জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এখনো নির্বাচন কমিশনের রেজিস্ট্রেশন না পাওয়ায় দলটিকে ‘অবৈধ পার্টি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক এ কে এম পাটোয়ারী। সম্প্রতি একটি টেলিভিশন টক শোতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পাটোয়ারী বলেন, “জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এখনো নির্বাচন কমিশনের অনুমোদনই পায়নি। তারা এখনো কোয়ালিফাই করতে পারেনি। নির্বাচন কমিশনের দেওয়া শর্ত—প্রতিটি জেলায় অফিস, নির্ধারিত সংখ্যক সদস্যের স্বাক্ষর—কোনোটিই পূরণ করতে পারেনি এনসিপি।”
তিনি আরও বলেন, “রেজিস্ট্রেশন না থাকায় আইনের দৃষ্টিতে এনসিপি একটি অবৈধ রাজনৈতিক দল। নির্বাচন ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ কিংবা রাজনৈতিক বৈধতা দাবি করার আগে রেজিস্ট্রেশন পাওয়াটা অপরিহার্য।”
গোপালগঞ্জের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় এনসিপির রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, “ওখানকার মানুষের আবেগ-অনুভূতির বিষয় আছে। এনসিপি অন্য জেলায় মিটিং করুক, তাতে সমস্যা নেই। কিন্তু গোপালগঞ্জে মিটিং করে উল্টো সংঘর্ষের পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।”
এ মন্তব্যের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে এনসিপির বৈধতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এনসিপির পক্ষ থেকে এখনও এ কে এম পাটোয়ারীর বক্তব্যের আনুষ্ঠানিক কোনো জবাব দেওয়া হয়নি, তবে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক মহল মনে করছে, আসন্ন রাজনৈতিক পরিবেশে এনসিপির অবস্থান আরও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কোনো রাজনৈতিক দল আইনি কাঠামোর মধ্যে পড়ে না, ফলে তাদের কর্মসূচি বা দাবি আদায়ের প্রক্রিয়াও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।
