রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সকালে তারাকান্দা আ’লীগের কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন , আবার রাতে ১১ দলীয় জোট পুনঃরায় দেয় আগুন

জাহাঙ্গীর আলম , তারাকান্দা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা ভোর সকালে অগ্নিদগ্ধ তারাকান্দা আ’লীগের কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন আবার রাতে ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দুর দেয়া আগুনে তারাকান্দায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রিতীমত ক্ষুব্ধ ঝড় বয়ে যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষিদ্ধ ঘোষীত আ’লীগ নেতা তারাকান্দা উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও যুবলীগ নেতার মাঝে চরম বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়তে দেখা যায় তাদের […]

সকালে তারাকান্দা আ’লীগের কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন , আবার রাতে ১১ দলীয় জোট পুনঃরায় দেয় আগুন

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:১৪

জাহাঙ্গীর আলম , তারাকান্দা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা ভোর সকালে অগ্নিদগ্ধ তারাকান্দা আ’লীগের কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন আবার রাতে ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দুর দেয়া আগুনে তারাকান্দায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রিতীমত ক্ষুব্ধ ঝড় বয়ে যাচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষিদ্ধ ঘোষীত আ’লীগ নেতা তারাকান্দা উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও যুবলীগ নেতার মাঝে চরম বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়তে দেখা যায় তাদের নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

এতে তারাকান্দা উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদ ও ৪নং গালাগাঁও ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জিয়াউল হক জিয়া লিখেন, ”প্রিয় সংগ্রামী সাথী সহযোদ্ধা। আমরা যারা আওয়ামী লীগ করি তারাকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের অফিস আমাদের প্রত সালের ৫ই আগস্ট এই অফিসটা পুড়িয়ে আমাদের কলিজা দগ্ধ করেছিল,

দীর্ঘ ১৮ মাস পর যখন এই দগ্ধ কলিজা কিছুটা সেরে ওঠার পথে, ঠিক সেই সময় যারা অতি উৎসাহী হয়ে প্রতিপক্ষকে সুরসুরি দিয়ে আবার এই অফিসে আগুন দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে তাদের প্রত্যেককেই জবাব দিতে হবে, তোমরা কার অনুমতি নিয়ে অফিস উদ্বোধন করলে, সে আওয়ামী লীগের কে? , এই অফিসের কে? ,

জবাব তোমাদেরকে দিতে হবে। ৫ই আগস্ট এর পর আমি দেশে থেকে সকল আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সাথে সমন্বয় করেছি যতটুকু পারি খোঁজখবর নিয়েছি আমার সাথে সকল পর্যায়ের আওয়ামীলীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ ছিল এখনো আছে ।

আমাদের উপজেলা যুবলীগ এক্টিভ ছিল এখনো আছে। উপজেলা ছাত্রলীগ অ্যাক্টিভ ছিলো এখনো একটিভ আছে। তোমরা কারা আওয়ামী লীগ অফিস উদ্বোধন করার? তোমরা কে ?

দলের এই দুর্দিন দুঃসময়ে আমাদের রাজনীতি হবে সম্মিলিত রাজনীতি সকল কর্মসূচি হবে সকলের অংশগ্রহণে । আমাদের সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, ব্যারিস্টার আবুল কালাম আজাদ সহ আরো যারা আগামী দিনের এমপি প্রার্থী আছেন মেয়র প্রার্থী আছেন,

উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আছেন, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী আছেন,আমরা সবাই এক মঞ্চে রাজনীতি করবো। আল্লাহ যাকে পছন্দ করবেন, নেত্রী যাকে পছন্দ করবেন তিনি এমপি হবেন । এর বাইরে যারা পৃথক রাজনীতি করার চেষ্টা করবে তাদেরকে মনে করব আওয়ামী লীগের শত্রু দেশের শত্রু।

আমি আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দদেরকে উদাত্ত আহবান জানাচ্ছি সবাই ঐক্যবদ্ধ প্রস্তুতি গ্রহণ করুন যারাই দ্বিতীয়বার আমাদের এই হৃদপিণ্ডে আগুন দিয়েছে আমরাও ওদের প্রত্যেকের রাজনীতি চিরদিনের জন্য নিশ্বেস করে দিব। বঙ্গবন্ধুর বাংলায় আমাদের প্রিয় তারাকান্দার মাটিতে কোন রাজাকারের অস্তিত্ব রাখবো না।জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু

জয় দেশরত্ন শেখ হাসিন বলে লিখাটি শেষ করেন।

তা দেখে তার প্রতি উত্তরে তারাকান্দা উপজেলা যুবলীগ নেতা আনোয়ার হোসেন জিয়াউল হক জিয়ার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কমেন্ট বক্সে লিখেন, ” আপনার লেখাটা পড়ে উত্তর না দিয়ে পারলাম না। তারাকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগ ৫ ই আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত জীবিত আছে কিনা আমার জানা নেই।

তারাকান্দা উপজেলা যুবলীগ ৫ আগস্টের পর থেকে জীবিত আছে কিনা জানা নেই। কিছু সংখ্যা মানুষ ফেসবুকে পোস্ট করা ছাড়া রাজনৈতিক কোন কর্মকান্ডে আওয়ামী লীগ’কে ফিরিয়ে আনার জন্য কোন ভূমিকা রাখেনি।

৫ ই আগস্টের পর থেকে কয়েকজন লোক ছাড়া কেউ কোন আন্দোলন মিছিল করেনি, তারা কিন্তু কেও বড় ধরনের পোস্ট পদবী নিয়ে করেনি। তার মানে কি পদ পদবী ছাড়া আওয়ামী লীগ কেউ করতে পারবে না।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি আপনার কথার অনুযায়ী কয়েকজনকে তারাকান্দা ফুলপুর ইজারা দিয়ে দিছে, অন্য কেউ আওয়ামী লীগের কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করলে তাদের জবাবদিহি করতে হবে। জবাব যদি নিতে চান ঐক্যবদ্ধ রাজনীতি যদি করতে চান তাহলে আসুন কবে কোন দিন অবস্থান করবেন আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনার জন্য, না নেত্রীর আশায় বইসা রইছেন উনি ব্যবস্থা করে দিবে তারপর আপনারা আসবেন ।

আমি কথা দিলাম আমি আওয়ামী লীগের একজন নগণ্য কর্মী হিসাবে ওই তারিখে শতাধিক লোক নিয়ে আপনাদের পাশে থাকবো। ৫ তারিখের পর থেকে ফুলপুর তারাকান্দার কর্মীদের সাথে যোগাযোগ রেখেছি এখনো আছে ভবিষ্যতেও থাকবে।

ইনশাআল্লাহ জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু লিখে লিখাটা শেষ ক২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কয়েক দিন যেতে না যেতেই দেশের বেশ কিছু স্থানে এমন সব দৃশ্য লক্ষ্মণীয় হয়ে উঠে। যা কিছু মানুষের কাছে ইতিবাচক ও কিছু মানুষের মাঝে নেতিবাচক হয়ে উঠছে।

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম […]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও সেনবাগ থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চোরেরা অফিস কক্ষে প্রবেশের পর দুটি স্টিলের আলমিরা ও একটি ফাইল কেবিনেটের তালা ভেঙে ফেলে। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।