সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়া

মা হয়তো আর রাজনীতিতে ফিরবেন না : সজীব ওয়াজেদ জয়

সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, মা হয়তো আর সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরবেন না। কারণ, তিনি অবসর নিতে চেয়েছিলেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শ্রীনিবাসন জৈন। গত বুধবার প্রকাশিত ভিডিও কথোপকথনে জয় আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ, নির্বাচনে নিষেধাজ্ঞা এবং দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। আলজাজিরার প্রশ্ন ছিল, ‘বাংলাদেশে […]

মা হয়তো আর রাজনীতিতে ফিরবেন না : সজীব ওয়াজেদ জয়

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২০:৩১

সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, মা হয়তো আর সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরবেন না। কারণ, তিনি অবসর নিতে চেয়েছিলেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শ্রীনিবাসন জৈন। গত বুধবার প্রকাশিত ভিডিও কথোপকথনে জয় আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ, নির্বাচনে নিষেধাজ্ঞা এবং দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।

আলজাজিরার প্রশ্ন ছিল, ‘বাংলাদেশে কি আওয়ামী লীগের কোনো ভবিষ্যৎ আছে?’

জয় বলেন, ‘অবশ্যই আছে। আওয়ামী লীগ কোথাও যাচ্ছে না। এটি সবচেয়ে পুরোনো এবং বড় দল। আমাদের ভোটের হার ৪০-৫০ শতাংশ। আপনি কি মনে করেন, এই ৪০-৫০ শতাংশ মানুষ শুধু শুধু দলটিকে সমর্থন করা বন্ধ করে দেবে? ১৭ কোটি মানুষের দেশে প্রায় ছয়-সাত কোটি ভোটার আওয়ামী লীগের সমর্থক। আপনি কি ভাবছেন, তারা আওয়ামী লীগকে সমর্থন করা বন্ধ করে দেবে?’

শ্রীনিবাসন– ‘আমি এটা জিজ্ঞেস করলাম, কারণ আপনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, আপনার মা রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। তার মানে কি এই, তিনি যদি কখনও বাংলাদেশে ফিরে যেতে পারেনও, তবু তিনি আর রাজনৈতিক অঙ্গনে থাকবেন না?’

জয়– ‘না, তিনি বৃদ্ধ। মা এখন প্রবীণ। এমনিতেও এটিই ছিল তার শেষ মেয়াদ। তিনি অবসর নিতে চেয়েছিলেন।’
– ‘তাহলে কি এটি এক অর্থে হাসিনা যুগের অবসান?’
– ‘সম্ভবত, হ্যাঁ।’
– ‘ঠিক আছে। তার মানে আপনি বলছেন, আওয়ামী লীগ যদি আবারও বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রবেশের সুযোগ পায়, তবে সেটি তাঁকে ছাড়াই হবে।’
– ‘হ্যাঁ। আওয়ামী লীগ একটি রাজনৈতিক দল। এটি ৭০ বছরের পুরোনো দল। তাঁকে ছাড়াই হোক বা তাঁকে সঙ্গে নিয়েই হোক– এই দল টিকে থাকবে। কেউই তো চিরকাল বেঁচে থাকে না।’

মৃত্যুর দায় ও অডিও ক্লিপ বিতর্ক
সজীব ওয়াজেদ দাবি করেছেন, বাংলাদেশে বর্তমানে একটি ‘প্রহসনের নির্বাচন’ চলছে। একই সঙ্গে তিনি ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শত শত মানুষের মৃত্যুর দায় অস্বীকার করে এর জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু সদস্যের ‘অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ’ এবং আন্দোলনকারীদের ভেতর থাকা ‘উগ্রপন্থিদের’ দায়ী করেছেন।

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে প্রাণহানির বিষয়ে জয় বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আন্দোলন মোকাবিলায় ভুল করেছে (মিসহ্যান্ডল)। কিন্তু মা কাউকে হত্যার নির্দেশ দেননি। তিনি যদি হত্যার নির্দেশ দিতেন, তবে আজও তিনি ক্ষমতায় থাকতেন।’

শ্রীনিবাসন জৈন আলজাজিরা ও বিবিসির সংগৃহীত অডিও ক্লিপের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। সেখানে শেখ হাসিনাকে মারণাস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দিতে শোনা গেছে। জয় সেটিকে ‘আউট অব কন্টেক্সট’ বা খণ্ডিত অংশ বলে দাবি করেন।

তাঁর ভাষ্য, শেখ হাসিনা কেবল সম্পদ রক্ষায় এবং জঙ্গিদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের কথা বলেছিলেন। তবে সাংবাদিক যখন জয়ের কাছে সেই পূর্ণাঙ্গ ভিডিওর প্রমাণ চান, জয় তা পরে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

নির্বাচনে নিষেধাজ্ঞা ও গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি
নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের সুযোগ না থাকাকে জয় ‘অবৈধ’ বলে অভিহিত করেন। সাংবাদিক তাঁকে মনে করিয়ে দেন, গত ১৫ বছর আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধেই নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংসের অভিযোগ ছিল। জবাবে জয় বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কখনও কোনো রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করেনি।

জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল হয়েছিল আদালতের সিদ্ধান্তে।’ তিনি আরও দাবি করেন, ২০১৮ বা ২০২৪ সালের নির্বাচনে কারচুপির প্রয়োজন ছিল না। কারণ জরিপ অনুযায়ী আওয়ামী লীগ জনপ্রিয়তায় এগিয়ে ছিল।

দুর্নীতির অভিযোগ ও এফবিআইয়ের তদন্ত
বিদেশে সম্পদ পাচার এবং পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে জয় বলেন, ‘এফবিআই তদন্ত করে আমার কোনো অবৈধ সম্পদ পায়নি।

আমি কেবল এই বাড়িটিরই (ওয়াশিংটন ডিসি) মালিক।’ যুক্তরাজ্যে আওয়ামী লীগের সাবেক এক মন্ত্রীর ৩৬০টি বাড়ির হদিস পাওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে জয় জানান, ওই মন্ত্রী বা অন্যদের ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডের দায় তাঁর পরিবারের নয়।

ভারতের ওপর আস্থা
শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। তাঁকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর চাপ বাড়ছে। এ প্রসঙ্গে জয় বলেন, ‘ভারত আমার মায়ের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ দেশ।

ভারতের বিচার ব্যবস্থা ও আইনের শাসনের ওপর আমাদের পূর্ণ আস্থা আছে। সেখান থেকে তাঁকে ফেরত পাঠানো সম্ভব হবে না। কারণ তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’

সাক্ষাৎকারের শেষে জয় বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে বলেন, গত দেড় বছরে দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। তবে সাংবাদিক শ্রীনিবাসন জৈন পাল্টা যুক্তিতে বলেন, আওয়ামী লীগ কি বর্তমান সংকটের কারণ, নাকি এর সমাধান– তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।

সূত্রঃ আলজাজিরা

সোশ্যাল মিডিয়া

‘ফ্যাসিবাদী শক্তি ফিরলে আপনাকে ফোন দেবে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট, আমাদের জন্য ওসি কুদ্দুসও না’- পার্থকে নিয়ে আজাদের স্ট্যাটাস

ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ট্যাটাস দিয়েছেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আজাদ মজুমদার। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে এ-সংক্রান্ত স্ট্যাটাস দেন তিনি। তার স্ট্যাটাসটি নিচে হুবহু দেওয়া হলো। আন্দালিব রহমান পার্থকে আমার ভালো লাগে তার সুন্দর বাচনভঙ্গির জন্য। প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস যখন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে […]

‘ফ্যাসিবাদী শক্তি ফিরলে আপনাকে ফোন দেবে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট, আমাদের জন্য ওসি কুদ্দুসও না’- পার্থকে নিয়ে আজাদের স্ট্যাটাস

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২১:২৮

ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ট্যাটাস দিয়েছেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আজাদ মজুমদার।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে এ-সংক্রান্ত স্ট্যাটাস দেন তিনি। তার স্ট্যাটাসটি নিচে হুবহু দেওয়া হলো।

আন্দালিব রহমান পার্থকে আমার ভালো লাগে তার সুন্দর বাচনভঙ্গির জন্য। প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস যখন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে বৈঠক করছিলেন, তখন শুরুর দিকে একবার তাকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

সেই বৈঠকে তিনি প্রফেসর ইউনূসকে এমনভাবে কাজ করার অনুরোধ করেছিলেন, যাতে দেশে আর কখনো ফ্যাসিবাদী শক্তি ফিরে আসতে না পারে। তিনি বলেছিলেন, ‘তারা যদি ফিরে আসে, আপনার জন্য তো স্যার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ফোন করবে। কিন্তু আমাদের জন্য ওসি কুদ্দুসও ফোন করবে না।’

তিনি এমনভাবে কথাগুলো বলেছিলেন যে, প্রফেসর ইউনূসসহ উপস্থিত সবাই হো হো করে হেসে উঠেছিলেন। দেশের সংকটময় সময়েও নিজের স্বাভাবিক বাগ্মিতা ধরে রাখা সত্যিই প্রশংসনীয়। তবে আফসোসের বিষয়, পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকে তার দলকে দেখিনি। এমনকি জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনাগুলোতেও তিনি ছিলেন অনুপস্থিত। ফলে তার বাগ্মিতা সরাসরি প্রত্যক্ষ করার সুযোগ বেশি পাইনি।

সোশ্যাল মিডিয়া

এক কলঙ্কময় রাত থেকে রক্ষা পেল ঢাবি : সর্ব মিত্র চাকমা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে এক পথশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টাকালে এক যুবককে হাতেনাতে আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা। ঢাবির সলিমুল্লাহ মুসলিম হলসংলগ্ন ফুটপাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্তকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়। এই ঘটনাকে একটি কলঙ্কময় রাত আখ্যা দিয়ে বুধবার (৪ মার্চ) রাতে একটি পোস্ট দিয়েছেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা। তিনি পোস্টে লেখেন, ‘এক কলঙ্কময় […]

এক কলঙ্কময় রাত থেকে রক্ষা পেল ঢাবি : সর্ব মিত্র চাকমা

এক কলঙ্কময় রাত থেকে রক্ষা পেল ঢাবি : সর্ব মিত্র চাকমা

নিউজ ডেস্ক

০৫ মার্চ ২০২৬, ১১:০২

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে এক পথশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টাকালে এক যুবককে হাতেনাতে আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা। ঢাবির সলিমুল্লাহ মুসলিম হলসংলগ্ন ফুটপাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্তকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়।

এই ঘটনাকে একটি কলঙ্কময় রাত আখ্যা দিয়ে বুধবার (৪ মার্চ) রাতে একটি পোস্ট দিয়েছেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা।

তিনি পোস্টে লেখেন, ‘এক কলঙ্কময় রাত থেকে রক্ষা পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।’


‘মাহবুবুর রহমান, কাজ করেন পার্শ্ববর্তী পলাশী মার্কেটে, দুধ সাপ্লাইয়ের কাজ করেন। আজ রাতে সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের পার্শ্ববর্তী ফুটপাতে এক পথশিশুকে ধর্ষণ চেষ্টায় হাতেনাতে ধরা পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যদের হাতে।’

‘সিভিল সোসাইটির শর্তানুযায়ী কোনো ধরনের শারীরিক আঘাত ছাড়াই তাকে শাহবাগ থানায় আনা হয়, সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা আমাকে ফোন দিয়ে জানায় এবং তৎক্ষণাৎ থানায় যাই। অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে। তিনি জানান, শয়তানের প্ররোচনায় তিনি এ কাজ করেছেন। তিনি জানেন না তিনি কীভাবে এ কাজ করতে গিয়েছিলেন।’

‘বাচ্চা শিশুটার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছি। সাধারণত ধর্ষণ চেষ্টায় খুব একটা সিগ্নিফিকেন্ট প্রমাণাদি থাকে না। কৌশলে জিজ্ঞেস করলে সে মোটামুটি স্বীকার করে, কিন্তু এটা কনক্রিট কোনো প্রমাণ না। মামলার খরচ চালানো, আইনি জটিলতা ইত্যাদির কারণে মামলার বাদী হিসেবে কেউ থাকতে না চাওয়ায় মামলা না দিয়ে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।’

‘যারা কথায় কথায় আইনের দোহাই দেন, এবার একটু চোখ খুলুন। দেখুন, আমি আইনের বাইরে যেতে পারিনি আজ! আইন কতভাবে আমাদের হাত-পা বেঁধে রেখেছে, দেখুন!’

সোশ্যাল মিডিয়া

মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা নিয়ে কুমিরের কান্না বন্ধ করুন : আজাদ মজুমদার

গত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে অন্তত তিনবার কারাবরণ এবং ১১টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার শিকার হওয়া বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা নিয়ে একটি মহল রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আজাদ মজুমদার। শনিবার (১৪ মার্চ) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই সুবিধাবাদী […]

মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা নিয়ে কুমিরের কান্না বন্ধ করুন : আজাদ মজুমদার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ মার্চ ২০২৬, ০৭:০৩

গত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে অন্তত তিনবার কারাবরণ এবং ১১টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার শিকার হওয়া বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা নিয়ে একটি মহল রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আজাদ মজুমদার।

শনিবার (১৪ মার্চ) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই সুবিধাবাদী রাজনীতির কড়া সমালোচনা করেছেন।

নিজের ফেসবুক পোস্টে আজাদ মজুমদার লেখেন, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত স্বৈরাচারী শাসনামলে মির্জা আব্বাসকে অন্তত তিনবার কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। সেই সরকার তাকে অন্তত ১১টি মামলায় জড়িয়েছিল, যার সবগুলোই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে ব্যাপকভাবে পরিচিত।

তিনি উল্লেখ করেন, মির্জা আব্বাস একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হওয়া সত্ত্বেও অতীতে সেই মানুষগুলোর কাছ থেকে একবিন্দু সহানুভূতি পাননি, যারা এখন তার জন্য কুমিরের কান্না কাঁদছেন। এর একমাত্র কারণ হলো, কোনো এক সমীকরণে বর্তমানে তিনি তাদের শত্রুর শত্রু।

মির্জা আব্বাস ও তার পরিবারের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝড়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি লেখেন, তার পরিবার যে মানসিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছে এবং তার জীবন থেকে যে মূল্যবান বছরগুলো কেড়ে নেওয়া হয়েছে, তা তাদের ভুলে যাওয়ার কোনো কারণ নেই। এই ক্ষতগুলো বাস্তব এবং সুবিধাবাদী কোনো সহানুভূতি দিয়ে এই ইতিহাস মুছে ফেলা যাবে না।

সম্প্রতি মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলা আলোচনার সমালোচনা করে আজাদ মজুমদার বলেন, এখন কেউ কেউ ফায়দা লুটতে তার অসুস্থতার জন্য তার বর্তমান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দায়ী করার চেষ্টা করছেন। এই ধরনের কূটতর্ক কারও কোনো উপকারে আসবে না, বিশেষ করে মির্জা আব্বাসের তো নয়ই।

লোক দেখানো ক্ষোভ বা রাজনৈতিক ফায়দা লোটার পরিবর্তে এই মুহূর্তে মির্জা আব্বাসের জন্য সবার কাছে আন্তরিক দোয়া চেয়েছেন তিনি। পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, যারা তাকে সত্যিকার অর্থে সম্মান করেন, তাদের আন্তরিক দোয়াই এখন তার প্রয়োজন। দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন, আব্বাস ভাই।