বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

এই দেশ আমার প্রথম ঠিকানা, এই দেশে আমার শেষ ঠিকানা : তারেক রহমান

বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান বলেছেন, গত ১৫ বছর ধরে জনগণের ভোটাধিকার জোরপূর্বক কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। এখন যখন আবার গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথচলা শুরু হয়েছে, তখন একটি মহল নতুন করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তিনি ভোটারদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভোট দেওয়ার অধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা যেন কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আবারও হরণ না হয়—সে বিষয়ে সবাইকে […]

এই দেশ আমার প্রথম ঠিকানা, এই দেশে আমার শেষ ঠিকানা : তারেক রহমান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:০০

বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান বলেছেন, গত ১৫ বছর ধরে জনগণের ভোটাধিকার জোরপূর্বক কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। এখন যখন আবার গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথচলা শুরু হয়েছে, তখন একটি মহল নতুন করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তিনি ভোটারদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভোট দেওয়ার অধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা যেন কোনো ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আবারও হরণ না হয়—সে বিষয়ে সবাইকে চোখ-কান খোলা রাখতে হবে।

শনিবার সন্ধ্যায় ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত এই সমাবেশে ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলার বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থীরা মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে ফেনীসহ আশপাশের জেলা থেকে কয়েক হাজার নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে তারেক রহমানকে বহনকারী বাস জনসভাস্থলে পৌঁছায়। মাগরিবের নামাজ আদায়ের পর তিনি মঞ্চে ওঠেন। প্রায় দুই দশক পর ফেনীতে কোনো রাজনৈতিক সমাবেশে অংশ নিয়ে টানা প্রায় ২৫ মিনিট বক্তব্য দেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, “বিএনপি সরকার গঠন করলে দেশের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সমাধানে কাজ শুরু করবে। আমাদের একটাই লক্ষ্য—দেশ গড়া। আমরা যদি এই দেশ গড়ে তুলতে না পারি, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ ধ্বংস হয়ে যাবে। এই দেশই আমার, আপনার, আমাদের সবার শেষ ঠিকানা। এই দেশেই আমাদের জন্ম, এই দেশেই আমাদের মৃত্যু। এই দেশই আমাদের প্রথম ঠিকানা, এই দেশই আমাদের শেষ ঠিকানা। তাই দেশ গড়তে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একযোগে কাজ করতে হবে।”

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ফেনী-৩ আসনের প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু, নোয়াখালী-২ আসনের প্রার্থী জয়নুল আবেদিন ফারুক, ফেনী-২ আসনের প্রার্থী জয়নাল আবেদিন (ভিপি জয়নাল), নোয়াখালী-১ আসনের প্রার্থী মাহবুব উদ্দিন খোকন, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ফেনী-১ আসনের প্রার্থী মুন্সী রফিকুল আলম (মজনু)সহ দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া–এর বড় সন্তান তারেক রহমান ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, “ভোটের দিন যারা তাহাজ্জুদ পড়েন না, তারাও তাহাজ্জুদের সময় ঘুম থেকে উঠবেন। যারা পড়েন, তারা নামাজ শেষ করে সরাসরি ভোটকেন্দ্রে যাবেন। ফজরের নামাজ জামাতে আদায় করে সকাল সাতটার পর ভোটের লাইনে দাঁড়াবেন। ভোট দিয়ে হিসাব বুঝে না নেওয়া পর্যন্ত কেউ ঘরে ফিরবেন না। আগামী দিনের বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে দেশের মানুষের সঠিক সিদ্ধান্তের ওপর।”

ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের ভোটারদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, “এই তিন জেলায় ধানের শীষ বিজয়ী হলে সেটি হবে খালেদা জিয়ার বিজয়।” ফেনীবাসীর দাবির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, মেডিকেল কলেজ স্থাপনের পাশাপাশি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করা হবে। গ্রাম পর্যায়ে চিকিৎসক পাঠিয়ে মা-বোনদের ঘরে ঘরে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

ফেনীর সঙ্গে নিজের পারিবারিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “ফেনী আমার নানার বাড়ি। এখানে চট্টগ্রামের মতো কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চাই। ফেনীতে ইপিজেড স্থাপন, তরুণদের প্রশিক্ষণ দিয়ে বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে চাই। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে দেশের ভাগ্য বদলে যাবে।”

বক্তব্য শেষে তিনি ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের বিএনপি প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট দিয়ে ধানের শীষকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “এঁরা নির্বাচিত হলে আপনাদের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবেন। এলাকার সমস্যা নিয়ে সরাসরি তাঁদের কাছে যাবেন এবং সমাধানের দাবি জানাবেন।”

জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল ও জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে বক্তব্য শেষ করে তারেক রহমান কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা দেন। এর আগে দুপুরে কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে জনসভার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। সমাবেশ মঞ্চের পাশে গুমের শিকার পরিবার, জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য এবং আহত জুলাই যোদ্ধারাও উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সিলেটে জনসভার মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা শুরু করেন তারেক রহমান। পরদিন ঢাকায় সমাবেশ শেষে শনিবার চট্টগ্রাম হয়ে ফেনীতে জনসভায় অংশ নেন তিনি। এরপর কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জে একাধিক জনসভায় অংশ নেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে তার।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩৯

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৩৭
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩৯

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩৯