বুধবার, ২০ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আগামী দিনে বিএনপির রাজনীতি হবে জনগণ ও দেশের কল্যাণে : ইশরাক হোসেন

বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সিনিয়র সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, আমি আপনাদের সবার সামনে ওয়াদা করতে চাই আগামী দিনে বিএনপির রাজনীতি একমাত্র জনগণের কল্যাণে হবে দেশের কল্যানে হবে অন্য কোন কিছু আমরা সুযোগ দেবো না। বিএনপির নাম ব্যবহার করে কেউ কেউ যদি অপকর্ম করে থাকে তাহলে সেটাকে আমরা গ্রহণ […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ জানুয়ারী ২০২৫, ১৬:৩৬

বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সিনিয়র সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, আমি আপনাদের সবার সামনে ওয়াদা করতে চাই আগামী দিনে বিএনপির রাজনীতি একমাত্র জনগণের কল্যাণে হবে দেশের কল্যানে হবে অন্য কোন কিছু আমরা সুযোগ দেবো না। বিএনপির নাম ব্যবহার করে কেউ কেউ যদি অপকর্ম করে থাকে তাহলে সেটাকে আমরা গ্রহণ করবো না। আমাদের দলের নাম ব্যবহার করে দুই একটি অপকর্ম করে থাকলেও সেটার দায়ভার কিন্তু আমরা নেবোনা।

কারণ সেটার আমাদের উপর আসে না কারণ আমরা কি সরকারে আছি আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আছে যে আমরা নিয়ন্ত্রণ করবো। এটার নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব সরকারের। যে কারো নাম দিয়ে যদি কেউ চাঁদাবাজি করে এটা নিয়ন্ত্রণ করবে সরকার। কারণ এটার জন্য সরকারকেই দায়ভার নিতে হবে। আমাদের নেতার বক্তব্য বিএনপির নাম দিয়ে যদি কেউ চাঁদাবাজি করে সেটাকে আমরা গ্রহণ করব না। আমরা জনগণের জন্য রাজনীতি করবো এটাই আমাদের প্রতিশ্রুতি। আগামী দিনে সেটা আপনারা দেখতে পাবেন।

রবিবার (১২ জানুয়ারি) রাজধানী পুরান ঢাকায় সাদেক হোসেন খোকা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শীতার্ত অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে মহানগর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক সুমন ভুঁইয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন এসব কথা বলেন।

ইশরাক হোসেন আরও বলেন, আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঐক্যের প্রতীক গণতন্ত্রের প্রতীক শান্তির প্রতীক এবং এই উপমহাদেশে অন্যতম একজন নেত্রী হিসেবে ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণ অক্ষরে লেখা থাকবে। কারণ উনি গনতন্ত্রের বিষয়ে কোন ধরনের আপোষ করেননি। তিনি আপস করেননি দেখেই উনাকে কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়েছে। গৃহবন্ধী করে রাখা হয়েছে। উনাকে সুচিকিৎসা সময়মত দেওয়া হয়নি যার কারণে তার শারীরিক অবস্থা আরও সংকটা পন্য হয়েছিল। কিন্তু মহান আল্লাহতালার কি খেলা দেখেন আমাদের নেত্রী এখন সুচিকিৎসা নিচ্ছেন ইনশাল্লাহ সুস্থ হয়ে বাংলাদেশে ফিরে এসে আমাদেরকে নেতৃত্ব দিবেন।

আমরা ছোট বেলা থেকেই দেখে এসেছি আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে অসহায় ও দুস্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছেন সেখানে আমার পিতা মরহুম সাদেক হোসেন খোকাও বিভিন্ন সময় ছিলেন। তার থেকে শিক্ষা নিয়ে কিন্তু আজকে আমরা যে রাজনৈতিক কর্মকান্ড রয়েছে সেটি করে চলেছি।

আমরা জনগণের কল্যাণে রাজনীতি করবো রাজনীতি করতে চাই এবং আমাদের লক্ষ্য একটাই সেটি হচ্ছে বাংলাদেশের জনগণ যাতে ভালো থাকে। এই দেশে যে দারিদ্র্য জনগোষ্ঠী রয়েছে সেই জায়গায় থেকে আগামী দিনে এর যেন উত্তরোন ঘটে বাংলাদেশ যাতে উন্নত রাষ্ট্রে পরিনত হয় তার জন্য আমরা কাজ করবো।

তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচার খুনী ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে বাংলাদেশকে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। বিভিন্ন সময় রিলিফ এর যে সামগ্রী বিশেষ করে করোনা সময় সেটা তাদের নেতাকর্মীদের বাসা বাড়ির খাটের তলায় পাওয়া গিয়েছিল।সেটা জনগণের কাছে পৌঁছায়নি। আর আমরা যতদিন বিরোধী দলে ছিলাম তখন সরকারি কোন অনুদান পাওয়ার কোন সুযোগ ছিল না। আমরা নিজ থেকে উদ্যোগ নিয়ে জনগণের পাশে দাড়ানোর চেষ্টা করেছি। এখানেই আওয়ামী লীগ ও বিএনপির রাজনীতির পার্থক্যটা বুঝে নিতে হবে।

আমরা জনগণের পাশে আছি জনগণের জন্য রাজনীতি করি যার কারণে যত বিপদ আপদ ঝড় তুফান গিয়েছে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়নি। আমরা আপনাদের পাশে ছিলাম বরং আপনারা আমাদের বিভিন্ন সময় আশ্রয় দিয়েছেন বাসা বাড়িতে। আপনাদের অধিকার নিয়ে যখন লড়াই করেছি ঠিক তখনই খুনি হাসিনা হায়না বাহিনী আমাদের উপর হামলা করেছে। আপনার আমাদের পাশে ছিলেন এবং আশ্রয় দিয়েছেন।

তরুণ প্রজন্মের একজন প্রতিনিধি হয়ে বলতে চাই আর কোন দিন যাতে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ কায়েম না হয়। সেটা যে কোন নামে বা দলের মাধ্যমে।

ইশরাক হোসেন বলেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্রটাকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র করা হয়েছিল ১৯৭১ সালে। একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র থাকবে এবং একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনা করা হবে পাঁচ বছর পর পর জনগণ ভোট দিয়ে তাদের নির্বাচিত করবে এবং সরকারে পাঠাবে তাহলে এত দুর্নীতি গুম,খুন যাই হয়েছে কোন কিছুই হত না। কারণ তখন জনগণের কাছে জবাবদিহি আওতায় থাকতে হতো। ভোটের জন্য প্রতি পাঁচ বছর পর পর জনগণের কাছে যেতে হত।

তিনি বলেন, আমরা এখন আশা রাখি আমাদের নেতা দেশনায়ক তারেক রহমান যে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়েছেন। আমাদের আন্দোলন সংগ্রামে উৎসাহ দিয়েছেন। তিনি লন্ডনে বসে থেকে অনুপ্রাণিত করেছেন সেটি দেখে কিন্তু সারা বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ অনুপ্রেরণা নিয়ে স্বৈরাচারকে বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত করেছে এবং আগামী দিনে আমাদের যে ঘোষিত ৩১ দফার কর্মসূচি সেই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা বিশ্বাস করি বাংলাদেশে গণতন্ত্র পার্মানেন্টলি প্রতিষ্ঠা পাবে এবং জনগণের কল্যাণে যা যা করনীয় সকল কিছু করা হবে।

জনগণের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় জনগণের কথা বলার অধিকার থাকে বেঁচে থাকার অধিকার থাকে আপনাদের ছেলে মেয়েরা যাতে ভালো শিক্ষা ব্যবস্থা হয় আপনাদের যাতে ভালো চিকিৎসার ব্যবস্থা হয় এই ধরনের সেবাগুলো যাতে আমরা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পারি সেটার লক্ষ্যে আগামী দিনে বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদি দল আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসলে সে কাজগুলো করা হবে ইনশাআল্লাহ।

অনুষ্ঠানটিকে সফল ও সার্থক করে তুলতে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনসমূহের যেসব নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন তারা হলেন- কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি হায়দার আলী বাবলা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল আজিম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ, ৩৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সিরাজ উদ্দিন, কোতোয়ালি থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহম্মেদ হোসেন সোবহান, কোতোয়ালি

থানা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল হাওলাদার, ৩৭ নং ওয়ার্ড যুবদলের আহবায়ক হাজী আফজাল হোসেন লিটন, সদস্য সচিব রুবেল হাওলাদার, কোতোয়ালি থানা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আকাশ মাহমুদ, কোতোয়ালি থানার ছাত্রদলের সদস্য সচিব মামুন, মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা কিরণ, কোতোয়ালি থানা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জাহিদ জামাল, কোতোয়ালি থানা কৃষক দলের সদস্য সচিব আপন, কোতোয়ালি থানা ছাত্রদলের সভাপতি দ্বীন ইসলাম প্রমুখ।

 

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৭৭

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৭৭
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৭৭

রাজনীতি

বিএনপি থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। আজ (সোমবার) বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ মার্চ ২০২৬, ২০:১৮

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। আজ (সোমবার) বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার কারণে আপনি বগুড়া জেলাধীন শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। নির্দেশক্রমে আপনার পদত্যাগপত্র গৃহীত হলো।

একই সঙ্গে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি জনাব এস এম তাজুল ইসলামকে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করেছে দল।

দলীয় সূত্র বলছে, বর্তমানে তিনি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োজিত থাকায় রাষ্ট্রীয় কাজে পূর্ণ মনোযোগ দিতেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৭৭