সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

খেলা

বিপিএলের সাত দলের পূর্ণ স্কোয়াড

দেশের একমাত্র ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১১তম আসর মাঠে গড়াবে ৩০ ডিসেম্বর। এবারও অংশ নেবে সাতটি দল। উদ্বোধনী ম্যাচে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ফরচুন বরিশাল মোকাবিলা করবে দুর্বার রাজশাহীকে। একই ভেন্যুতে প্রতিযোগিতার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি। ঢাকার পাশাপাশি খেলা হবে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম ও সিলেট […]

নিউজ ডেস্ক

৩০ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৩:২০

দেশের একমাত্র ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১১তম আসর মাঠে গড়াবে ৩০ ডিসেম্বর। এবারও অংশ নেবে সাতটি দল। উদ্বোধনী ম্যাচে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ফরচুন বরিশাল মোকাবিলা করবে দুর্বার রাজশাহীকে। একই ভেন্যুতে প্রতিযোগিতার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি।

ঢাকার পাশাপাশি খেলা হবে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম ও সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে। বরিশাল ও রাজশাহীর সঙ্গে অংশগ্রহণকারী বাকি ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো হলো ঢাকা ক্যাপিটালস, চিটাগং কিংস, খুলনা টাইগার্স, রংপুর রাইডার্স ও সিলেট স্ট্রাইকার্স। তাদের হালনাগাদকৃত স্কোয়াড তুলে ধরা হলো-

স্থানীয় খেলোয়াড়: মোস্তাফিজুর রহমান, লিটন দাস, তানজিদ হাসান তামিম, মুনিম শাহরিয়ার, সাব্বির রহমান, শাহাদাত হোসেন দিপু, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ, নাজমুল ইসলাম অপু, আবু জায়েদ রাহী, রহমতুল্লাহ আলী, মেহেদী হাসান রানা, আসিফ হাসান, আলাউদ্দিন বাবু ও হাবিবুর রহমান সোহান।

বিদেশি খেলোয়াড়: থিসারা পেরেরা (অধিনায়ক, শ্রীলঙ্কা), জনসন চার্লস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), স্টিফেন এসকিনাজি (ইংল্যান্ড), চতুরঙ্গা ডি সিলভা (শ্রীলঙ্কা), জহুর খান (সংযুক্ত আরব আমিরাত), শাহনেওয়াজ দাহানি (পাকিস্তান), রিয়াজ হাসান (আফগানিস্তান), আমির হামজা (আফগানিস্তান), ফারমানউল্লাহ শাফি (আফগানিস্তান), জ্যাঁ-পিয়েরে কোটজে (নামিবিয়া), শুভম সুভাস রঞ্জনে (যুক্তরাষ্ট্র) ও জেসন রয় (ইংল্যান্ড)।
সিলেট স্ট্রাইকার্স:

স্থানীয় খেলোয়াড়: আরিফুল হক (অধিনায়ক), মাশরাফি বিন মর্তুজা, জাকির হাসান, তানজিম হাসান সাকিব, জাকের আলী অনিক, রনি তালুকদার, আল-আমিন হোসেন, রুয়েল মিয়া, নিহাদুজ্জামান, নাহিদুল ইসলাম, মেহেদী হাসান সোহাগ, টিপু সুলতান ও জাওয়াদ আবরার।

বিদেশি খেলোয়াড়: পল স্টার্লিং (আয়ারল্যান্ড), জর্জ মানজি (স্কটল্যান্ড), রাকিম কর্নওয়াল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), সামিউল্লাহ শিনওয়ারি (আফগানিস্তান), রিস টপলি (ইংল্যান্ড), অ্যারন জোন্স (যুক্তরাষ্ট্র) ও জন-রাস জাগেসার (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)।

রংপুর রাইডার্স:

স্থানীয় খেলোয়াড়: নুরুল হাসান সোহান (অধিনায়ক), শেখ মেহেদী হাসান, সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, রাকিবুল হাসান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, কামরুল ইসলাম রাব্বি, রেজাউর রহমান রাজা, নাহিদ রানা, ইরফান শুক্কুর, তৌফিক খান তুষার ও আজিজুল হাকিম তামিম।

বিদেশি খেলোয়াড়: অ্যালেক্স হেলস (ইংল্যান্ড), ইফতিখার আহমেদ (পাকিস্তান), সেদিকউল্লাহ অটল (আফগানিস্তান), খুশদিল শাহ (পাকিস্তান), কার্টিস ক্যাম্পার (আয়ারল্যান্ড), স্টিভেন টেইলর (যুক্তরাষ্ট্র) ও আকিফ জাভেদ (পাকিস্তান)।

দুর্বার রজশাহী:

স্থানীয় খেলোয়াড়: এনামুল হক বিজয় (অধিনায়ক), তাসকিন আহমেদ (সহ-অধিনায়ক), জিশান আলম, আকবর আলী, ইয়াসির আলী চৌধুরী, সাব্বির হোসেন, হাসান মুরাদ, শফিউল ইসলাম, মোহর শেখ অন্তর, এসএম মেহেরব হাসান, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী ও মিজানুর রহমান।

বিদেশি খেলোয়াড়: মোহাম্মদ হারিস (পাকিস্তান), আরাফাত মিনহাজ (পাকিস্তান), রায়ান বার্ল (জিম্বাবুয়ে), সাদ নাসিম (পাকিস্তান), লাহিরু সামারাকুন (শ্রীলঙ্কা) ও সালমান মির্জা (পাকিস্তান)।

ফরচুন বরিশাল:

স্থানীয় খেলোয়াড়: তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয়, রিপন মণ্ডল, ইবাদত হোসেন, নাঈম হাসান, তানভির ইসলাম, রিশাদ হোসেন, তাইজুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, আরিফুল ইসলাম, প্রিতম কুমার ও ইকবাল হাসান ইমন।

বিদেশি খেলোয়াড়: ডাভিড মালান (ইংল্যান্ড), মোহাম্মদ নবি (আফগানিস্তান), কাইল মেয়ার্স (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), ফাহিম আশরাফ (পাকিস্তান), জাহান্দাদ খান (পাকিস্তান), মোহাম্মদ আলী (পাকিস্তান), জেমস ফুলার (ইংল্যান্ড), পাথুম নিসাঙ্কা (শ্রীলঙ্কা), মোহাম্মদ ইমরান (পাকিস্তান) ও শাহিন শাহ আফ্রিদি (পাকিস্তান)।

খুলনা টাইগার্স:

স্থানীয় খেলোয়াড়: মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), আফিফ হোসেন, নাসুম আহমেদ, হাসান মাহমুদ, নাঈম শেখ, ইমরুল কায়েস, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, আবু হায়দার রনি, জিয়াউর রহমান, মাহফুজুর রহমান রাব্বি, মাহমুদুল হাসান জয় ও রুবেল হোসেন।

বিদেশি খেলোয়াড়: ওশান থমাস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), লুইস গ্রেগরি (ইংল্যান্ড), মোহাম্মদ হাসনাইন (পাকিস্তান), মোহাম্মদ নাওয়াজ (পাকিস্তান), ইব্রাহিম জাদরান (আফগানিস্তান), দারভিশ রাসুলি (আফগানিস্তান ও সালমান ইরশাদ (পাকিস্তান)।

চিটাগং কিংস:

স্থানীয় খেলোয়াড়: মোহাম্মদ মিঠুন (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান, শামিম হোসেন পাটোয়ারী, পারভেজ হোসেন ইমন, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, আলিস আল ইসলাম, নাঈম ইসলাম, মারুফ মৃধা, রাহাতুল ফেরদৌস জাভেদ, শেখ পারভেজ জীবন, মার্শাল আইয়ুব, নাবিল সামাদ, আরাফাত সানি ও ইরফান হোসেন।

বিদেশি খেলোয়াড়: মঈন আলী (ইংল্যান্ড), উসমান খান (পাকিস্তান), হায়দার আলী (পাকিস্তান), অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস (শ্রীলঙ্কা), মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র (পাকিস্তান), বিনুরা ফার্নান্দো (শ্রীলঙ্কা), গ্রাহাম ক্লার্ক (ইংল্যান্ড), থমাস ও’কনেল (অস্ট্রেলিয়া), খাওয়াজা নাফে (পাকিস্তান), লাহিরু মিলান্থা (যুক্তরাষ্ট্র), জুবাইরউল্লাহ আকবারি (আফগানিস্তান), হুসাইন তালাত (পাকিস্তান) ও আলী রাজা (পাকিস্তান)।

খেলা

“ভাই, ক্রিকেটের অনেক বড় ক্ষতি করে দিলেন”- ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ‘দুই’ হস্তক্ষেপে মুখ খুললেন বুলবুল

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)। মূলত চলতি বছরের জানুয়ারিতে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বিসিসিআই বাদ দিলে দুই দেশেরে সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। এর প্রতিবাদে শেষ পর্যন্ত আর বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি বাংলাদেশ দল। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনর্গঠনের লক্ষ্যে সম্প্রতি বিসিসিআইকে এক চিঠি দেয় বিসিবি। […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২১:০৮

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)। মূলত চলতি বছরের জানুয়ারিতে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বিসিসিআই বাদ দিলে দুই দেশেরে সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। এর প্রতিবাদে শেষ পর্যন্ত আর বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি বাংলাদেশ দল।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনর্গঠনের লক্ষ্যে সম্প্রতি বিসিসিআইকে এক চিঠি দেয় বিসিবি। ধারণা করা হয়েছিল দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের সম্পর্ক উন্নয়নে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে এবার জানা গেলো বিসিবির পক্ষ থেকে চিঠিটি পাঠিয়েছেন বর্তমান সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

দেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সদ্য সাবেক বিসিবি প্রধান আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘তাকে (যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হককে) একটা কথা বলবো, আপনি ভাই ক্রিকেটের অনেক বড় ক্ষতি করে দিলেন।

ওনার দুটি হস্তক্ষেপের কথা বলতে পারি, প্রথম দিনই উনি সরাসরি প্রধান নির্বাহীকে ফোন করলেন সাংবাদিকদের ভেতরে ঢুকতে দিতে। আরেকটা হলো, কয়েক দিন আগে দেখেছেন বিসিবি একটা চিঠি দিয়েছে বিসিসিআইকে। এটা উনি সিইওর সঙ্গে বসে করেছেন, আমি শুধু কপিতে ছিলাম।

এই যে সিস্টেমটাকে নষ্ট করে ফেলছে, এর দায় কে নেবে। আমি তো চলে যাবো, হয়তো আর কোনো দিনও আসবো না। কিন্তু আপনারা তো এখানে থাকবেন, আপনাদের এই ক্রিকেটটাকে তো বাঁচাতে হবে।’

সম্প্রতি ভেঙে দেওয়া হয় আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে প্রধান করে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। তবে এখনও নিজেকে বিসিবির বৈধ সভাপতি দাবি করেছেন বুলবুল।

তিনি বলেন, ‘আনুষ্ঠানিকভাবে আমিই এখনো বিসিবি সভাপতি। যারা বোর্ড ভেঙেছে, তারা তা করতে পারে না, এখতিয়ারে নেই।’

খেলা

তামিমের নেতৃত্বাধীন কমিটি ‘অবৈধ’, আইসিসির হস্তক্ষেপ চাইলেন বুলবুল

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) তদন্ত প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন ও আইনসম্মত নয় বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। একই সঙ্গে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত অ্যাডহক কমিটিকে ‘অসাংবিধানিক’ উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দৃষ্টি আকর্ষণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এনএসসি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর এক বিবৃতিতে নিজের […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২১

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) তদন্ত প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন ও আইনসম্মত নয় বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। একই সঙ্গে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত অ্যাডহক কমিটিকে ‘অসাংবিধানিক’ উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দৃষ্টি আকর্ষণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এনএসসি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর এক বিবৃতিতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন বুলবুল। তার দাবি, ৫ এপ্রিল প্রকাশিত তদন্ত প্রতিবেদনটি আইনগতভাবে টেকসই নয় এবং এতে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনকে বৈধ ও স্বচ্ছ বলেই উল্লেখ করেছেন তিনি। বুলবুল জানান, ওই নির্বাচনের জন্য ৬ সেপ্টেম্বর একটি তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়।

এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন। কমিশনের অন্য সদস্য ছিলেন অতিরিক্ত আইজিপি ও সিআইডি প্রধান সিবগাত উল্লাহ এবং এনএসসির নির্বাহী পরিচালক।
নির্বাচনকে ঘিরে ১৫টি ক্লাব ও তামিম ইকবালের কাউন্সিলরশিপ নিয়ে ওঠা আপত্তিগুলোও আগেই নিষ্পত্তি হয়েছে বলে জানান বুলবুল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছরের ২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বর আধা-বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসব বিরোধের সমাধান করা হয়।

এনএসসির এই তদন্তকে এখতিয়ারবহির্ভূত আখ্যা দিয়ে বুলবুল বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নীতিমালা অনুযায়ী বোর্ড পরিচালনায় সরকারি হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে পরিচালিত এই তদন্তকে তিনি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও মন্তব্য করেন।

অ্যাডহক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তকে ‘সাংবিধানিক অভ্যুত্থান’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি স্পষ্ট করেন, এই কমিটির কোনো বৈধতা নেই এবং তারা এটিকে স্বীকৃতি দিচ্ছেন না।

বিবৃতির শেষাংশে বুলবুল সতর্ক করে বলেন, এমন হস্তক্ষেপ অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের ক্রিকেট আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেতিবাচক প্রভাবের মুখে পড়তে পারে। এতে বিনিয়োগকারী ও বৈশ্বিক অংশীদারদের আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি তরুণ ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

হাইকোর্টের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত নিজেকেই বিসিবির একমাত্র বৈধ সভাপতি হিসেবে দাবি করে আইসিসির জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বুলবুল।

‘২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর নিরপেক্ষ তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের বৈধতা কোনো সরকারি সংস্থা পরবর্তীতে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে না। হাইকোর্ট অন্য কোনো রায় না দেওয়া পর্যন্ত আমিই বিসিবির একমাত্র বৈধ সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে আছি।’

ক্রিকেট

‘বলেছে, এক কোটি টাকা দিলে নাম কেস থেকে উঠিয়ে দেবে’

নিজের বিরুদ্ধে করা মামলায় নাম প্রত্যাহারের বিনিময়ে এক কোটি টাকা দাবি করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশের রাজনীতি, মামলা, জাতীয় দলে ফেরা এবং নিজের বর্তমান জীবন নিয়ে খোলামেলা আলোচনায় তিনি এমন দাবি করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ […]

‘বলেছে, এক কোটি টাকা দিলে নাম কেস থেকে উঠিয়ে দেবে’

‘বলেছে, এক কোটি টাকা দিলে নাম কেস থেকে উঠিয়ে দেবে’

নিউজ ডেস্ক

১৪ মে ২০২৬, ০৯:৫৯

নিজের বিরুদ্ধে করা মামলায় নাম প্রত্যাহারের বিনিময়ে এক কোটি টাকা দাবি করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশের রাজনীতি, মামলা, জাতীয় দলে ফেরা এবং নিজের বর্তমান জীবন নিয়ে খোলামেলা আলোচনায় তিনি এমন দাবি করেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দলটির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে জুলাই অভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে সারা দেশে মামলা হয়েছে। বাদ নেই ক্রিকেটার ও দলটির সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানও।

তবে সাকিবের দাবি একটি মহল থেকে অর্থের বিনিময়ে মামলা থেকে রেহাই দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।



এ বিষয়ে সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, একটি পক্ষ তার কাছে প্রস্তাব দিয়েছিল— নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দিলে মামলার তালিকা থেকে তার নাম সরিয়ে দেওয়া হবে। তবে তিনি মনে করেন, যারা এই প্রস্তাব দিয়েছে তারা নিজেরাও জানে না যে মামলা হওয়ার পর শুধু বাদীপক্ষ চাইলে নাম সরিয়ে ফেলা সম্ভব নয়।


সাক্ষাৎকারে এ ক্রিকেটার বলেন, ‘বলেছে, এক কোটি টাকা দিলে আমার নাম কেস থেকে উঠিয়ে দেবে। কিন্তু যারা বলছে, তাদের ধারণা নেই যে কেস হয়ে যাওয়ার পর চাইলেই নাম উঠানো যায় না। শেষ পর্যন্ত পুলিশের তদন্তেই ঠিক হবে আমার সম্পৃক্ততা ছিল কি না।’

কারা এই প্রস্তাব দিয়েছিল— এমন প্রশ্নে সাকিব জানান, এফআইআরে বাদীপক্ষের যোগাযোগের জন্য যার নাম ছিল, তিনি কয়েকজনের মাধ্যমে বিষয়টি পৌঁছে দেন। তবে কার মাধ্যমে যোগাযোগ হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত বলতে চাননি তিনি।

প্রস্তাব পেয়ে কী জবাব দিয়েছিলেন এমন প্রশ্নে সাকিব বলেন, ‘এসব টাকা দিয়ে কেন করতে হবে ভাই? টাকা দেওয়া মানে তো হচ্ছে আমার সমস্যা আছে, আমি চাচ্ছি যে আমাকে এখান থেকে বাঁচিয়ে দেওয়া হোক। হতে পারে তারা ভেবেছে আমার কাছে অনেক বেশি টাকা, চাইলেই হলো।’

দেশে ফেরা নিয়ে নিজের অবস্থানও ব্যাখ্যা করেছেন সাবেক এই অলরাউন্ডার। তার ভাষ্য, দেশে ফিরতে আইনগত কোনো বাধা নেই, তবে তিনি নিরাপত্তা ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন।

সাকিব বলেন, ‘আমি চাই স্বাভাবিক একটা নিরাপত্তা এবং দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাক। এ দুটি বিষয় আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা না ওঠানো পর্যন্ত আমার পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়।’

তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার হওয়ার ভয় তার নেই। তবে অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি বা ব্যক্তিগত আক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। ‘মব হতে পারে, ব্যক্তিগত শত্রুতা থেকেও কিছু হতে পারে। অন্তত এমন একটা জায়গা তো থাকা উচিত, যেখানে বিপদ হলে কেউ দায়িত্ব নেবে,’ বলেন তিনি।

জাতীয় দলে না খেলতে পারার বিষয়েও আক্ষেপ আছে জানিয়ে সাকিব বলেন, তিনি এখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার মতো অবস্থায় আছেন বলে বিশ্বাস করেন। বিশেষ করে ওয়ানডে ক্রিকেটে এখনো অবদান রাখার সুযোগ দেখছেন তিনি।

২০২৭ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নিজের পরিকল্পনার কথাও জানান সাকিব। তিনি বলেন, ‘সুযোগ পেলে আবার নিজেকে প্রস্তুত করতে চাই। এক-দুটি সিরিজ খেললে তখন বোঝা যাবে আমি কোথায় আছি, দলও বুঝতে পারবে।’

রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও অনুশোচনা নেই বলে জানান সাবেক এই অধিনায়ক। তার ভাষায়, ‘আজকে যেটা ঠিক মনে হয় না, পাঁচ বা দশ বছর পরে হয়তো সেটাই ঠিক মনে হবে। মানুষ বারবার ভুলে যায় যে, আমি একটি নির্দিষ্ট এলাকা থেকে সংসদ সদস্য হয়েছিলাম। এলাকার মানুষ আমাকে ভোট দিয়েছেন দেখেই আমি জিতেছি। তারা যদি ভোট না দিতেন, আমি জিততাম না। সারা দেশের মানুষ তো আমাকে ভোট দেননি।’

সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়েও নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন সাকিব। তিনি বলেন, দেশের মানুষ রাজনীতিকে খারাপ হিসেবে দেখে, কারণ অনেকেই সেবা করার বদলে সুবিধা নিতে রাজনীতিতে আসেন। তবে রাজনীতির মাধ্যমেই পরিবর্তন সম্ভব বলে বিশ্বাস করেন তিনি।