মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

জামায়াত-বিএনপির দূরত্বের কারণ জানালেন জাহেদ উর রহমান

বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, আমি মনে করি, বয়কট করে জামায়াত হাসির পাত্র হয়েছে। কিন্তু তারা মনে করেছেন এই বয়কটের মাধ্যমে তারা সরকারকে বার্তা দিতে চান তারা এখন সেকেন্ড ফোর্স। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) জামায়াতে ইসলামী-বিএনপি মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি ও রাজনৈতিক বিষয়ে আলোচনাকালে এসব কথা বলেন তিনি। জামায়াতের সঙ্গে বিএনপি দূরত্ব কি […]

জামায়াত-বিএনপির দূরত্বের কারণ জানালেন জাহেদ উর রহমান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২০ জুন ২০২৫, ১২:৩৯

বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, আমি মনে করি, বয়কট করে জামায়াত হাসির পাত্র হয়েছে। কিন্তু তারা মনে করেছেন এই বয়কটের মাধ্যমে তারা সরকারকে বার্তা দিতে চান তারা এখন সেকেন্ড ফোর্স।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) জামায়াতে ইসলামী-বিএনপি মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি ও রাজনৈতিক বিষয়ে আলোচনাকালে এসব কথা বলেন তিনি।

জামায়াতের সঙ্গে বিএনপি দূরত্ব কি মূলত আদর্শিক নাকি ক্ষমতায় যাওয়ার একটা ব্যাপার? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘ক্ষমতায় যাওয়ার এবং রাজনৈতিক।

আদর্শিক একটা সমস্যা তো আছেই, আসলে আমি ব্যাখ্যা খুব সহজ ব্যাখ্যাটা কঠিন না মানে জামায়াতে ইসলামীর যে গুরুত্ব আমাদের রাজনীতিতে ছিল সেই গুরুত্ব একদিক দিয়ে খুব কমে গেছে আবার একদিক দিয়ে বেড়েছে। বাড়ার কারণ হচ্ছে- জামায়াতের সামনে মোটামুটি একটা সুযোগ তৈরি হয়েছে কাগজে-কলমে বিরোধী দল হওয়ার।
আওয়ামী লীগ পার্টিসিপেট করলে আমি ধারণা করি, জামা‍য়াতের চাইতে বেশি সিট তারা পেত—যদি তাদের ক্যান্ডিডেট থাকতে পারত, ক্যাম্পেইন করতে পারত। আমার বিবেচনা আওয়ামী লীগের এখনো ২০% পপুলার ভোট আছে।

জামাতে যদি সাত-আট শতাংশও ধরেন, তিন ভাগের এক ভাগ ভোট তাদের। এখন তাদের সুযোগ হয়েছে। আওয়ামী লীগ না থাকায় তারা ১৫টা বা ২০টা সিটও যদি পায় আর কেউ এই পরিমাণ সিট পাবে না, তো তারা কাগজে কলমে সেকেন্ড।’
তিনি আরো বলেন, ‘জামায়াত এতদিন এত গুরুত্ব কেন পেয়েছে? বিএনপির সঙ্গে জামা‍য়াতের জোটের কারণ কি? ১৯৯৬ সালে নির্বাচনের একটা এনালিসিস করে দেখা গেছে- বিএনপি আর আওয়ামী লীগের মধ্যে ১০০টার মত সিটের সিদ্ধান্ত হয়েছে খুব অল্প ভোটের ব্যবধানে।

১০-১৫-২০ হাজার ভোটের ব্যবধানে। জামায়াতে ইসলামীর সিটে জিতে যাওয়ার মতো সিট বেশি নাই। কারণ একটা সিটে জিততে হলে কিন্তু সাড়ে তিন থেকে ৪ লাখ হচ্ছে এভারেজ ভোটার। আপনাকে জিততে হলে ভালো ভোট পেতে হবে। কিন্তু তাদের অনেকগুলো সিটেই ১৫, ২০, ২৫, ৩০ হাজার ভোট আছে।

এই ভোটটাকে যদি বাক্সে নেওয়া যায় তাহলে জিতে যাওয়া যেতে পারে। এইটাই জোটের কারণ।

নাজিম কামরান চৌধুরী এই হিসাবটা দেখিয়েছিলেন এবং সেটার রেজাল্ট ২০০১ এ দেখবেন। পপুলার ভোট কিন্তু বিএনপি আর আওয়ামী লীগের একই রকম। কিন্তু মেজর ডিফারেন্স হয়ে গেল- আওয়ামী লীগ ৬২ সিট। আর বিএনপি টু থার্ড মেজরিটি পেয়ে গেছে জোট নিয়ে। আওয়ামী লীগের অবর্তমানে জামায়াতের এই গুরুত্ব নাই। তো বিএনপি এখন জামাতকে কেন তার সাথে রাখবে? কোনো প্রয়োজন নেই।

বরং বিএনপি জামায়াতকে যদি বিরোধী দলে রাখতে পারে জামায়াতের যে ইসলামী রাজনীতি অন্তত নামে যে ইসলাম আছে এটার বিরুদ্ধে বিএনপি এখন নিজে একটা সেকুলার সেন্ট্রিস্ট। একদম সেন্ট্রিস্ট একটা মধ্যপন্থী দল হিসেবে ওই ফাইটটা জামা‍য়াতের সাথে করতে পারে এবং জামাতকে তার কাছ থেকে দূরে সরানোই বেটার।

জামায়াতকে রেখে পরবর্তীতে বিএনপি যা লাভ হয়েছে তারচেয়ে ক্ষতি হয়েছে অনেক বেশি। সো কল্ড ওয়ার অন টেরারের যে ন্যারেটিভ সেটা তৈরি হতে পেরেছে জামায়াতের কারণে এবং আমাদের তরুণ ভোটাররা মুক্তিযুদ্ধের সময় তাদের যে ন্যারেটিভ ছিল তাদের যে অবস্থান ছিল সেটাকে কোনভাবেই এনডোর্স করে না।’

সাম্প্রতিক সময়ে তারা মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে মারাত্মক ব্যাকল্যাশের শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘তারা মনে করেছে এই তরুণরা এত কিছু জানে না, ওরা হাসিনাকে ফেলেছে। হাসিনাকে ফেলা মানে মুক্তিযুদ্ধকে ডিনাউন্স করা, এগুলো ওরা বলার চেষ্টা করেছে এবং দেখল যেগুলো রিয়াকশন হয়েছে।

বিএনপির দিক থেকে অন্তত আগামী বেশ কিছু সময় জামা‍য়াতের আসলে ইউটিলিটি নাই। কাগজে-কলমে বলছে কোনো একদিন যদি দেখা যায় আওয়ামী লীগ ফিরে আসে বা আরেকটা দলের সাথে তার সে পাইপ তৈরি হয়, আবার যদি ভোটের অংক হয় তখন সে ইম্পর্টেন্ট হতে পারে। ফলে এখন জামায়াত যেহেতু দেখছে- বিএনপির তাকে প্রয়োজন নেই, সে এখন তার মত করে রাজনীতি করার চেষ্টা করছে। খানিকটা কনফিডেন্সও তার শেষ হয়ে গেছে। সে এখন এই অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তাই সে এখন বিএনপির বিরুদ্ধে দাঁড়াবে এটি স্বাভাবিক।’

অ্যাক্টিং চেয়ারম্যানের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক এখানে রাজনৈতিক সংস্কৃতি বিনষ্ট হয়েছে, এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সংস্কৃতি না, জামা‍য়াতের স্টেটমেন্টটা আমি পড়েছি। অফিশিয়াল স্টেটমেন্টে বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন, একটা দলের সাথে বৈঠক করে নির্বাচনের জন্য।

গতকালকেও এটা বলেছে তাদের ডক্টর এসএম হামিদুর রহমান আজাদ, বলছেন যে—লন্ডনে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূতভাবে নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের যৌথ বিবৃতি ও ব্রিফিং এর প্রতিবাদে আমরা ঐক্যমত কমিশনের এই প্রথম দিনের সংলাপ বয়কট করেছি।

তারা যেটা মনে করছে সেটা হলো নির্বাচনে তারই তো প্রধান উপদেষ্টা ঘোষণা করে দিয়েছেন। তাদের বক্তব্যে আমি যেটা বুঝি- সবার সাথে আলোচনা না করে এটা শিফট করার ব্যাপারে নীতিগত এক ধরনের সিদ্ধান্ত একটা দলের সাথে হয়েছে। এই হচ্ছে তাদের অভিযোগ বলে আমি ধারণা করি। জামা‍য়াতের পক্ষ থেকে তো ওই দাবি ছিল যে মোটামুটি নির্বাচনটা হতে পারে রমজানের আগেই।

দুটো আগে এবং এপ্রিল দুটোই কিন্তু জামা‍য়াতেই প্রপোজাল ছিল। এটার মধ্যে পরে কিন্তু ওই যে বললাম আপনি তো রাজনীতি করবেন। এখন আপনাকে এখন রাজনীতি করতে হবে এবং আপনি সরকারকে আপনার গুরুত্ব দেখাবেন। এই যে বয়কট করে আমি মনে করি তারা হাসির পাত্র হয়েছেন। কিন্তু তারা মনে করেছেন এই বয়কটের মাধ্যমে তারা সরকারকে বার্তা দিতে চান। তারা এখন সেকেন্ড ফোর্স। গত কয়েক বছর ভোট টোট নাই আমরা জানি না।’

তিনি বলেন, ‘জামায়াতের শক্তি কতটা একবার পরীক্ষা হয়েছিল। আমি এই সিচুয়েশন পাল্টেই পাল্টে গেছে হয়তো। ৯৬ সালে সে এককভাবে নির্বাচন করেছে। আমরা ২০০১ এ তা সিট দিয়ে বুঝব না জামা‍য়াতের শক্তি। কারণ ওর মধ্যে প্রচুর বিএনপির ভোট আছে। ৯৬ সালে তারা এককভাবে নির্বাচন করে দুটো সিট পেয়েছিল। এখন যে দলটা ওইরকম যার পপুলার ভোটের পারসেন্টেজ ছয়-সাত-আট পারসেন্ট তার সাথে আলোচনা না করে বিএনপির সাথে আলোচনা করা হতো এটা মেনে নেয়াই উচিত। আবার জামায়াত কিন্তু সরকারের কাছে আলাদা ট্রিটমেন্ট পাচ্ছে।

প্রধান উপদেষ্টা কি নাগরিকত্বের সাথে গণসংহতির সাথে আলাদা বসেছেন? তো উনারা কি বলবেন- জামায়াতের সাথে এক আলাদা বসে তিনি নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন? না, রাজনীতি এরকমই জামা‍য়াতের ওজন আছে সেই ওজনটাকে সরকারও রেকগনাইজ করছে কিন্তু তার সাথে আলাদাভাবে বসছে একইভাবে বিএনপির সাথে আসলে আন্ডারস্ট্যান্ডিং হয়ে নির্বাচনের ডেট ঠিক হতে হবে। ইটস আ রিয়ালিটি।’

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫৫১

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫৫১

রাজনীতি

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য […]

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা ও ন্যায়ের ভিত্তিতে,কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়: সারজিস আলম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:০৮

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।

শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশের গণহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে রেখেছে জানিয়ে সারজিস বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাকে ফিরিয়ে দিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইভাবে হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিদেরও ফিরিয়ে দিতে হবে।

ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং প্রধানের আকস্মিক সফর এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পর ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে এনসিপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এখনই ভারতে যেতে হবে পরে গেলে ক্ষতি হবে-এ ধরনের বক্তব্য কোনো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতি মর্যাদাপূর্ণ আচরণের প্রকাশ নয়।

এটা ভারতের ‘আধিপত্যবাদের স্টেটমেন্ট’ বলে মনে হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি যে দুটি শক্ত অবস্থানসম্পন্ন বিবৃতি দিয়েছে, তা সাধুবাদ জানাই। তবে, এসব অবস্থান শুধু বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কর্মকাণ্ডেও প্রতিফলিত হওয়া উচিত।

এসময় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব এসএম সুজা উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা রিফাত রশিদ, আবু বাকের মজুমদারসহ এনসিপির কক্সবাজারের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৪১৬

রাজনীতি

বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে দুই দিনের সফরে নেপালে মামুনুল হক

দুই দিনের সফরে নেপাল পৌঁছেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। মূলত নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং দুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে আজ রোববার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে তিনি নেপালে পৌঁছান। দেশটির বিমানবন্দরে আল্লামা মামুনুল হককে অভ্যর্থনা জানান জমিয়তে উলামা নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও […]

বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে দুই দিনের সফরে নেপালে মামুনুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৫৫

দুই দিনের সফরে নেপাল পৌঁছেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। মূলত নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং দুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে আজ রোববার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে তিনি নেপালে পৌঁছান।

দেশটির বিমানবন্দরে আল্লামা মামুনুল হককে অভ্যর্থনা জানান জমিয়তে উলামা নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত নেপালের প্রেসিডেন্ট মাওলানা শফীকুর রহমান কাসেমী।

মামুনুল হকের সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুক্তরাজ্য শাখার সহসভাপতি মাওলানা শায়খ সালেহ আহমাদ হামিদী এবং জাতীয় উলামা কাউন্সিল বাংলাদেশের সহসভাপতি মুফতি মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান।

দুই দিনের সফর শেষে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর আল্লামা মামুনুল হকের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

দলের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫৫১