বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

‘অনেকেই প্রকাশ্যে “হ্যাঁ” আর গোপনে গোপনে “না” ভোটের পক্ষে প্রচার চালাচ্ছে’ : মামুনুল হক

গণভোট নিয়ে কেউ কেউ দ্বিচারিতা করছেন বলে মন্তব্য করেছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–১৩ আসনে ১০–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি বলেছেন, ‘দুঃখের সঙ্গে লক্ষ করছি, বাংলাদেশ এমন এক রাজনীতির পথে চলছে, অনেকেই প্রকাশ্যে গণভোটে “হ্যাঁ” ভোটের পক্ষে কথা বললেও গোপনে গোপনে “না” ভোটের জন্য মানুষকে সংগঠিত করছে।’ […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৫০

গণভোট নিয়ে কেউ কেউ দ্বিচারিতা করছেন বলে মন্তব্য করেছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–১৩ আসনে ১০–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি বলেছেন, ‘দুঃখের সঙ্গে লক্ষ করছি, বাংলাদেশ এমন এক রাজনীতির পথে চলছে, অনেকেই প্রকাশ্যে গণভোটে “হ্যাঁ” ভোটের পক্ষে কথা বললেও গোপনে গোপনে “না” ভোটের জন্য মানুষকে সংগঠিত করছে।’

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে মোহাম্মদপুরের টাউন হলের পাশে শহীদ পার্ক মাঠে নির্বাচনী জনসভায় মাওলানা মামুনুল হক এ কথা বলেন। এই জনসভার মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারে নামলেন তিনি। জনসভায় জামায়াতের ইসলামী, খেলাফত মজলিস ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) নির্বাচনী ঐক্যের নেতা–কর্মীরা অংশ নেন।

এ ছাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রকৌশলী আবদুস সাত্তার, জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে শহীদ বাদশা মিয়ার বাবা ফিরোজ মিয়া, শাপলা চত্বরে শহীদ রুহুল আমিন রুবেলের বাবা বাচ্চু মিয়া জনসভায় বক্তব্য দেন। তাঁরা মামুনুল হকের পক্ষে ঢাকা-১৩ আসনের মানুষের কাছে ভোট চান। এ সময় জনসভা মঞ্চের দুই পাশে প্রতীক হিসেবে রিকশা প্রদর্শন করা হয়।

জনসভায় মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘একাত্তর সালের মুক্তিযুদ্ধের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতার ফসল ঘরে তোলার লক্ষ্যেই চব্বিশের জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে লক্ষ করছি, যেভাবে একসময় পরাজিত শক্তি মুক্তিযুদ্ধকে ইসলামের মুখোমুখি দাঁড় করানোর অপচেষ্টা চালিয়েছিল, সেই একই শক্তি আবার জুলাই বিপ্লবকে একাত্তরের মুখোমুখি দাঁড় করানোর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। ঐক্যবদ্ধভাবে এই ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে।

বাংলাদেশকে পাহারা দেওয়ার জন্যই ১৯৪৭, ১৯৭১ ও ২০২৪–এর আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে ইসলামী দলের ঐক্য গড়ে উঠেছে।’

মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘মোহাম্মদপুরের মাটি ও মানুষের সঙ্গে ৪০ বছরের অভিযাত্রী ও সহযাত্রী হিসেবে আমি এই এলাকা ভোটের ময়দানে নেমেছি। এই এলাকার মানুষকে সন্ত্রাস, জুলুম, চাঁদাবাজি ও মাদক কারবারিদের হাত থেকে মুক্ত করার শপথ নিয়েছি। ইনশা–আল্লাহ, এই এলাকা আমরা চাঁদাবাজ ও আধিপত্যবাদমুক্ত করেই ছাড়ব।’

১০–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের এই প্রার্থী আরও বলেন, ‘এই শহীদ পার্ক মাঠে আমরা একাত্তরের বীর শহীদদের সম্মান জানিয়েছি, তাঁদের আশীর্বাদ নিয়ে প্রচার শুরু করছি। ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের বীর শহীদদের অভিভাবকদের দোয়া নিয়েছি।

২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে শহীদ হওয়া পরিবারের সদস্যদেরও এখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এসব শক্তিকে একত্র করে আমরা আগামীর বাংলাদেশ কেমন হবে, সেই ঘোষণা দেওয়ার জন্য এখানে একত্রিত হয়েছি।’

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৭১

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৪৯

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৪৯

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৭১