বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

আবাসিক সংকট থেকে লাইব্রেরি সুবিধা বৃদ্ধি, উপাচার্যের কাছে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনিযুক্ত উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন। তার যোগদানের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পেয়েছে অষ্টম উপাচার্য। তার নিয়োগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন শিক্ষার্থীরা। নবনিযুক্ত উপাচার্যকে নিয়ে নিজেদের প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা আশা করছেন, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধি এবং […]

নিউজ ডেস্ক

১৯ মে ২০২৬, ২৩:৫৯

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনিযুক্ত উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন। তার যোগদানের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পেয়েছে অষ্টম উপাচার্য। তার নিয়োগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন শিক্ষার্থীরা।

নবনিযুক্ত উপাচার্যকে নিয়ে নিজেদের প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা আশা করছেন, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ আরও সুদৃঢ় হবে।

প্রত্যাশার কথা জানিয়ে হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার প্রমি বলেন, আমার প্রত্যাশা থাকবে ক্যাম্পাসে কোনো ব্যক্তি বা সংগঠন যেন একক আধিপত্য বিস্তার না করে, সে বিষয়ে উপাচার্য যেন সজাগ দৃষ্টি রাখেন।

সবার ভালো উদ্যোগে যেন সমর্থন করেন। ক্যাম্পাসকে বহিরাগত ও অন্যান্য স্থানীয়দের বিরুপ প্রভাব মুক্ত রাখাতে ও ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীবান্ধব(ভয়-ভীতি মুক্ত) পরিবেশ বজায় রাখতে তৎপর থাকবেন। মত ও দ্বিমত প্রকাশের স্বাধীনতা প্রত্যাশী। এছাড়াও বৃক্ষনিধন বন্ধ করা ও পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন কাজ এবং অপরিকল্পিত প্রকল্প যাচাই-বাছাই করবেন।

বিশেষ প্রত্যাশা, বিশ্ববিদ্যালয়ে যে বাজেট আসে শিক্ষার্থীদের ও উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য তার হিসাব, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে সংরক্ষণ করা ও শিক্ষার্থীদের অধিকার বুঝিয়ে দেওয়া। পরিশেষে প্রত্যাশা থাকবে, ভিসি মহোদয় তাঁর প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতার সাথে আমাদের জন্য নিরাপদ ও চির-সুন্দর ক্যাম্পাস গঠনে ভূমিকা রাখবেন।

নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার জামান খান লেলিন বলেন, আর পাঁচটা সাধারণ শিক্ষার্থীর মতো আমারও খুব সাধারণ একটা চাওয়া আছে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্যের কাছে ৷ আমি চাই আমাদের ক্যাম্পাসের শিক্ষা ও গবেষণার মান বৃদ্ধির পাশাপাশি যেনো পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন যেনো করা হয়।

আমার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চাওয়াটি হলো আমাদের ক্যাম্পাসের প্রাণ-প্রকৃতির সুরক্ষা নিশ্চিত করা। আমরা আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি আমাদের ক্যাম্পাসের পরিকল্পনা বিভাগের অদূরদর্শী ও পরিবেশ বিদ্বেষী পরিকল্পনার বলি হতে হয়েছে আমাদের ক্যাম্পাসের প্রাণ ও প্রকৃতিকে এবং অতীত সকল উপাচার্যের কাছেই আমার এই বিষয়ে দাবি উত্থাপন করেছি এবং এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকরী সমাধান পাইনি।

আমি আশা করি আমাদের নবনিযুক্ত উপাচার্য এই ক্যাম্পাসের প্রাণ ও প্রকৃতিকে নিরাপত্তা দিবেন কেননা যখন আমাদের প্রাণ – প্রকৃতি থাকে হুমকির মুখে তখন আসলে শিক্ষা ও গবেষণার কথা চিন্তা করাও অবান্তর। আশা করি নবনিযুক্ত উপাচার্য মহোদয়ের মঙ্গল হোক এবং তাঁর হাত ধরে আমাদেরও মঙ্গল হোক।

চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থী আনিকা নওশিন দ্রুতি বলেন, নতুন উপাচার্যের কাছে আমাদের প্রত্যাশা হলো একটি শিক্ষার্থীবান্ধব, আধুনিক ও মানবিক বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা, যেখানে শিক্ষার মান, গবেষণা, সাংস্কৃতিক চর্চা এবং শিক্ষার্থীদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

আমরা চাই সেশনজট, আবাসন সংকট ও প্রশাসনিক জটিলতার মতো সমস্যাগুলোর কার্যকর সমাধান হোক, যাতে শিক্ষার্থীরা একটি সুন্দর ও স্বাভাবিক একাডেমিক পরিবেশ পায়। একই সঙ্গে আমরা চাই ক্যাম্পাসের সবুজ পরিবেশ রক্ষা করা হোক।

উন্নয়নের নামে নির্বিচারে গাছ কেটে ফেলা কখনোই টেকসই উন্নয়ন হতে পারে না। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয় শুধু তার ভবন নয়, তার প্রকৃতি, পুরোনো গাছ এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশও। তাই আমরা বিশ্বাস করি, পরিকল্পিত উন্নয়নের মাধ্যমে প্রকৃতি সংরক্ষণ করেও বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও আধুনিক করা সম্ভব।

আমাদের আশা, নতুন উপাচার্য নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়কে এমন একটি ক্যাম্পাসে পরিণত করবেন, যেখানে শিক্ষা, মানবিকতা ও পরিবেশ সবকিছুর মধ্যে সুন্দর ভারসাম্য থাকবে।

আইন ও বিচার বিভাগ শিক্ষার্থী শোভন সরকার উপাচার্যকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, আমরা আশা করি নতুন উপাচার্যের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা, গবেষণা ও অবকাঠামোতে আরও এগিয়ে যাবে। তার নেতৃত্বে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন ও ফার্মেসির মতো বিভাগ চালু, গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক জার্নালে অ্যাক্সেস, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি ও ক্যাম্পাসজুড়ে ফ্রি ওয়াইফাই নিশ্চিত হবে। পাশাপাশি নবনির্মিত হল ও টিএসসি দ্রুত চালু এবং ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় থাকবে।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থী জান্নাতুন ফেরদৌস রোমা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে, বিশেষত নারী শিক্ষার্থী হিসেবে সদ্য যোগদানকৃত উপাচার্যের নিকট নারী শিক্ষার্থীদের আবাসন ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ক্যাম্পাসে যেকোনো ধরনের অরাজকতা ও বহিরাগতদের উপদ্রোব রোধে তৎপর ভূমিকা প্রত্যাশা করি। এছাড়া আশা রাখছি হল সংকট ও লাইব্রেরি সেবা আধুনিকায়নের বিষয়টিও উপাচার্য মহোদয় সুনজরে নিবেন।

কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী রাহুল বলেন, আমরা প্রত্যাশা রাখি নতুন উপাচার্য একজন সত্যিকারের শিক্ষার্থীবান্ধব উপাচার্য হবেন, যিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও সমস্যাকে গুরুত্ব দেবেন। যার নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন আরও এগিয়ে যাবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।