শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

খাসজমি দখলের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে হেনস্তার শিকার সাংবাদকর্মী

‎নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় দেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল দৈনিক সকাল পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের পরবর্তী অবস্থার ফলোআপ রিপোর্টের তথ্যে সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির সুবর্ণচর উপজেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম হেনস্তার শিকার হয়েছেন। ভূমিদস্যু চক্রটি সাংবাদকর্মীর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেই এবং পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে অপপ্রচারে নেমেছে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে। গত সোমবার (১৬ মার্চ) […]

খাসজমি দখলের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে হেনস্তার শিকার সাংবাদকর্মী

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৮ মার্চ ২০২৬, ১৭:৪৬

‎নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় দেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল দৈনিক সকাল পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের পরবর্তী অবস্থার ফলোআপ রিপোর্টের তথ্যে সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির সুবর্ণচর উপজেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম হেনস্তার শিকার হয়েছেন।

ভূমিদস্যু চক্রটি সাংবাদকর্মীর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেই এবং পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে অপপ্রচারে নেমেছে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে।

গত সোমবার (১৬ মার্চ) ‎উপজেলার ২নং চরবাটা ইউনিয়নের ৩০৩ নং চরমজিদ মৌজার ভূঁইয়ারহাট বাজার ইসলামী ব্যাংকের বুথের বিপরীতে সরকারী খাস খতিয়ানের অন্তরভূক্ত ২১৪৯ দাগে সড়কের পাশে উচ্ছেদকৃত স্থানে সকালবেলা এই ঘটনাটি ঘটে। 

‎ভুক্তভোগী সাংবাদিকের দাবি, সুবর্ণচর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব নুরুল হুদার নেতৃত্বে একদল ভূমিদস্যু ও তাঁর অনুসারীরা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে।

‎স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, ভূঁইয়ারহাট বাজারে সরকারি খাস জমি দখল করে দোকান ভিটি নির্মাণের কাজ চলমান রেখেছে ওসমান গনি নামের এক ব্যক্তির পরিবার। উপজেলা প্রশাসন থেকে উক্ত নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হলেও প্রশাসনকে লাল কার্ড দেখিয়ে টিনের ছাউনির বিতরে ‘সজীব অটো পার্টস’ নামের ২টি দোকানের ভেতরে গোপনে রাজমিস্ত্রিরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলো এমন সংবাদ পাওয়া যায়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ফলোআপ রিপোর্টের তথ্যে সংগ্রহের ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ছবি-ভিডিও ধারণ করে সাংবাদিক তাজুল ইসলাম।

ঘটনাস্থলে থেকে ছবি তোলার সময় সজীব অটোর মালিকের ছোট ভাই নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ক্যাডার রাজিব হঠাৎ সাংবাদিক তাজুলের হাত থেকে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেন। এসময় রাজিব নিজের ফোন দিয়ে সাংবাদিকের ভিডিও ধারণ করেন এবং উল্টো তাঁর কাছে চাঁদা দাবি করতে এসেছেন বলে চিৎকার করে লোকজন জড়ো করেন।

একাধিক স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, ‎পরবর্তীতে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব নুরুল হুদা ঘটনাস্থলে এসে রাজিবের কাছ থেকে ওই ভিডিওটি সংগ্রহ করেন বলে জানা গেছে।

‎ঘটনার কিছুক্ষণ পর নুরুল হুদার মোটরসাইকেল ড্রাইবার মাসুম হোসেন রাজু তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে সাংবাদিক তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগ তুলে ভিডিওটি পোস্ট সোস্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে দেই।

স্থানীয় একাধিক ‎সংবাদকর্মীরা জানান, পুরো বিষয়টি একটি পরিকল্পিত সিন্ডিকেটের কাজ। স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে যে, ওই অবৈধ দোকান ভিটি দখল ও নির্মাণ সচল রাখতে নুরুল হুদা বড় অঙ্কের আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন এবং তাঁর ছত্রছায়ায় ভূমিদস্যুরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

‎এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সাংবাদিক তাজুল ইসলাম বলেন, “আমি প্রশাসনের নিষেধ অমান্য করে কাজ করার ছবি তুলতে গেলে তারা আমার ওপর চড়াও হয়। আমার ফোন কেড়ে নিয়ে তারা নিজেরাই নাটক সাজিয়ে ভিডিও করে এবং সামাজিকভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে অপপ্রচার চালাচ্ছেন নিজের লোকজন দিয়ে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানাই প্রশাসনের তরফ হতে।”

‎বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্ত নুরুল হুদার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তাই এ বিষয়ে তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, রাত্রে আমি এমন একটা অভিযোগ পেয়েছি। এন্ডুস করেছি। কোন এক অফিসার যাবে। যে অফিসারের নামে দেওয়া হয়েছে সে যাবে। মুনশিকে বলে দিচ্ছি যে অফিসার তদন্ত করছে সে যাবে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষার্থে সক্রিয়তা আইনি সহায়তা দায়িত্ব সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি আমার দায়িত্ব নয়, এটা উদ্ধার করা ইউএনও ও এসিল্যান্ডের কাজ।

আমার কাজ হল অভিযোগকারী কে তাকে কেউ হুমকি থ্রেট দিয়েছে কিনা। ভিন্ন অন্য কোন বিষয় আছে কিনা খতিয়ে দেখা। আইনি সংক্রান্ত কোন বিষয় হলে তাহলে আমি বিষয়টি দেখব সেটা আমার দায়িত্ব।

এদিকে একজন সংবাদকর্মীকে পেশাগত কাজে বাধা প্রদান ও সম্মানহানির ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা বিরাজ করছে। ফ্যাসিস্ট শাসন আমলের মতো গণমাধ্যমের মুখ বন্ধ রেখে কেউ কেউ সত্য প্রকাশে বাধাঁ অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিতে জোর দাবি জানান স্থানীয় সংবাদ কর্মীরা।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।