শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

খুলনা এনসিপি’র ডিডকৃত কার্যালয় এখন বিএনপির কার্যালয়ে পরিণত

খুলনা প্রতিনিধি ‎খুলনা বিভাগে এনসিপির সাংগঠনিক কাঠামো নিয়ে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয় নেতাদের অভিযোগ, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদুল হক এবং দক্ষিণাঞ্চলের কেন্দ্রীয় সংগঠক ওয়াহিদুজ্জামানের একের পর এক অদূরদর্শী ও অ-সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের কারণে সংগঠনটি ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ছে। ‎সাম্প্রতিক এক ঘটনায় এই ক্ষোভ আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। খুলনা […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০০:৫১

খুলনা প্রতিনিধি

‎খুলনা বিভাগে এনসিপির সাংগঠনিক কাঠামো নিয়ে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয় নেতাদের অভিযোগ, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদুল হক এবং দক্ষিণাঞ্চলের কেন্দ্রীয় সংগঠক ওয়াহিদুজ্জামানের একের পর এক অদূরদর্শী ও অ-সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের কারণে সংগঠনটি ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ছে।

‎সাম্প্রতিক এক ঘটনায় এই ক্ষোভ আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। খুলনা এনসিপির একটি কার্যালয় রাতারাতি বিএনপির একটি সহযোগী সংগঠনের অফিসে রূপান্তরিত হয়েছে। এনসিপির খুলনা জেলা ও মহানগরের ওই কার্যালয় বর্তমানে “আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদ” নামে ব্যবহৃত হচ্ছে। কার্যালয়ের ভেতরে ও বাইরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি ও দলীয় প্রতীক ‘ধানের শীষ’র ব্যানার টানানো হয়েছে।

‎সংগঠনের একাধিক সূত্র জানায়, খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এনসিপির সাংগঠনিক ভিত্তি ইতোমধ্যে দুর্বল হয়ে পড়েছে; কিছু জেলায় কাঠামো প্রায় ভেঙে পড়ার মতো অবস্থায় রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সংগঠনের উন্নয়নে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেননি। বরং তার এবং তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের কিছু সিদ্ধান্ত সংগঠনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হয়েছে।

‎এছাড়া ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ সংগঠকদের উপেক্ষা করে সুবিধাভোগী ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের বিভিন্ন কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। এতে ‘পকেট কমিটি’ গঠনের মাধ্যমে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে দাবি করছেন নেতাকর্মীরা। এসব কমিটির কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে সংগঠনের নাম ব্যবহার করে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে, যা স্থানীয় গণমাধ্যমেও প্রকাশ পেয়েছে।

‎সবশেষে এস এম আরিফুর রহমান মিঠুকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এনসিপির ডিড করা কার্যালয় হলেও সেটি এখন “আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদ”-এর মহানগর কার্যালয় হিসেবে উদ্বোধন করা হয়েছে। এতে এনসিপির সাংগঠনিক কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

‎এমন পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল নেতারা। তাদের দাবি, সংগঠনের আদর্শ ও কাঠামো রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে খুলনা বিভাগে এনসিপির অস্তিত্ব সংকটে পড়বে।

‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক খুলনা মহানগরের এক সংগঠক বলেন, “সাংগঠনিকভাবে এনসিপি খুলনা ধীরে ধীরে অকার্যকর হয়ে পড়ছে। এর দায় খুলনার কেন্দ্রীয় দুই নেতার ওপরই বর্তায়। এনসিপির ডিডকৃত অফিস এখন বিএনপির কার্যালয়ে পরিণত হচ্ছে। পক্ষপাতমূলক লোকজন নিয়ে এসে তারা সংগঠনকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।”

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।