বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

নির্বাচনের পর ওয়াদা ভুলে গেছে বিএনপি: জামায়াত আমির

নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিএনপি ওয়াদা ভুলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেছেন, নির্বাচনের দিন পর্যন্ত গণভোটের বিষয়ে বর্তমান সরকারি দল ও বিরোধী দলের অবস্থান একই ছিল। তবে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকারি দল ওয়াদা ভুলে গেছে। গণভোটের গণরায় ইতোমধ্যে সরকারি দল অস্বীকার করেছে। শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মিরপুরের দক্ষিণ পীরেরবাগে […]

নির্বাচনের পর ওয়াদা ভুলে গেছে বিএনপি: জামায়াত আমির

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪৮

নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিএনপি ওয়াদা ভুলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেছেন, নির্বাচনের দিন পর্যন্ত গণভোটের বিষয়ে বর্তমান সরকারি দল ও বিরোধী দলের অবস্থান একই ছিল। তবে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকারি দল ওয়াদা ভুলে গেছে। গণভোটের গণরায় ইতোমধ্যে সরকারি দল অস্বীকার করেছে।

শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মিরপুরের দক্ষিণ পীরেরবাগে ঈদ পুনর্মিলনী ও গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ঢাকা-১৫ আসনের এমপি শফিকুর রহমান বলেন, আমরা চাই না বাংলাদেশে আবার ফ্যাসিবাদ কায়েম হোক। ঘরে ও বাইরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সবার দায়িত্ব। সরকারি দল যারা আছেন তাদের প্রধান দায়িত্ব। বিরোধী দলের দায়িত্ব জনগণের অধিকারের পাহারাদারি করা।

শফিকুর রহমান বলেছেন, ইতোমধ্যে জাতীয় জীবনে কিছু সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। যে জুলাই আজকে পরিবেশ দিয়েছে, সেই জুলাই নির্বাচন দিয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বলছে, ‘জনগণ তাদের ৫১% ভোট দিয়েছে’। কিন্তু সংবিধানের যেসব আইনের কারণে এতদিন জনগণ অধিকারহারা ছিল, ফ্যাসিবাদ কায়েম হয়েছিল, সেই জায়গাগুলো সংস্কারে গণভোটে জনগণ ৬৮ শতাংশের বেশি ভোট দিয়েছে।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেছেন, গণভোটে জামায়াতজোট যেভাবে হ্যাঁ ভোট চেয়েছে, তারেক রহমানও সেভাবে চেয়েছিলেন। বিএনপির পক্ষে সালাহউদ্দিন আহমদ গণভোটের প্রস্তাব করেছিলেন। তাতে জামায়াতসহ অন্যরা সমর্থন করেছিল। কিন্তু নির্বাচনের ফলাফলের পর তাঁরা বদলে গেছেন।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, বিএনপির ৩১ দফায় সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। এখন বলছে, সংবিধানে সংস্কারের কথা নেই! সংবিধানে সংস্কারের কথা না থাকার পরও ৩১ দফায় লিখেছিলেন কীভাবে? গণভোট চাইলেন কেন? হ্যাঁ ভোটে জনগণকে আহ্বান জানালেন কেন? এসব দ্বিচারিতা। নিজেদের ওয়াদার বিরুদ্ধে অবস্থান এবং জনগণের রায়কে অস্বীকার, অগ্রাহ্য ও অপমান করা।

বিরোধীদল রাজপথে যাবে জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেছেন, আশা করেছিলাম সংসদ গণভোটের ফল গ্রহণ করবে। সংসদে গ্রাহ্য না হওয়ায়, জনগণের দাবির কথা নিয়ে জনগণের সাথে একাত্ম হয়েছি।

শফিকুর রহমান বলেন, ইরানে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের বর্বর আক্রমণে বিশ্বে কঠিন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশেও জ্বালানির উপর প্রভাব পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিশ্চয়ই দেখেছেন কিলোমিটারের পর কিলোমিটার হাজারো গাড়ির মিছিল তেলের জন্য। অথচ বিষয়টি যখন সংসদে আমরা জানতে চেয়েছি, তখন এমনভাবে বিবৃতি দিয়েছে সরকার, যেন বাংলাদেশ তেলের উপর ভাসছে।

সরকারকে সতর্ক করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, কিছু লোক যারা সরকারকে তেল দেয়, তারা সংকটটি দেখতে দিচ্ছে না। অতীতে অনেকে এই তেলে পিছলে কোমড় ভেঙেছে। চাই না তারা দেশকে নিয়ে কোনো বিপদে পড়েন। জ্বালানি সংকট নিয়ে বহুদলীয় সংলাপ হোক।

জামায়াতের মিরপুর পূর্ব থানার আমির শাহ আলম তুহিনের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সেলিম উদ্দিনসহ বিভিন্ন সামাজিক ও বাণিজ্যিক সংগঠনের নেতারা অংশ নেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৫৬

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৫১
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৫১

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৫৬