শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

৫ আগস্ট সেনাবাহিনীর ভূমিকা অস্বীকারকারী জাতীয় বেঈমান: বিএনপির সাবেক এমপি মোশারফ

গুড়া জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি মোশারফ হোসেন বলেছেন, “ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিরুদ্ধে গিয়ে দেশপ্রমিক সেনাবাহিনী জনগণের পাশে না দাঁড়ালে দেশে এক ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো। কিন্তু সেই সংকটময় মুহূর্তে সেনাবাহিনী আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছিল বলেই, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে জনরোষের মুখে শেখ হাসিনা স্যান্ডেল ফেলে পালাতে বাধ্য হয়েছিল। যারা ৫ […]

৫ আগস্ট সেনাবাহিনীর ভূমিকা অস্বীকারকারী জাতীয় বেঈমান: বিএনপির সাবেক এমপি মোশারফ

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ মার্চ ২০২৫, ০০:৪৫

গুড়া জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি মোশারফ হোসেন বলেছেন, “ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিরুদ্ধে গিয়ে দেশপ্রমিক সেনাবাহিনী জনগণের পাশে না দাঁড়ালে দেশে এক ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো। কিন্তু সেই সংকটময় মুহূর্তে সেনাবাহিনী আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছিল বলেই, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে জনরোষের মুখে শেখ হাসিনা স্যান্ডেল ফেলে পালাতে বাধ্য হয়েছিল। যারা ৫ আগস্টের এই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা অস্বীকার করে, তারা ইতিহাসের কালো তালিকায় ‘জাতীয় বেঈমান’ হিসেবে চিহ্নিত হবে।”

শনিবার (২২ মার্চ) বগুড়ার শিবগঞ্জের মহাস্থান দাখিল মাদ্রাসা মাঠে রায়নগর ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, “এর আগে কতিপয় ছাত্র দলের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি অপসারণের দাবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু বিএনপি সেই দাবিতে সায় দেয়নি। কারণ আমরা বিশ্বাস করি সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টি করে জাতীয় নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র চলছে। এখন আবারো কিছু মহল স্থানীয় নির্বাচন আগে দেওয়ার কথা বলছে। এটি স্পষ্টতই জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিলম্বিত করার একটি পরিকল্পনা, যা আমরা কখনোই মেনে নেব না। বাংলাদেশের জনগণ ১৭ বছর ধরে জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করেছে। বিএনপি জনগণের দাবির সাথে ঐক্যমত প্রকাশ করে দ্রুত জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের পক্ষে।”

এছাড়াও মোশারফ হোসেন বলেন, “ড. ইউনূসকে গোটা বিশ্বের মানুষ সম্মান করে। তাই তার সম্মান রক্ষার জন্য এবং জনগণের চাওয়া অনুযায়ী অবিলম্বে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘোষণা করতে হবে। যারা এই জাতীয় নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করবে, তারা জনগণের সামনে ‘জাতীয় বেঈমান’ হিসেবে পরিচিত হবে।”

বক্তব্যের সময় আওয়ামী লীগের দমননীতি এবং ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন মোশারফ হোসেন। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখার জন্য যেকোনো ষড়যন্ত্র জনগণ কখনোই মেনে নেবে না। জাতি এখন ঐক্যবদ্ধ এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য তাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখবে।”

দোয়া ও ইফতার মাহফিলের সভাপতিত্ব করেন রায়নগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মিনহাজ আলী এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক তাহেরুল ইসলাম। ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বগুড়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, “দেশে নির্বাচন বিলম্বিত করার ষড়যন্ত্র চলছে। এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আগেই দ্রুত নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করা অত্যন্ত জরুরি।”

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. আব্দুল ওহাব, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম তাজুল ইসলাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহবুব আলম মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক মাষ্টার হারুনুর রশিদ, পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তাহের, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি জহুরুল ইসলাম ঠান্ডু, সাধারণ সম্পাদক তোফায়েল আহমেদ সাবু সহ আরো বহু নেতা-কর্মী।

উক্ত ইফতার মাহফিলে রায়নগর ইউনিয়নের ৯টি ভোট কেন্দ্র কমিটির নেতৃবৃন্দসহ হাজার হাজার সাধারণ জনগণ অংশগ্রহণ করে। ইফতারের পূর্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩০০

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩০০
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৮০

রাজনীতি

বিএনপি থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। আজ (সোমবার) বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ মার্চ ২০২৬, ২০:১৮

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। আজ (সোমবার) বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার কারণে আপনি বগুড়া জেলাধীন শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। নির্দেশক্রমে আপনার পদত্যাগপত্র গৃহীত হলো।

একই সঙ্গে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি জনাব এস এম তাজুল ইসলামকে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করেছে দল।

দলীয় সূত্র বলছে, বর্তমানে তিনি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োজিত থাকায় রাষ্ট্রীয় কাজে পূর্ণ মনোযোগ দিতেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৮০