পঙ্গু করে রাখবেন না। শনিবার (৪ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক […]

নিউজ ডেস্ক

০৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২:২৮

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা দুর্নীতি দমন কমিশন সংক্রান্ত অধ্যাদেশটি বাতিলের বিষয়ে বলেছেন, অধিকতর আলোচনার অজুহাতে আইনটি বাতিল করে পুরোনো ব্যবস্থাকে ফিরিয়ে আনবেন না। আইনটিকে আরও শক্তিশালী করতে চাইলে পরবর্তীতে সংসদে সংশোধন আনুন, কিন্তু এই কথা বলে প্রতিষ্ঠানকে (দুদক) পঙ্গু করে রাখবেন না।

শনিবার (৪ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পোস্টে তাসনিম জারা এমন মন্তব্য করেন।

পোস্টে তাসনিম জারা বলেন, সরকার দুর্নীতি দমন কমিশন সংক্রান্ত অধ্যাদেশটি বাতিল করতে চাইছে। সরকার মূলত দুটি কারণে এই অধ্যাদেশটি বাতিল করতে চাইছে।

প্রথমত, এই অধ্যাদেশে দুদককে প্রাথমিক অনুসন্ধান ছাড়াই অর্থ পাচার বা বড় দুর্নীতির ক্ষেত্রে সরাসরি মামলা বা এজাহার করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। সরকার এই ক্ষমতাকে সংবেদনশীল বলছে।

দ্বিতীয়ত, দুদককে দলীয় প্রভাবমুক্ত করার জন্য একটি বর্ধিত ও সম্পূর্ণ স্বাধীন বাছাই কমিটির প্রস্তাব করা হয়েছিল। সরকার বলছে, এটি নিয়ে তাদের আরও নীতিগত সিদ্ধান্ত বা কনসালটেশন প্রয়োজন।

বর্ণিত দুটি বিষয় নিয়ে নিজের মতামত তুলে ধরে তাসনিম জারা বলেন, দেশের কোনো সাধারণ মানুষের একটি মোবাইল ফোন চুরি হলে, তিনি সোজা থানায় গিয়ে সরাসরি এজাহার করতে পারেন। পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত শুরু করে। সেখানে সরকারের কোনো সংবেদনশীলতা কাজ করে না। কিন্তু যখন দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে যায়, ব্যাংক লুট হয়, তখন সরাসরি মামলা করাটি সরকারের কাছে সংবেদনশীল মনে হচ্ছে কেন?

দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর প্রাথমিক অনুসন্ধানের নামে বছরের পর বছর ফাইল আটকে রাখার যে পুরোনো আইনি মারপ্যাঁচ, তা মূলত অপরাধীকে প্রমাণ লোপাট করার এবং বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগই করে দেয় বলে জানান তাসনিম জারা।

তিনি এর সমালোচনা করে বলেন, সরাসরি মামলার ক্ষমতা বাতিল করার অর্থ হলো, রাষ্ট্র সাধারণ চোরের জন্য একরকম আইন রাখছে, আর রাঘববোয়ালদের জন্য রাখছে আরেক রকম!

অ্যান্টি-করাপশন বডিকে হতে হয় সরকারের প্রভাবমুক্ত জানিয়ে পোস্টে তিনি বলেন, এতে তারা সরকারি দলের দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর হতে পারে। অথচ সরকার সেই স্বাধীন বাছাই কমিটির গঠনকেই আটকে দিচ্ছে।

এর অর্থ কী হতে পারে জানিয়ে তাসনিম জারা পোস্টে বলেন, সরকার এমন একটি দুদক চায় যার কমিশনাররা সরকারের নেক নজরের ওপর নির্ভরশীল থাকবেন। আর যে প্রতিষ্ঠান সরকারের দয়ায় গঠিত হয়, সে প্রতিষ্ঠান কখনোই সরকারি দলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারে না।

দুদক বিরোধী দল দমন কমিশনে পরিণত হয়েছে জানিয়ে তাসনিম জারা বলেন,বিগত সরকারের আমলে বিএনপি বলেছে যে, দুর্নীতি দমন কমিশন শুধু সরকারের আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানই নয়, এটি বিরোধী দল দমন কমিশনে পরিণত হয়েছে। দুদকের এই নেতিবাচক রেপুটেশন থেকে বের হয়ে আসার জন্য স্বাধীন বাছাই কমিটির কোনো বিকল্প নেই।

অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, দুদককে নখদন্তহীন করে রাখার পুরোনো সংস্কৃতিতে ফিরে যাওয়া কোনোভাবেই রাষ্ট্রীয় শুভবুদ্ধির পরিচায়ক হতে পারে না। অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করুন।অধিকতর আলোচনার অজুহাতে আইনটি বাতিল করে পুরোনো ব্যবস্থাকে ফিরিয়ে আনবেন না। আইনটিকে আরও শক্তিশালী করতে চাইলে পরবর্তীতে সংসদে সংশোধন আনুন, কিন্তু এই কথা বলে প্রতিষ্ঠানকে পঙ্গু করে রাখবেন না।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০১