বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আ.লীগের দোসর সন্ত্রাসী গিয়াস উদ্দীনের বিরুদ্ধে তালা উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

হাফিজুর রহমান, সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার কুমিরা ইউনিয়ন ও কুমিরা গ্রামের মুনসুর সরদারের পুত্র ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের দোসর সন্ত্রাসী মোঃ গিয়াস উদ্দীনের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে মোঃ মনিরুজ্জামান ও হাফেজ ফিরোজ হোসেন ৷  শুক্রবার ( ১১ এপ্রিল) তালা ইসমাইল মার্কেটের দোতালায় উপজেলা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ৷ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মোঃ […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ এপ্রিল ২০২৫, ২০:৪৪

হাফিজুর রহমান, সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধিঃ

সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার কুমিরা ইউনিয়ন ও কুমিরা গ্রামের মুনসুর সরদারের পুত্র ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের দোসর সন্ত্রাসী মোঃ গিয়াস উদ্দীনের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে মোঃ মনিরুজ্জামান ও হাফেজ ফিরোজ হোসেন ৷ 

শুক্রবার ( ১১ এপ্রিল) তালা ইসমাইল মার্কেটের দোতালায় উপজেলা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ৷

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন ‘সাংবাদিক ভাইয়েরা,

সন্ত্রাসী গিয়াস উদ্দীন বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের সময়ে, তালা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নূরুল ইসলামের ডান হাত বলে পরিচিত ছিলো।

সেই দাপট দেখিয়ে দীর্ঘদিন যাবত এলাকায় সন্ত্রাসী, চাদাবাজি, মামলা বাজি সহ নানা প্রকার অনৈতিক কাজের মাধ্যমে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কয়েম করে ছিলো। 

সাংবাদিক বন্ধুরা, ৩৬ জুলাই ৫ আগষ্টে আওয়ামীলীগের পতন হলেও এক অদৃশ্য ক্ষমতার বলে সে এখনও বহাল তবিয়াতে তার অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। সে কুমিরা গ্রামের সালাম শেখ, গফুর সরদার, কাশেম শেখ সহ এলাকার কিছু মানুষের নামে হয়রানি মূলক মিথ্যা মামলা দিয়েছে ৷

আবার ব্ল্যাকমেইল করে ঐ মামলা থেকে তাদের নাম বাদ দেওয়ার কথা বলে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ৷ টাকা নিলেও মামলা হতে তাদের নাম বাদ দেইনি, বরং তাদেরকে মিথ্যা মামলায় দীর্ঘদিন ধরে জেলও খাটিয়েছে।

সে আওয়ামীলীগের আমলে ঘুষের মাধ্যমে অবৈধভাবে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসাবে চাকরী পেয়ে সরকারী সার কীট নাশক স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে নিজের লোককে দেওয়া সহ অবৈধভাবে তার নিজের দোকানে বিক্রয় করতো ৷ সে কারনে এলাকার সাধারণ জনগণের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

“প্রিয় সাংবাদিক ভায়ের”

এত কিছু করেও সন্ত্রাসী গিয়াস উদ্দীন ক্ষান্ত হয়নি ৷ বিগত কয়েকদিন পূর্বে এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা মিলে, ঈদের সময় ইসলামী সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানে আয়োজন করলে সে নিজে ও তার কয়েকজন সন্ত্রাসী মিলে গেট স্টেজে ভাংচুর ও আগুন ধরিয়ে দেয় ৷

এসময় এলাকার স্থানীয় মুসল্লি ও সাধারণ মানুষের বাঁধার মুখে সাময়িকভাবে পালিয়ে গেলেও, বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে আমাদেরকে জীবন নাশের হুমকি দিচ্ছে।

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পতন হলেও এই আওয়ামী দোসর এখনও তার সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ায় এলাকার সাধারণ মানুষ ক্ষোভে ফুসে উঠেছে। সন্ত্রাসী গিয়াস উদ্দিনকে অতি দ্রুত গ্রেপ্তার না করলে এলাকায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে ৷ 

আমরা আপনাদের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশসহ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ৷ তাকে অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেফতারপূর্বক আইনের মাধ্যমে যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৩৭

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৩৭
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩৭

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩৭