বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আল্লাহর রহমতে ৪ আগস্ট ছাত্রদলের নেতৃত্বে যাত্রাবাড়ী দখলমুক্ত করেছি : রাকিব

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, ৪ আগস্ট আমি ছিলাম যাত্রাবাড়ীর দায়িত্বে। আল্লাহর রহমত ও ছাত্রদলের নেতৃত্বে সেদিন যাত্রাবাড়ী আওয়ামী সন্ত্রাসীমুক্ত করেছি। আর শাহবাগের দায়িত্বে ছিলেন আমাদের সাধারণ সম্পাদক ও যুবদলের নেতাকর্মীরা। তাদের আন্দোলনেই সেখানে সফল হয়েছি। সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। ৩ আগস্ট নিজে শহীদ মিনারে উপস্থিত ছিলেন জানিয়ে রাকিবুল […]

আল্লাহর রহমতে ৪ আগস্ট ছাত্রদলের নেতৃত্বে যাত্রাবাড়ী দখলমুক্ত করেছি : রাকিব

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৫, ১৬:৪০

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, ৪ আগস্ট আমি ছিলাম যাত্রাবাড়ীর দায়িত্বে। আল্লাহর রহমত ও ছাত্রদলের নেতৃত্বে সেদিন যাত্রাবাড়ী আওয়ামী সন্ত্রাসীমুক্ত করেছি। আর শাহবাগের দায়িত্বে ছিলেন আমাদের সাধারণ সম্পাদক ও যুবদলের নেতাকর্মীরা। তাদের আন্দোলনেই সেখানে সফল হয়েছি।

সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।

৩ আগস্ট নিজে শহীদ মিনারে উপস্থিত ছিলেন জানিয়ে রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, হাজার হাজার ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। একত্রিতভাবেও ছিলেন, বিচ্ছিন্নভাবেও ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পরামর্শ নিলাম। তিনি বললেন, আমি আগেই বলেছি, যে যেভাবে পারবে ঢাকায় প্রবেশ করবে। তার আগেই আমরা সারা দেশের ছাত্রদল নেতাকর্মীদের রাজধানীর ভেতরে যার আত্মীয়-স্বজন যেখানে আছেন, সেখানে অবস্থান নিতে বলি।

ছাত্রদল সভাপতি বলেন, ৪ আগস্ট আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বললেন, এটাই শেষ সুযোগ, তোমরা সাড়ে ১৫ বছর লড়াই সংগ্রাম করেছেন।

তিনি বলেন, আরেকটা কথা সেদিন শুধু ছাত্রদল না, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবকদলকেও একই পরামর্শ দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তিনি বলেছেন, তোমাদেরকে যেভাবেই হোক রামপুরা, যাত্রাবাড়ী, শাহবাগ, মোহাম্মদপুর, মিরপুর ও উত্তরায়- এই জোনগুলোতে সফল হতেই হবে।

তোমরা কিভাবে ভাগ করে নিবা নাও। আমরা ছাত্রদল বিভিন্ন জোনে ভাগ করে নিয়েছি, স্বেচ্ছাসেবক দল ও যুবদল ভাগ করে নিয়েছে, আর যুবদল তো আছেই, কৃষকদল, শ্রমিক দল ছিল। আমাদের তিন দলের সঙ্গে কথা বলেছেন, বাকিটা তিনি ওইদিক দিয়ে একাই কথা বলেছেন।

সে সময়ের কথা স্মরণ করে রাকিব বলেন, আমরা আমাদের সব ইউনিটকে বললাম, তোমরা যে যেখানে আছ, সেখান থেকেই লাঠিসোঁটা নিয়ে যাবা, কারণ ছাত্রলীগ তো খালি হাতে আসবে না। আর এটাই তাদের শেষ লড়াই। আমরা তো সেদিন বুঝতে পারছিলাম আওয়ামী লীগের শেষ, এরা মরণ কামড় দেবে। আমরা সেদিন সকালে দনিয়া কলেজ, বর্ণমালা স্কুলের সামনে গিয়ে একত্রিত হই।

আমরা সেখানে বসি, ১২টার সময় আমরা সিদ্ধান্ত নেই যে, আমাদের এখন যাত্রাবাড়ী মোড়টা নিতে হবে। যদি না নেই তাহলে হবে না। বিচ্ছিন্নভাবে তো নেওয়া যায় না, সাংগঠনিকভাবে আমরা পরস্পরকে চিনি, যেন ছাত্রলীগ যদি গুলি করে আমরা যেন পেছনে না যাই। যেহেতু ওইখানকার এমপি সজল, ছাত্রলীগ এরা নাকি যাত্রাবাড়ী মোড়ে অবস্থান করছে ১২টায়।

ছাত্রদলের এই কেন্দ্রীয় সভাপতি বলেন, আমরা ভাবলাম যে প্রিপারেশন নিয়ে যেতে হবে। আমরা দেখলাম যে যখন হাজারের ওপরে নেতাকর্মীরা মাঠে আসছে তখন আমরা মিছিল শুরু করি দনিয়া কলেজের সামনে থেকে। এই মিছিল নিয়ে আমরা একাধারে যাত্রা শুরু করি, যখন পূবালী মাছ ভাণ্ডার পার হই তখন ওরা আমাদের ওপর গুলি করে।

আমাদের শারীরিক স্প্রিট এতো বেশি ছিল যে, কেউ কাউকেই মানার মতো অবস্থায় ছিল না। আমরা পিছু হটব না। পরবর্তীতে আমাদের বেশিক্ষণ সময় লাগে নাই দখলমুক্ত করতে।

তিনি বলেন, এরমধ্যে সবাই দৌড়ে পালিয়ে কেউ থানায় ঢুকছে কেউ ধোলাইপাড়ে চলে গেছে, এভাবে আমরা করেছি। এরপরে এক থেকে দেড় ঘণ্টা পরে আমরা ধোলাইপাড়ে গিয়েছি। ছাত্রদলের নেতৃত্বে ধোলাইপাড় দখলমুক্ত হয়েছে।

রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, এরপর মিছিল নিয়ে আমরা জুরাইন গিয়েছি। জুরাইনে আগে থেকেই মাদরাসা শিক্ষার্থীরা ছিল। ওরা ছাত্রলীগ-যুবলীগের সঙ্গে লড়াই করতেছিল। জুরাইন আমাদের দখলে ছিল। মাদরাসা শিক্ষার্থীদের দখলে ছিল।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৫৮

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৫৮
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৫২

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৫২