রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য খবর

নেত্রকোনায় ট্রেনের ধা/ক্কায় অটো রাইস মিল শ্রমিক নি/হ/ত

নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোনা সদরে “মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস” ট্রেনের ধাক্কায় দুইজন অটো রাইস মিলের শ্রমিক নিহত হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জেলার চল্লিশা রেল স্টেশনের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তারা চল্লিশার জীবন কুমার সাহা’র “তমাল তম্ময়” অটো রাইসমিলের শ্রমিক হিসেবে কাজ করতো। নিহতরা হলেন- রাসেল ইসলাম (২৫) ঝিনাইগাতী জেলার শেরপুর উপজেলার মালিজাকান্দা গ্রামের লুৎফর রহমান ছেলে, অপরজন […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২২:৪০

নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

নেত্রকোনা সদরে “মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস” ট্রেনের ধাক্কায় দুইজন অটো রাইস মিলের শ্রমিক নিহত হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জেলার চল্লিশা রেল স্টেশনের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তারা চল্লিশার জীবন কুমার সাহা’র “তমাল তম্ময়” অটো রাইসমিলের শ্রমিক হিসেবে কাজ করতো।

নিহতরা হলেন- রাসেল ইসলাম (২৫) ঝিনাইগাতী জেলার শেরপুর উপজেলার মালিজাকান্দা গ্রামের লুৎফর রহমান ছেলে, অপরজন আকাশ রায় (২৪) দিনাজপুর জেলার চিরিবন্দর উপজেলার ছোটবাউল গ্রামের সন্তোষ রায়ের ছেলে। 

প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের স্বজন সূত্রে জানা গেছে, রাসেল ইসলাম ও আকাশ রায় দীর্ঘ এক বছর ধরে নেত্রকোনার সদর উপজেলার চল্লিশা “তমাল তন্ময়” অটো রাইসমিলে শ্রমিকের কাজ করতেন। শনিবার বিকালে তাদের সহকর্মীদের ৭/৮জনের একটি দল কাজ শেষে বাহিরে ঘুরতে যান। রেল লাইন দিয়ে চল্লিশা স্টেশনে যাওয়ার সময় ঢাকা থেকে মোহনগঞ্জগামী “মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস” ট্রেন আসে। তাদের মধ্যে আকাশ ও রাসেল ট্রেনের ধাক্কায় রাস্তার পাশে পড়ে যায়। পরে তাদের সাথের লোকজন রাসেল ও আকাশকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করেন। পরে রেল লাইনের সড়কের পাশে আহত অবস্থায় খুঁজে পায় তারা। স্থানীয়দের সহযোগিতায় উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। 

সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের ডাঃ শ্রদ্ধানন্দ নাথ বলেন, আকাশ ও রাসেল নামে দুইজনকে কয়েকজন হাসপাতালে নিয়ে আসে। হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই মারা গেছে। মাথা ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিহতের সাথে আসা লোকজনের তথ্য মতে ট্রেনের ধাক্কায় মারা গেছে। 

শ্যামগঞ্জ জিআরপি পুলিশ ফাঁড়ির উপ পরিদর্শক নূরুল ইসলাম বলেন, শুনেছি নেত্রকোনার চল্লিশায় মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় দুইজন লোক মারা গেছে। কাগজ পত্র প্রস্তুত করে করে সদর হাসপাতালে যাব। পরে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

অন্যান্য খবর

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থীর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নাম জানানো হয়। ঘোষণা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী হবেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর […]

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:৫৭

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থীর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নাম জানানো হয়।

ঘোষণা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী হবেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে দলটির মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি আবু সাদিক কায়েমের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

এর মধ্য দিয়ে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের সম্ভাব্য প্রার্থী সামনে আনল জামায়াতে ইসলামী।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫৫৮

অন্যান্য খবর

যতই ব্যস্ত থাকি না কেন, এলাকার উন্নয়নে পাশে থাকবো: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পেলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করার ইচ্ছা রয়েছে তার। একই সঙ্গে নিজের এলাকার উন্নয়নেও সক্রিয় থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর হেয়ার রোডে সরকারি বাসভবনে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে […]

যতই ব্যস্ত থাকি না কেন, এলাকার উন্নয়নে পাশে থাকবো: মির্জা ফখরুল

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৮ আগস্ট ২০২৬, ২২:১০

বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পেলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করার ইচ্ছা রয়েছে তার। একই সঙ্গে নিজের এলাকার উন্নয়নেও সক্রিয় থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর হেয়ার রোডে সরকারি বাসভবনে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমি কখনো ভাবিনি যে রাষ্ট্রপতি হবো। এটা দলের এবং মহান আল্লাহর অশেষ মেহেরবানি। রাষ্ট্রপতি হলেও আমার ইচ্ছা আছে, জনগণের পাশে থেকে সেবা করবো।’

তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব ও ব্যস্ততা যতই থাকুক, জনগণের কল্যাণ এবং এলাকার উন্নয়নে তিনি পাশে থাকার চেষ্টা করবেন।

সাক্ষাৎকালে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার নেতারা বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানান। এ সময় তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে তাকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ায় মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

পরে তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেন।

সৌজন্য সাক্ষাতে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার সভাপতি মানিক মুনতাসির, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, প্রধান বার্তা সম্পাদক মানিকুল আজাদসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সংগঠনের উপদেষ্টা ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

অন্যান্য খবর

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ না লেখার নির্দেশ

সরকারি যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ বা অন্য সম্মানসূচক শব্দ না লেখার জন্য নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ না লেখার নির্দেশ

দৈনিক সকাল গ্রাফিক্স

নিউজ ডেস্ক

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:২৪

সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগ ও নথিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ কিংবা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে জারি করা এক পরিপত্রে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, সরকার, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে তাদের পদবির আগে কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার করা যাবে না।

একই নির্দেশনা সরকারি নথিপত্র, সারসংক্ষেপ উপস্থাপন এবং দাপ্তরিক চিঠিপত্রের ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে।

সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং সেগুলোর অধীন দপ্তর ও সংস্থাকে নতুন সিদ্ধান্ত অনুসরণের অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

ফলে এখন থেকে দাপ্তরিকভাবে রাষ্ট্রপতির পদবির আগে ‘মহামান্য’ এবং প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মাননীয়’ কিংবা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহার করা হবে না।