বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

রাজারবাগে হামলা না হলে স্বাধীনতার ঘোষণা আসত আরও পরে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন

পাকহানাদার বাহিনী যদি ২৫ মার্চ কালোরাতে রাজারবাগে হামলা না করতো তাহলে হয়ত স্বাধীনতার ঘোষণা আরো ২/১ দিন পরে হতে পারতো। কিন্তু এই ঘটনা আমাদের জাতিকে বাধ্য করেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে রাজারবাগ পুলিশ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি। বৃহস্পতিবার(২৬ মার্চ) সকাল ৭টায় রাজারবাগ পুলিশ […]

রাজারবাগে হামলা না হলে স্বাধীনতার ঘোষণা আসত আরও পরে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন

রাজারবাগে হামলা না হলে স্বাধীনতার ঘোষণা আসত আরও পরে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন

নিউজ ডেস্ক

২৬ মার্চ ২০২৬, ১০:৪১

পাকহানাদার বাহিনী যদি ২৫ মার্চ কালোরাতে রাজারবাগে হামলা না করতো তাহলে হয়ত স্বাধীনতার ঘোষণা আরো ২/১ দিন পরে হতে পারতো। কিন্তু এই ঘটনা আমাদের জাতিকে বাধ্য করেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে রাজারবাগ পুলিশ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।

বৃহস্পতিবার(২৬ মার্চ) সকাল ৭টায় রাজারবাগ পুলিশ লাইনস পুলিশ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। এ সময় পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালো রাতে সবচাইতে বেশি শহীদ হয়েছেন এই রাজারবাগে। প্রথম ম্যাসাকার বা গণহত্যাটা শুরু হয়েছে এই রাজাবাগ পুলিশ লাইনে। এখান থেকেই পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জগন্নাথ হল এবং অন্যান্য জায়গায় পাক হানাদার বাহিনী গণহত্যা শুরু করে। এটাই হচ্ছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণার প্রথম ভিত্তি।

তিনি বলেন, পাকহানাদার বাহিনী যদি ২৫ মার্চ কালোরাতে এখানে ওই সময় হামলা না করতো তাহলে হয়তো স্বাধীনতার ঘোষণা আরও দুই-একদিন পরে হতে পারতো। কিন্তু এই ঘটনা আমাদের জাতিকে বাধ্য করেছে।

তিনি স্বাধীনতা ঘোষণার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই গণহত্যার খবর পাওয়ার পরে তিনি চট্টগ্রাম বন্দরের দিকে যাচ্ছিলেন তখনো পর্যন্ত পাকিস্তানি কমান্ডারের হুকুমে। তিনি অবগত হলেন রাজারবাগ পুলিশ লাইন গণহত্যা শুরু হয়েছে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আক্রমণ করা শুরু করেছে। সুতরাং এই মুহূর্তে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে হবে। তখনই তিনি মনস্থির করেছেন এবং ষোল শহরে তার নিজস্ব সামরিক বেইজে গিয়ে তার কমান্ডারকে রেস্ট করলেন। পরবর্তীতে তাকে হত্যা করা হয়। বাঙালি অফিসারদের মধ্যে যারা তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমানের সঙ্গে ছিলেন তাদের নিয়ে তিনি বিদ্রোহ ঘোষণা করলেন। সেখান থেকেই তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২৭ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তিনি প্রথম প্রভিশনাল হেড অফ দি স্টেট হিসেবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে সারা বিশ্বের সমর্থন কামনা করেন এবং তারপরে তৎকালীন জাতীয় নেতা মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে আবার সংশোধিতভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এটাই প্রকৃত ইতিহাস।

তিনি বলেন, রাজারবাগ পুলিশ লাইনের আমাদের পুলিশ বাহিনীর যে ত্যাগ, যে রক্তদান সেটাই বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধের ঘোষণার সূচনা বলে আমরা জানি। এটাই প্রকৃতি ইতিহাস আজকের এই দিনে সব শহীদদের প্রতি আমরা শ্রদ্ধা জানাই। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে, স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন, আত্মত্যাগ করেছেন, বিভিন্নভাবে যারা পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন সবাইকে আমরা আজকের এই জাতীয় দিনে স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় দিবসে স্মরণ করি এবং সাভার স্মৃতিশোধে আমরা প্রথমেই তাদের স্মরণে পুষ্পমালা অর্পণ করেছি। প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতি সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে পুষ্পমালা অর্পণ করেছেন। তারপর মন্ত্রিপরিষদের সবাই পুষ্পমালা অর্পণ করেছেন। ওখান থেকে আমরা স্বাধীনতার মহান ঘোষক মরহুম রাষ্ট্রপতি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা অনেক বছর পরে স্বাধীনতা দিবসের মার্চ কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করবো। এটা আমাদের জন্য অনেকটা আনন্দের দিন। বেশ কয়েক বছর বন্ধ ছিল। আশা করি বাংলাদেশের এই গণতান্ত্রিক যাত্রায় জাতীয় জীবনের যে প্রত্যাশা শহীদের আকাঙ্ক্ষা এবং জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী আমরা গণতান্ত্রিক চর্চা, নতুনভাবে জাতির প্রত্যাশা অনুযায়ী শুরু করছি। এই চর্চা অব্যাহত থাকবে৷ সব ক্ষেত্রে আমরা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে সংস্কৃতির চর্চা অব্যাহত রাখবো।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।