শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

খাসজমি দখলের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে হেনস্তার শিকার সাংবাদকর্মী

‎নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় দেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল দৈনিক সকাল পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের পরবর্তী অবস্থার ফলোআপ রিপোর্টের তথ্যে সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির সুবর্ণচর উপজেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম হেনস্তার শিকার হয়েছেন। ভূমিদস্যু চক্রটি সাংবাদকর্মীর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেই এবং পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে অপপ্রচারে নেমেছে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে। গত সোমবার (১৬ মার্চ) […]

খাসজমি দখলের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে হেনস্তার শিকার সাংবাদকর্মী

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৮ মার্চ ২০২৬, ১৭:৪৬

‎নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় দেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল দৈনিক সকাল পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের পরবর্তী অবস্থার ফলোআপ রিপোর্টের তথ্যে সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটির সুবর্ণচর উপজেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম হেনস্তার শিকার হয়েছেন।

ভূমিদস্যু চক্রটি সাংবাদকর্মীর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেই এবং পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে অপপ্রচারে নেমেছে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করতে।

গত সোমবার (১৬ মার্চ) ‎উপজেলার ২নং চরবাটা ইউনিয়নের ৩০৩ নং চরমজিদ মৌজার ভূঁইয়ারহাট বাজার ইসলামী ব্যাংকের বুথের বিপরীতে সরকারী খাস খতিয়ানের অন্তরভূক্ত ২১৪৯ দাগে সড়কের পাশে উচ্ছেদকৃত স্থানে সকালবেলা এই ঘটনাটি ঘটে। 

‎ভুক্তভোগী সাংবাদিকের দাবি, সুবর্ণচর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব নুরুল হুদার নেতৃত্বে একদল ভূমিদস্যু ও তাঁর অনুসারীরা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে।

‎স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, ভূঁইয়ারহাট বাজারে সরকারি খাস জমি দখল করে দোকান ভিটি নির্মাণের কাজ চলমান রেখেছে ওসমান গনি নামের এক ব্যক্তির পরিবার। উপজেলা প্রশাসন থেকে উক্ত নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হলেও প্রশাসনকে লাল কার্ড দেখিয়ে টিনের ছাউনির বিতরে ‘সজীব অটো পার্টস’ নামের ২টি দোকানের ভেতরে গোপনে রাজমিস্ত্রিরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলো এমন সংবাদ পাওয়া যায়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ফলোআপ রিপোর্টের তথ্যে সংগ্রহের ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ছবি-ভিডিও ধারণ করে সাংবাদিক তাজুল ইসলাম।

ঘটনাস্থলে থেকে ছবি তোলার সময় সজীব অটোর মালিকের ছোট ভাই নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ক্যাডার রাজিব হঠাৎ সাংবাদিক তাজুলের হাত থেকে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেন। এসময় রাজিব নিজের ফোন দিয়ে সাংবাদিকের ভিডিও ধারণ করেন এবং উল্টো তাঁর কাছে চাঁদা দাবি করতে এসেছেন বলে চিৎকার করে লোকজন জড়ো করেন।

একাধিক স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, ‎পরবর্তীতে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব নুরুল হুদা ঘটনাস্থলে এসে রাজিবের কাছ থেকে ওই ভিডিওটি সংগ্রহ করেন বলে জানা গেছে।

‎ঘটনার কিছুক্ষণ পর নুরুল হুদার মোটরসাইকেল ড্রাইবার মাসুম হোসেন রাজু তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে সাংবাদিক তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মিথ্যা অভিযোগ তুলে ভিডিওটি পোস্ট সোস্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে দেই।

স্থানীয় একাধিক ‎সংবাদকর্মীরা জানান, পুরো বিষয়টি একটি পরিকল্পিত সিন্ডিকেটের কাজ। স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে যে, ওই অবৈধ দোকান ভিটি দখল ও নির্মাণ সচল রাখতে নুরুল হুদা বড় অঙ্কের আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন এবং তাঁর ছত্রছায়ায় ভূমিদস্যুরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

‎এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সাংবাদিক তাজুল ইসলাম বলেন, “আমি প্রশাসনের নিষেধ অমান্য করে কাজ করার ছবি তুলতে গেলে তারা আমার ওপর চড়াও হয়। আমার ফোন কেড়ে নিয়ে তারা নিজেরাই নাটক সাজিয়ে ভিডিও করে এবং সামাজিকভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে অপপ্রচার চালাচ্ছেন নিজের লোকজন দিয়ে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানাই প্রশাসনের তরফ হতে।”

‎বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্ত নুরুল হুদার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তাই এ বিষয়ে তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, রাত্রে আমি এমন একটা অভিযোগ পেয়েছি। এন্ডুস করেছি। কোন এক অফিসার যাবে। যে অফিসারের নামে দেওয়া হয়েছে সে যাবে। মুনশিকে বলে দিচ্ছি যে অফিসার তদন্ত করছে সে যাবে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষার্থে সক্রিয়তা আইনি সহায়তা দায়িত্ব সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি আমার দায়িত্ব নয়, এটা উদ্ধার করা ইউএনও ও এসিল্যান্ডের কাজ।

আমার কাজ হল অভিযোগকারী কে তাকে কেউ হুমকি থ্রেট দিয়েছে কিনা। ভিন্ন অন্য কোন বিষয় আছে কিনা খতিয়ে দেখা। আইনি সংক্রান্ত কোন বিষয় হলে তাহলে আমি বিষয়টি দেখব সেটা আমার দায়িত্ব।

এদিকে একজন সংবাদকর্মীকে পেশাগত কাজে বাধা প্রদান ও সম্মানহানির ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা বিরাজ করছে। ফ্যাসিস্ট শাসন আমলের মতো গণমাধ্যমের মুখ বন্ধ রেখে কেউ কেউ সত্য প্রকাশে বাধাঁ অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিতে জোর দাবি জানান স্থানীয় সংবাদ কর্মীরা।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।