শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য খবর

গুপ্ত রাজনীতি বন্ধের দাবিতে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘দেয়াল লিখন’ কর্মসূচি

আবু তাহের,ক্যাম্পাস সংবাদদাতা, জাককানইবি গুপ্ত রাজনীতি বন্ধের দাবিতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘দেয়াল লিখন’ কর্মসূচি পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল ও ছাত্র ইউনিয়ন। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন টিএসসি ভবনের দেয়ালে লেখা হয় ‘সব দেয়ালে লিখে দে, গুপ্ত দেখলে থুথু দে’। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও আবাসিক হলের দেয়াল ছেয়ে গেছে ‘একটা একটা […]

গুপ্ত রাজনীতি বন্ধের দাবিতে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘দেয়াল লিখন’ কর্মসূচি

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪৭

আবু তাহের,ক্যাম্পাস সংবাদদাতা, জাককানইবি

গুপ্ত রাজনীতি বন্ধের দাবিতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘দেয়াল লিখন’ কর্মসূচি পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল ও ছাত্র ইউনিয়ন।

বুধবার (২২ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন টিএসসি ভবনের দেয়ালে লেখা হয় ‘সব দেয়ালে লিখে দে, গুপ্ত দেখলে থুথু দে’। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও আবাসিক হলের দেয়াল ছেয়ে গেছে ‘একটা একটা গুপ্ত ধর, ধইরা ধইরা প্যাকেট কর’, ‘গুপ্ত কট’, ‘গুপ্ত সন্ত্রাস’ সহ বিভিন্ন স্লোগানে। এছাড়াও ডাস্টবিনগুলোতে লেখা হয়েছে ‘আমি গুপ্ত’, ‘গুপ্তদের এখানে রাখুন’।

ছাত্রদল নেতাদের মতে, ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আড়ালে থেকে কোনো বিশেষ রাজনৈতিক এজেন্ডা বা ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড রুখতেই তাদের এই উদ্যোগ। শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, সারা বাংলাদেশে চলমান এই পরিস্থিতিতে গুপ্ত শিবিরেরা ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সংগঠনের মধ্যে গুপ্ত হয়ে আছে।

আমরা চাই বাংলাদেশে এই গুপ্ত বাহিনী নিপাত যাক এবং সাধারণভাবে মানুষের সাথে মিশে প্রয়োজনে রাজনীতি করুক। এই ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে এমন কাউকে পাওয়া গেলে, শক্ত হাতে দমন করবে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।

আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মামুন সরকার জানান, ৫ আগস্টের পর একটা পক্ষের দাবি ছিলো রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাস চাই। অথচ সাধারণ শিক্ষার্থী নাম ব্যবহার করে তারাই বিশ্ববিদ্যালয়ের তাদের গুপ্ত রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি করতে হলে ওপেনে করুক। ইতিবাচক হলেও গোপনে কোনো রাজনীতি হয় না। আমরা আজকে থেকে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়কে গুপ্ত রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাস ঘোষণা করছি। গুপ্তদের ঠিকানা নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হবে না।

ছাত্র ইউনিয়নের সদস্য ঐশ্বর্য সরকার বলেন, আমরা আদর্শবাদী রাজনীতির ধারাকে পুনরুদ্ধারের জন্য দেয়াল লিখন করেছি। এই বাংলাদেশে কখনো গুপ্ত রাজনীতি এবং রাজনীতির নামে অপরাজনীতি চলতে দেয়া যাবে না। আমরা দেয়ালে লিখেছি ‘দড়ি ধরে মারো টান, গুপ্ত যাবে পাকিস্তান’।

নজরুলের এই বিদ্রোহী ক্যাম্পাস থেকে আমরা সকল ধরনের গুপ্ত রাজনীতি অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলাম। আমরা বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দিতে চাই, সাধারণ শিক্ষার্থীর নাম ব্যবহার করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম এবং অপতৎপরতা আর চলতে দেয়া যাবে না। এই ধরনের গুপ্ত রাজনীতির বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমরা তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলবো।

অন্যান্য খবর

জীবনের প্রথম সিনেমায় মাত্র ৫ হাজার টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন অভিনেত্রী রিনা খান

আনোয়ার আরমান : বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় ও পরিচিত মুখ রিনা খান। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে খলচরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে পেয়েছেন ব্যাপক পরিচিতি। সম্প্রতি দৈনিক সকালের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে নিজের অভিনয়জীবনের নানা স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন রিনা খান। অভিনেত্রী রিনা খান […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৭:৪৫

আনোয়ার আরমান :

বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় ও পরিচিত মুখ রিনা খান। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে খলচরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রপ্রেমীদের কাছে পেয়েছেন ব্যাপক পরিচিতি।

সম্প্রতি দৈনিক সকালের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে নিজের অভিনয়জীবনের নানা স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন রিনা খান।

অভিনেত্রী রিনা খান জানান, ১৯৮২ সালে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা সুভাষ দত্ত পরিচালিত ‘সোহাগ মিলন’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় তার যাত্রা শুরু হয়। জীবনের প্রথম চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন মাত্র পাঁচ হাজার টাকা। সেই পাঁচ হাজার টাকা দিয়েই শুরু হয়েছিল তার দীর্ঘ অভিনয় জীবনের পথচলা।

রিনা খানের দাবি, এখন পর্যন্ত তিনি ৮০০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। দীর্ঘ এই পথচলায় নানা ধরনের চরিত্রে অভিনয় করলেও খলচরিত্রেই দর্শকদের কাছে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তিনি।

পর্দায় ভয়ংকর ও কঠোর চরিত্রে দেখা গেলেও বাস্তব জীবনে রিনা খান অত্যন্ত সহজ-সরল ও আন্তরিক স্বভাবের একজন মানুষ।

বর্তমানে সিনেমাতে কম কাজ থাকলেও থেমে নেই তার পথচলা। নিয়মিত নাটক ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করে ব্যস্ত সময় পার করছেন এই গুণী অভিনেত্রী।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও […]

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৪১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও ‘গরিব’ বলে মন্তব্য করার অভিযোগের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। একই সঙ্গে এসব আচরণের সমর্থকদের বিরুদ্ধেও প্রতীকী প্রতিবাদ জানান তাঁরা।

কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘Red Card to Racist, Classist and Hypocrite’ এবং ‘Red Card to Those Who Support Discrimination, Humiliation and Bullying’। শিক্ষার্থীরা জানান, বৈষম্য, অপমান ও হয়রানির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি এসব আচরণকে সমর্থনকারীদেরও তাঁরা প্রত্যাখ্যান করছেন।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নায়েম বলেন, তাসনিম সিরাজ মাহবুব ম্যাম ইংরেজি বিভাগের একজন শিক্ষার্থী নেকাব করায় তাকে Fundamentalist এবং সন্ত্রাসী বলে অবিহিত করেন। এছাড়াও, তিনি একই ক্লাসে ছেলেদের ৬ জন এক বেঞ্চে বসায় ‘গে’ এবং ‘গরিব’ বলে অবিহিত করেন। পরবর্তীতে তিনি তার ফেইসবুক লাইভে এগুলোর কোন কিছু এড্রেস না করে এক পাক্ষিক এআই নির্ভর বিবৃতি দেন৷

তিনি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি সামিনা লুৎফা, শিক্ষক নেটওয়ার্ক এবং তার অন্যান্য অনুসারী তাকে নির্লজ্জভাবে ডিফেন্ড করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের মূল অপরাধী হিসেবে প্রোট্রে করার চেষ্টা করছেন। আজকের প্রতিকী প্রতিবাদ তাদের সকলের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তাজিন আজিজ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না,আমি এই মূহুর্তে অফিসে নাই। তবে শিক্ষার্থীরা যদি এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকে, তবে তা দেখে বিষয়টি সম্পর্কে জানা সম্ভব হবে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষে নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। পরে ৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁকে সাময়িকভাবে সব ধরনের ক্লাস কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়।