মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

জামায়াত-বিএনপির দূরত্বের কারণ জানালেন জাহেদ উর রহমান

বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, আমি মনে করি, বয়কট করে জামায়াত হাসির পাত্র হয়েছে। কিন্তু তারা মনে করেছেন এই বয়কটের মাধ্যমে তারা সরকারকে বার্তা দিতে চান তারা এখন সেকেন্ড ফোর্স। গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) জামায়াতে ইসলামী-বিএনপি মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি ও রাজনৈতিক বিষয়ে আলোচনাকালে এসব কথা বলেন তিনি। জামায়াতের সঙ্গে বিএনপি দূরত্ব কি […]

জামায়াত-বিএনপির দূরত্বের কারণ জানালেন জাহেদ উর রহমান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২০ জুন ২০২৫, ১২:৩৯

বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, আমি মনে করি, বয়কট করে জামায়াত হাসির পাত্র হয়েছে। কিন্তু তারা মনে করেছেন এই বয়কটের মাধ্যমে তারা সরকারকে বার্তা দিতে চান তারা এখন সেকেন্ড ফোর্স।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) জামায়াতে ইসলামী-বিএনপি মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি ও রাজনৈতিক বিষয়ে আলোচনাকালে এসব কথা বলেন তিনি।

জামায়াতের সঙ্গে বিএনপি দূরত্ব কি মূলত আদর্শিক নাকি ক্ষমতায় যাওয়ার একটা ব্যাপার? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘ক্ষমতায় যাওয়ার এবং রাজনৈতিক।

আদর্শিক একটা সমস্যা তো আছেই, আসলে আমি ব্যাখ্যা খুব সহজ ব্যাখ্যাটা কঠিন না মানে জামায়াতে ইসলামীর যে গুরুত্ব আমাদের রাজনীতিতে ছিল সেই গুরুত্ব একদিক দিয়ে খুব কমে গেছে আবার একদিক দিয়ে বেড়েছে। বাড়ার কারণ হচ্ছে- জামায়াতের সামনে মোটামুটি একটা সুযোগ তৈরি হয়েছে কাগজে-কলমে বিরোধী দল হওয়ার।
আওয়ামী লীগ পার্টিসিপেট করলে আমি ধারণা করি, জামা‍য়াতের চাইতে বেশি সিট তারা পেত—যদি তাদের ক্যান্ডিডেট থাকতে পারত, ক্যাম্পেইন করতে পারত। আমার বিবেচনা আওয়ামী লীগের এখনো ২০% পপুলার ভোট আছে।

জামাতে যদি সাত-আট শতাংশও ধরেন, তিন ভাগের এক ভাগ ভোট তাদের। এখন তাদের সুযোগ হয়েছে। আওয়ামী লীগ না থাকায় তারা ১৫টা বা ২০টা সিটও যদি পায় আর কেউ এই পরিমাণ সিট পাবে না, তো তারা কাগজে কলমে সেকেন্ড।’
তিনি আরো বলেন, ‘জামায়াত এতদিন এত গুরুত্ব কেন পেয়েছে? বিএনপির সঙ্গে জামা‍য়াতের জোটের কারণ কি? ১৯৯৬ সালে নির্বাচনের একটা এনালিসিস করে দেখা গেছে- বিএনপি আর আওয়ামী লীগের মধ্যে ১০০টার মত সিটের সিদ্ধান্ত হয়েছে খুব অল্প ভোটের ব্যবধানে।

১০-১৫-২০ হাজার ভোটের ব্যবধানে। জামায়াতে ইসলামীর সিটে জিতে যাওয়ার মতো সিট বেশি নাই। কারণ একটা সিটে জিততে হলে কিন্তু সাড়ে তিন থেকে ৪ লাখ হচ্ছে এভারেজ ভোটার। আপনাকে জিততে হলে ভালো ভোট পেতে হবে। কিন্তু তাদের অনেকগুলো সিটেই ১৫, ২০, ২৫, ৩০ হাজার ভোট আছে।

এই ভোটটাকে যদি বাক্সে নেওয়া যায় তাহলে জিতে যাওয়া যেতে পারে। এইটাই জোটের কারণ।

নাজিম কামরান চৌধুরী এই হিসাবটা দেখিয়েছিলেন এবং সেটার রেজাল্ট ২০০১ এ দেখবেন। পপুলার ভোট কিন্তু বিএনপি আর আওয়ামী লীগের একই রকম। কিন্তু মেজর ডিফারেন্স হয়ে গেল- আওয়ামী লীগ ৬২ সিট। আর বিএনপি টু থার্ড মেজরিটি পেয়ে গেছে জোট নিয়ে। আওয়ামী লীগের অবর্তমানে জামায়াতের এই গুরুত্ব নাই। তো বিএনপি এখন জামাতকে কেন তার সাথে রাখবে? কোনো প্রয়োজন নেই।

বরং বিএনপি জামায়াতকে যদি বিরোধী দলে রাখতে পারে জামায়াতের যে ইসলামী রাজনীতি অন্তত নামে যে ইসলাম আছে এটার বিরুদ্ধে বিএনপি এখন নিজে একটা সেকুলার সেন্ট্রিস্ট। একদম সেন্ট্রিস্ট একটা মধ্যপন্থী দল হিসেবে ওই ফাইটটা জামা‍য়াতের সাথে করতে পারে এবং জামাতকে তার কাছ থেকে দূরে সরানোই বেটার।

জামায়াতকে রেখে পরবর্তীতে বিএনপি যা লাভ হয়েছে তারচেয়ে ক্ষতি হয়েছে অনেক বেশি। সো কল্ড ওয়ার অন টেরারের যে ন্যারেটিভ সেটা তৈরি হতে পেরেছে জামায়াতের কারণে এবং আমাদের তরুণ ভোটাররা মুক্তিযুদ্ধের সময় তাদের যে ন্যারেটিভ ছিল তাদের যে অবস্থান ছিল সেটাকে কোনভাবেই এনডোর্স করে না।’

সাম্প্রতিক সময়ে তারা মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে মারাত্মক ব্যাকল্যাশের শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘তারা মনে করেছে এই তরুণরা এত কিছু জানে না, ওরা হাসিনাকে ফেলেছে। হাসিনাকে ফেলা মানে মুক্তিযুদ্ধকে ডিনাউন্স করা, এগুলো ওরা বলার চেষ্টা করেছে এবং দেখল যেগুলো রিয়াকশন হয়েছে।

বিএনপির দিক থেকে অন্তত আগামী বেশ কিছু সময় জামা‍য়াতের আসলে ইউটিলিটি নাই। কাগজে-কলমে বলছে কোনো একদিন যদি দেখা যায় আওয়ামী লীগ ফিরে আসে বা আরেকটা দলের সাথে তার সে পাইপ তৈরি হয়, আবার যদি ভোটের অংক হয় তখন সে ইম্পর্টেন্ট হতে পারে। ফলে এখন জামায়াত যেহেতু দেখছে- বিএনপির তাকে প্রয়োজন নেই, সে এখন তার মত করে রাজনীতি করার চেষ্টা করছে। খানিকটা কনফিডেন্সও তার শেষ হয়ে গেছে। সে এখন এই অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তাই সে এখন বিএনপির বিরুদ্ধে দাঁড়াবে এটি স্বাভাবিক।’

অ্যাক্টিং চেয়ারম্যানের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক এখানে রাজনৈতিক সংস্কৃতি বিনষ্ট হয়েছে, এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সংস্কৃতি না, জামা‍য়াতের স্টেটমেন্টটা আমি পড়েছি। অফিশিয়াল স্টেটমেন্টে বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন, একটা দলের সাথে বৈঠক করে নির্বাচনের জন্য।

গতকালকেও এটা বলেছে তাদের ডক্টর এসএম হামিদুর রহমান আজাদ, বলছেন যে—লন্ডনে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূতভাবে নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের যৌথ বিবৃতি ও ব্রিফিং এর প্রতিবাদে আমরা ঐক্যমত কমিশনের এই প্রথম দিনের সংলাপ বয়কট করেছি।

তারা যেটা মনে করছে সেটা হলো নির্বাচনে তারই তো প্রধান উপদেষ্টা ঘোষণা করে দিয়েছেন। তাদের বক্তব্যে আমি যেটা বুঝি- সবার সাথে আলোচনা না করে এটা শিফট করার ব্যাপারে নীতিগত এক ধরনের সিদ্ধান্ত একটা দলের সাথে হয়েছে। এই হচ্ছে তাদের অভিযোগ বলে আমি ধারণা করি। জামা‍য়াতের পক্ষ থেকে তো ওই দাবি ছিল যে মোটামুটি নির্বাচনটা হতে পারে রমজানের আগেই।

দুটো আগে এবং এপ্রিল দুটোই কিন্তু জামা‍য়াতেই প্রপোজাল ছিল। এটার মধ্যে পরে কিন্তু ওই যে বললাম আপনি তো রাজনীতি করবেন। এখন আপনাকে এখন রাজনীতি করতে হবে এবং আপনি সরকারকে আপনার গুরুত্ব দেখাবেন। এই যে বয়কট করে আমি মনে করি তারা হাসির পাত্র হয়েছেন। কিন্তু তারা মনে করেছেন এই বয়কটের মাধ্যমে তারা সরকারকে বার্তা দিতে চান। তারা এখন সেকেন্ড ফোর্স। গত কয়েক বছর ভোট টোট নাই আমরা জানি না।’

তিনি বলেন, ‘জামায়াতের শক্তি কতটা একবার পরীক্ষা হয়েছিল। আমি এই সিচুয়েশন পাল্টেই পাল্টে গেছে হয়তো। ৯৬ সালে সে এককভাবে নির্বাচন করেছে। আমরা ২০০১ এ তা সিট দিয়ে বুঝব না জামা‍য়াতের শক্তি। কারণ ওর মধ্যে প্রচুর বিএনপির ভোট আছে। ৯৬ সালে তারা এককভাবে নির্বাচন করে দুটো সিট পেয়েছিল। এখন যে দলটা ওইরকম যার পপুলার ভোটের পারসেন্টেজ ছয়-সাত-আট পারসেন্ট তার সাথে আলোচনা না করে বিএনপির সাথে আলোচনা করা হতো এটা মেনে নেয়াই উচিত। আবার জামায়াত কিন্তু সরকারের কাছে আলাদা ট্রিটমেন্ট পাচ্ছে।

প্রধান উপদেষ্টা কি নাগরিকত্বের সাথে গণসংহতির সাথে আলাদা বসেছেন? তো উনারা কি বলবেন- জামায়াতের সাথে এক আলাদা বসে তিনি নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন? না, রাজনীতি এরকমই জামা‍য়াতের ওজন আছে সেই ওজনটাকে সরকারও রেকগনাইজ করছে কিন্তু তার সাথে আলাদাভাবে বসছে একইভাবে বিএনপির সাথে আসলে আন্ডারস্ট্যান্ডিং হয়ে নির্বাচনের ডেট ঠিক হতে হবে। ইটস আ রিয়ালিটি।’

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৬৪

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৬৪
বিষয়ঃ

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৬৪

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৭৮