বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

ছাত্রলীগের প্রচার-প্রসার এখন আইনত নিষিদ্ধ : মাহফুজ আলম

ছাত্রলীগের প্রচার-প্রসারে আইনগত ব্যারিয়ার রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম। বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে রাজধানীতে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেন তিনি। মাহফুজ আলম বলেন, ছাত্রলীগ এখন আইনত নিষিদ্ধ একটি সংগঠন। ছাত্রলীগের প্রচার-প্রসার এসব বিষয়ে আইনগত ব্যারিয়ার রয়েছে। যারা সংবাদ মাধ্যমে এতদিন কাজ করছেন তারা বিষয়টি জানবেন। এই […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ অক্টোবর ২০২৪, ২২:২৭

ছাত্রলীগের প্রচার-প্রসারে আইনগত ব্যারিয়ার রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম।
বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে রাজধানীতে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
মাহফুজ আলম বলেন, ছাত্রলীগ এখন আইনত নিষিদ্ধ একটি সংগঠন। ছাত্রলীগের প্রচার-প্রসার এসব বিষয়ে আইনগত ব্যারিয়ার রয়েছে। যারা সংবাদ মাধ্যমে এতদিন কাজ করছেন তারা বিষয়টি জানবেন। এই দিকটা খেয়াল রাখবেন যাতে সন্ত্রাসী সংগঠনের প্রচারে আপনারা ভূমিকা না রাখেন।
তিনি আরও বলেন, আপনাদের মাধ্যমে আমরা দেশবাসীকে জানাতে চাই দু-একটা সংবাদ মাধ্যমে হামলার বিষয়ে অ্যাপ্রিহেনশন (আশঙ্কা) রয়েছে। আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে শুনেছি, উনারা একটা বিবৃতিও ইস্যু করেছে।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আরও বলেন, আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলে দিতে চাই, সংবাদ মাধ্যমের ওপর কোনরকম আঘাত বা ফ্রিডম অব প্রেসের ওপর কোন ধরনের আঘাত এই সরকার বরদাশত করবে না। যেকোনো কোয়ার্টার থেকে এরকম আঘাত আসার সম্ভাবনা থাকে, তাহলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।

রাজনীতি

এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের জরুরি বৈঠক, বিকেলে সংবাদ সম্মেলন

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদের জরুরি বৈঠক আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে। দলের মিডিয়া সেল থেকে এ তথ্য জানানো হয়। সোমবার সকাল ১০টায় বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ রাজনৈতিক পর্ষদের শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন। […]

এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের জরুরি বৈঠক, বিকেলে সংবাদ সম্মেলন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৭

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রাজনৈতিক পর্ষদের জরুরি বৈঠক আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে।

দলের মিডিয়া সেল থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

সোমবার সকাল ১০টায় বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ রাজনৈতিক পর্ষদের শীর্ষ নেতারা অংশ নেবেন।

বৈঠক শেষে বিকেল সাড়ে ৩টায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করবে দলটি। এতে সংবিধান সংশোধনী কমিটি, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক জাতিসংঘ সফর, বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনসহ বিভিন্ন বিষয়ে দলের প্রতিক্রিয়া তুলে ধরা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছে এনসিপি।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫৬০

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়া

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে সালমান মুক্তাদির বললেন, ‘আপনি পুরোপুরি ডিটাচড’

স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদির। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার দায়িত্ব থেকে ‘ডিটাচড’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগ্রিনি প্রপার্টিজে ব্যাপক হামলা ও লুটপাটের ঘটনা […]

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের জবাবে সালমান মুক্তাদির বললেন, ‘আপনি পুরোপুরি ডিটাচড’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:৫৪

স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদির। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার দায়িত্ব থেকে ‘ডিটাচড’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগ্রিনি প্রপার্টিজে ব্যাপক হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ সময় সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর করা হয়। ওই সময় চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় এই হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।

এ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘তিনি বলছেন, তার কাছে কেউ চাঁদা চায়নি। চাইলে নাকি দিতেন। আবার বলছেন যে বিএনপি চাঁদাবাজদের দল। এই ঢালাও অভিযোগের কোনো মানে নেই। যদি তিনি কোনো মামলা করেন, স্পেসিফিক সেটা তদন্ত হবে।’

এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ভিডিও বার্তা দেন সালমান মুক্তাদির। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘সালাহউদ্দিন আহমেদ অ্যান্ড তারেক রহমান মে বি বুঝে নাই, কী হইছে কালকে’।

ভিডিও বার্তায় সালমান মুক্তাদির বলেন, ‘মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, একটা ভিডিও দেখলাম সেখানে তিনি আমার স্টোরি নিয়ে কথা বলছেন এবং আই এম ভেরি থ্যাংকফুল যে উনি আমাকে বলেছেন আমি একজন ভদ্রলোক, যদিও পুরা বাংলাদেশ আমাকে অভদ্র হিসেবে চেনে। উনার একটা কথা আমি কনফিডেন্স পাইলাম, তিনি ফ্রিডম অব স্পিচ নিয়ে কথা বলছেন অ্যান্ড সেই কনফিডেন্স থেকে আমি উনাকে রেসপন্ডটা করতে পারছি, সো থ্যাংক ইউ সো মাচ আমাকে অপরচুনিটিটা দেওয়ার জন্য।’

তিনি বলেন, ‘মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আমি একটা জিনিস খুব ক্লিয়ারভাবে আপনার কাছে প্রেজেন্ট করতে চাই, আই ডোন্ট নো আপনি এটা কানেক্ট করতে পারবেন নাকি। পুরা বাংলাদেশের প্রত্যেকটা নাগরিকের সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি কিন্তু আপনার হাতে, ইনফ্যাক্ট যেকোনো পলিটিক্যাল পার্টির আন্ডারেও যদি কোনো নাগরিক থেকে থাকে, তাদের সিকিউরিটির দায়িত্বও কিন্তু আপনার হাতে। বিকজ ইউ হ্যাভ টু বি বিয়ন্ড এভরি সিঙ্গেল বায়াসড ডিসিশনস। দ্যাটস হাউ বিগ অব এ রেসপন্সিবিলিটি ইউ হ্যাভ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আপনার এত বড় রেসপন্সিবিলিটি থেকে আপনি যখন স্টেটমেন্টে এসে আমাকে বললেন যে মামলা দায়ের কেন করা হয় নাই, সালমান মুক্তাদির তো মামলা দায়ের করেন নাই—এই জিনিসটা কেন হাস্যকর এবং আপনাদের পুরা ডিপার্টমেন্ট, আপনাদের পুরা সরকারকে কি জন্য এখানে এত ছোট করে ফেললেন আপনি, আপনাকে একটু বুঝাতে চাই।

আপনি বলেছেন, মামলা দায়ের করা হয়নি। আপনি খেয়াল করছেন, আপনি যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আপনার আন্ডারে প্রত্যেকটা থানা, প্রত্যেকটা অথরিটি, প্রত্যেকটা এডমিন আপনার এক কল, এক বাটনের আন্ডারে। আপনি জানেনও না যে মামলা দায়ের করা হয়েছে, আপনার কাছে এই আপডেটটা নাই। আপনি কতটুকু ডিটাচড আপনার দেশের নাগরিকদের সাথে, আপনার যে সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি প্রোটোকল সেটার সাথে, আপনি পুরোপুরি ডিটাচড, আপনি জানেন না মামলা দায়ের করা হয়েছে।’

তিনি প্রশ্ন করেন, ‘আপনি আমাকে প্রশ্ন করছেন মামলা কেন দায়ের করা হয়নি। আমি কি আপনাকে একটা প্রশ্ন করতে পারি? কারণ এই জিনিসটা আপনার আন্ডারে পড়ে। আমি যে গতকালকে চারটা পর্যন্ত এতগুলো মানুষ নিয়ে আপনার থানাতে বসেছিলাম, ক্যান্টনমেন্ট থানা থেকেই ভোর চারটা পর্যন্ত আমি টায়ার্ড হয়ে বাসায় ফেরত আসলাম, যেখানে আমার মাথা ঠিক থাকার কথা না, তখনও এসে আজকে দুপুর পর্যন্ত মামলা করা হয়নি আনটিল থিংস গট ভাইরাল অ্যান্ড আপনার স্টেটমেন্ট আসে। এর আগ পর্যন্ত মামলা আসলেও কেন দায়ের করা হয়নি, এই প্রশ্নটা আমার আপনার কাছে থাকার কথা, দেশবাসীকেও আপনারই আন্সার করতে হবে। কেন সালাউদ্দিন আহমেদের আন্ডারে মামলা দায়ের করা হয়নি, কারণ আমি তো রাতের বেলা গিয়ে সঙ্গে সঙ্গে দায়ের করে ফেলছি।’

সালমান মুক্তাদির বলেন, ‘আমি বিএনপির কথা কেন বললাম, চাঁদাবাজির কথা কেন বললাম। আপনি মুচকি যেরকম হাসি দেন, এই মুচকি হাসি এখন আমারও দিতে ইচ্ছে করতেছে। দেখেন, আমারও হাসি আসে, আপনারও হাসি আসে, আমরা একরকম হেল্পলেস। আপনিও কিছু করতে পারতেছেন না, আমিও কিন্তু কিছু করতে না পেরে মুচকি হাসতেছি কিন্তু। আপনিও হেসে হেসে উড়াইয়া দিচ্ছেন, আমিও হেসে হেসে উড়াইয়া দিচ্ছি। এটাই দেশ, এটাই বাংলাদেশ, আপনিও নাগরিক, আমিও নাগরিক, আমরা উভয়েই কিন্তু একেবারে হেল্পলেস সিচুয়েশনে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেখেন, এই দেশের ক্ষমতাধীন সরকার এখন কে? বিএনপি। সেই সরকারের সাথে এখন যিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, যার পুরো সিকিউরিটি এনশিওর করার কথা, যে বারবার বলছে যে ইলেকশনের পরে সবকিছু নরমাল হয়ে যাবে, এই দায়িত্ব কার নেওয়ার কথা? আপনার।

সো বিএনপির আন্ডারে, এই সরকারের আন্ডারে, আপনার—সালাহউদ্দিন আহমেদ, যখন আপনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী—আপনার আন্ডারে যখন এই ধরনের কিছু হয়, আপনি ধরতে পারছেন যে কালপ্রিট পালিয়েও যেতে পারে নাই, তিনজনকে ধরা হয়ে গেছে, তাদের বন্দুক যেখান থেকে ফায়ার করা হয়েছে সেটার আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে, তাদের চাপাতি, কোদাল সব সংগ্রহ করা হয়েছে, তাদের ফোনের ভিডিও আমি দেখলাম, তাদের চেহারা আমি দেখলাম, তারা স্বীকার করতেছে মানুষের কাছ থেকে মাইর-টাইর খাওয়ার পর, মানুষের মুখে শুনতেছি তারা বিএনপির নাম নিয়ে নিয়েছে।

সবকিছুর পর আমি বলতেও পারব না যে বিএনপি সরকারের আমলে ওরা স্বীকার করতেছে, মানুষের থেকে শুনতেছি মারামারি হচ্ছে, আমার স্যানিটি বজায় রাখতে হবে, কম্পোজার বজায় রাখতে হবে, এর ওপর আমার স্পিচ ঠিক রাখতে হবে, আমি বিএনপিকে কোনো কথা বলতে পারব না, আঙুল তুলতে পারব না! আমি খুবই কনফিউজড, আপনি কি বিএনপির পিআর ম্যানেজমেন্ট ক্রাইসিসের দায়িত্ব নিয়েছেন নাকি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়েছেন, এখানে আমি খুবই কনফিউজড।

বিকজ দ্য প্রবলেম ওয়াজ দ্য সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি, রিগার্ডলেস এখানে কি ভূমি দখল ছিল, চাঁদাবাজি ছিল, বিএনপির লোক ছিল, আওয়ামী লীগের লোক ছিল, ওই দখল যে করছে তার লোক ছিল, যাকে দখল করা হচ্ছে তার লোক ছিল—আই এম নট সাপোজড টু টেক কেয়ার অব দিস, নো বডি ইজ সাপোজড টু টেক কেয়ার অব দিস।’

তিনি বলেন, ‘মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আপনি ভুলে যাচ্ছেন যে বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষের প্রশ্ন এইটা না কে কি করছে, আমরা এখানে ইনভেস্টিগেশনের জন্য আপনার কাছে আসি নাই, আমরা আসছি অ্যাকশনের জন্য। আপনি নিজে বললেন যে আমি ফালতুভাবে কথা বলছি, আপনি তো তা নিজেও বলে দিলেন যে কোনো একটা সামরিক বাহিনীর লোক এখানে ইনভলভড।

ওকে, আপনার তো তাহলে ইনভেস্টিগেশন হয়েই গেছে, তারপর আপনি কি করলেন? আপনি এসে প্রেস ব্রিফিংয়ে কোনো অ্যান্সার দিলেন না, কোনো অ্যাকশন নিলেন না, কোনো এমন কাজ করলেন না যেখানে বাংলাদেশের মানুষ সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটিকে এনশিওর করতে পারে।

বরঞ্চ আপনি বলে দিলেন সালমান মুক্তাদির যেটা বলেছেন ভদ্রলোক, হ্যান বলেছেন, ত্যান বলেছেন, ফালতুভাবে চাঁদাবাজি দেখেছে… কি ডাকাত—আমার কী করার কথা, আমার কি থ্যাংক ইউ বলার কথা? আপনাকে তো থ্যাংক ইউ বলছি, আপনাকে তো বললাম আপনি এটা নিয়ে টেনশন কইরেন না, আপনি তাও টেনশন করলেন, আমি আপনাকে এটার বাহিরেই রাখছিলাম, আপনি নিজে এসে ঢুকলেন, ঢুকে নিজেকে নিজে ছোট করলেন।’

সালমান মুক্তাদির আরও বলেন, ‘আমি আবারও বলতেছি আপনাদের এগেইনস্টে আমার কিছু নাই, কিন্তু সত্য কথাই সত্য কথা। আপনি আমাকে কোনো প্রশ্ন করতেন না, আমি উত্তর দিতাম না, আমি কিন্তু চুপ ছিলাম, আমি বলছি আপনাদের থেকে আমার কিচ্ছু দরকার নেই, আমি কিছু এক্সপেক্টই করি না, তারপরও আপনারা আসছেন প্রেস ব্রিফিং দিতে। প্রশ্নটা হচ্ছে, যেখানে এই ঘটনাটা ঘটছে, বিলিভ করেন আপনাকে আমি জানি না আপনি বুঝতেছেন নাকি আপনাদের জন্য জিনিসটা কত এমব্যারাসিং।

১৭ আসন, তারেক রহমানের আসন। উনার আসনে এই ঘটনা ঘটলো! উনার আসনে বাংলাদেশের ওয়ান অব দ্য মোস্ট প্রমিনেন্ট কন্টেন্ট ক্রিয়েটর যার এত ফলোয়ার্স, এত মানুষের কথা, সে বাংলাদেশে এক রাতে এত বড়ভাবে প্রচার হইলো, সেটা তারেক রহমানের আন্ডারে।

অ্যান্ড আপনি এরকম একটা কেসকে এত সিম্পলিফাইড করে বলেন, একটু টুকটাক ভাঙচুর, টুকটাক ভাং— আপনি কি বুঝেন, আপনার মধ্যে কি কোনো এম্প্যাথি আছে, আপনি কি বুঝতেছেন কি ভাঙচুর হইছে, কোথায় হইছে? আপনার কি আইডিয়া আছে বাংলাদেশের আর্টস, কালচারের অবস্থা কী,

এখানকার ফ্রিডমের অবস্থা কী? আপনি কি কোনো জায়গাতে কোনোভাবে কানেক্ট করতে পারেন? আপনাকে এর থেকে বড় বড় ইনসিডেন্টে দেখছি আপনারা তাড়াহুড়া করতেছেন, চলে যেতে হবে আপনার। ডু ইউ এভার ফিল কানেক্টেড টু এনি পার্সন, এনি ডেথ, এনি লস, ডু ইউ ফিল এনিথিং?’

তিনি শেষে বলেন, ‘আপনার এগেইনস্টে কিন্তু আমার কিচ্ছু নাই, আমাকে প্রশ্ন করছেন আমাকে উত্তর দিতে হইছে, এখন আপনাকে আমি প্রশ্ন করলাম। এনি কোশ্চেন দ্যাট ইউ ক্যান আনসার উইথ অ্যান অ্যাকশন, কিছু একটা করে দেখান, আপনাদের থেকে আমি কিচ্ছু চাই না, আমি টাকা-পয়সা চাই না, আমার স্টুডিও বানিয়ে দিতে হবে না, আমি সালমান মুক্তাদির যথেষ্ট স্ট্রং, আমি কারো থেকে ভিক্ষা চাব না।

আমার এতগুলো মানুষ ফোন দিছে এত পলিটিক্যাল পার্টিস থেকে, আমি চাইলে ওদের সাথে গিয়ে এখন বসতে পারতাম, আমি যাচ্ছি না বিকজ আমি বাংলাদেশের মানুষের ভরসা ভাঙতে চাই না, আমি এখানে পলিটিক্যাল একটা ইস্যু হতে চাই না। বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে, বিভিন্ন নিউজ চ্যানেল একেকটা নিউজ চ্যানেল একেক পলিটিক্যাল পার্টির আন্ডারে, তারা তাদের মত নিউজ ছড়াচ্ছে, আমি কি চাইলে ওগুলোতে যেতে পারতাম না, ক্লিয়ার করতে পারতাম না? অলরেডি সেখানে অনেক পলিটিক্যাল পার্টিস এক্টিভিস্টরা আসতেছে, তারা তাদের মত ইন্টারভিউ দিচ্ছে, কেন দিচ্ছে? সবাই তাদের নিজ নিজ স্বার্থ উদ্ধার করতে আসছে।’