বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়া

দেশে ফেরার অনুমতি আছে কি না, প্রশ্ন তসলিমা নাসরিনের

বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন আবারও বাংলাদেশে ফেরার অধিকার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়েছেন। সম্প্রতি নির্মাতা ও সাবেক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার গুঞ্জন নিয়ে যখন দেশজুড়ে আলোচনা চলছে, ঠিক সেই মুহূর্তেই নিজের নির্বাসিত জীবন ও দেশে ফেরার অনিশ্চয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। শুক্রবার (২৭ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তসলিমা নাসরিন […]

দেশে ফেরার অনুমতি আছে কি না, প্রশ্ন তসলিমা নাসরিনের

দেশে ফেরার অনুমতি আছে কি না, প্রশ্ন তসলিমা নাসরিনের

নিউজ ডেস্ক

২৭ মার্চ ২০২৬, ১২:১১

বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন আবারও বাংলাদেশে ফেরার অধিকার নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়েছেন। সম্প্রতি নির্মাতা ও সাবেক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার গুঞ্জন নিয়ে যখন দেশজুড়ে আলোচনা চলছে, ঠিক সেই মুহূর্তেই নিজের নির্বাসিত জীবন ও দেশে ফেরার অনিশ্চয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তসলিমা নাসরিন লেখেন, ‘বাংলাদেশের লোকেরা ব্যস্ত মোস্তফা ফারুকীর দেশত্যাগে অনুমতি না থাকা নিয়ে। হোয়াট এবাউট আমার দেশে ফেরা? অনুমতি আছে নাকি নেই?’

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একটি নথিকে কেন্দ্র করে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি আলোচনায় আসে। ওই নথিতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুদান এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়েছে।

একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনের সূত্র ধরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ খালেদ হাসানের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। আদেশের একটি অংশে ফারুকীসহ অভিযুক্তদের প্রয়োজনে জিজ্ঞাসাবাদ এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা উল্লেখ রয়েছে।

যদিও এই নথির সত্যতা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি এবং সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।

দেশজুড়ে যখন একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির দেশের বাইরে যাওয়ার পথ রুদ্ধ হওয়া নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই তসলিমা নাসরিন গত তিন দশক ধরে তার নিজের দেশে ফিরতে না পারার প্রসঙ্গ মনে করিয়ে দিলেন। তসলিমার এই আকুতি নতুন নয়; ১৯৯৪ সাল থেকে তিনি বিদেশের মাটিতে নির্বাসিত জীবন যাপন করছেন।

তসলিমা নাসরিনের নির্বাসনের প্রেক্ষাপট দীর্ঘদিনের। ১৯৯৪ সালের মে মাসে কলকাতার ‘দ্য স্টেটসম্যান’ পত্রিকায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ধর্মীয় আইন ও কুরআন সংশ্লিষ্ট কিছু মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। তৎকালীন সময়ে ইসলামপন্থীরা তার ফাঁসির দাবিতে রাজপথে নামে এবং তাকে ‘সাম্রাজ্যবাদী শক্তির দালাল’ হিসেবে অভিহিত করে। এমনকি সিলেটে এক সমাবেশে তার মাথার দামও ঘোষণা করা হয়েছিল।

তৎকালীন সরকার জনগণের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে তসলিমার বিরুদ্ধে মামলা করে এবং জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। দীর্ঘ দুই মাস আত্মগোপনে থাকার পর উচ্চ আদালতের নির্দেশে জামিন পেয়ে ১৯৯৪ সালের আগস্ট মাসে তিনি বাংলাদেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হন।

সোশ্যাল মিডিয়া

রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা,পাবলিকস আর সাফাররিং,ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায় মাননীয় স্পিকার

নিজ এলাকার রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থার কথা ব্যতিক্রমী ভাষায় তুলে ধরে সংসদ সদস্য জেবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা, পাবলিকস আর সাফাররিং। ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায়, মাননীয় স্পিকার।” তার এ বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ জুন ২০২৬, ১১:৫৯

নিজ এলাকার রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থার কথা ব্যতিক্রমী ভাষায় তুলে ধরে সংসদ সদস্য জেবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “রাস্তাজ আর ভেরি ভেরি পিছলা, পাবলিকস আর সাফাররিং। ইন রিইনি সিজন পাবলিকস লেগ কাঁদার মধ্যে হান্দি যায়, মাননীয় স্পিকার।”

তার এ বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই এটিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের সরল ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরার প্রয়াস হিসেবে দেখছেন। বক্তব্যে তিনি বর্ষা মৌসুমে কাদাময় ও চলাচলের অনুপযোগী সড়কের কারণে স্থানীয় জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি তুলে ধরেন এবং দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।

সোশ্যাল মিডিয়া

পাটওয়ারী-সারজিসের গাড়ি বহরে লীগের জয় বাংলা হয়েছে,আরও বেশি বেশি আ.লীগের পাশে থাকুন, দোচন খান: ইলিয়াস

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সফরকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে। পোস্টে আরও বলা হয়, এ ঘটনাকে আওয়ামী লীগের প্রতি জনসমর্থনের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ওই পোস্টে […]

পাটওয়ারী-সারজিসের গাড়ি বহরে লীগের জয় বাংলা হয়েছে,আরও বেশি বেশি আ.লীগের পাশে থাকুন, দোচন খান: ইলিয়াস

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুলাই ২০২৬, ২২:৪১

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সফরকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে। পোস্টে আরও বলা হয়, এ ঘটনাকে আওয়ামী লীগের প্রতি জনসমর্থনের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ওই পোস্টে লেখক আওয়ামী লীগের সমর্থকদের উদ্দেশে দলটির পাশে থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় দেড় বছর আগেই এমন পরিস্থিতির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন বলে তার দাবি।

সোশ্যাল মিডিয়া

‘সুযোগ-সুবিধার জন্য দল পরিবর্তনকারীরা রাজনৈতিক পতিতা’: নুরের পোস্টে আমিরের ‘সহমত’

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করেছেন মুফতি আমির হামজা। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নুরুল হক নুরের ওই পোস্টটি শেয়ার করেন তিনি। শেয়ার করা পোস্টে নুর লিখেছেন, ‘সুযোগ-সুবিধার জন্য দল পরিবর্তনকারীরা রাজনৈতিক পতিতা! যারা পতিতার মতো টাকা/সুযোগ-সুবিধায় বিক্রি হয়, এদের থেকে ভালো কিছু পাওয়ার আছে?’ শেয়ার […]

‘সুযোগ-সুবিধার জন্য দল পরিবর্তনকারীরা রাজনৈতিক পতিতা’: নুরের পোস্টে আমিরের ‘সহমত’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৪১

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করেছেন মুফতি আমির হামজা।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নুরুল হক নুরের ওই পোস্টটি শেয়ার করেন তিনি।

শেয়ার করা পোস্টে নুর লিখেছেন, ‘সুযোগ-সুবিধার জন্য দল পরিবর্তনকারীরা রাজনৈতিক পতিতা! যারা পতিতার মতো টাকা/সুযোগ-সুবিধায় বিক্রি হয়, এদের থেকে ভালো কিছু পাওয়ার আছে?’

শেয়ার করা পোস্টটি দেখা যায়, নুরুল হক নুরের ওই পোস্টটি ২০২৫ সালের ১৩ জুলাই প্রকাশ করা হয়েছিল। পরে মুফতি আমির হামজা সেটি নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে শেয়ার করেন।

নুরুল হক নুরের পোস্ট শেয়ার আমির হামজা লেখেন ‘সহমত’।