রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

‘কান্ডজ্ঞানহীন মন্তব্য’, ফেসবুকে তোপের মুখে জয়

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল গাজী টিভির এক নারী সংবাদকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। বুধবার সকাল ১০টার দিকে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে জয় লিখেছেন, ‘গাজী টিভির নিউজরুম এডিটর রাহানুমা সারাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। ঢাকার হাতিরঝিল লেক থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। বাংলাদেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর এটি আরেকটি […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ আগস্ট ২০২৪, ১৬:৫৫

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল গাজী টিভির এক নারী সংবাদকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে জয় লিখেছেন, ‘গাজী টিভির নিউজরুম এডিটর রাহানুমা সারাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। ঢাকার হাতিরঝিল লেক থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। বাংলাদেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর এটি আরেকটি নৃশংস আঘাত। গাজী টিভি ধর্মনিরপেক্ষ সংবাদ চ্যানেল, যার মালিক গোলাম দস্তগীর গাজী। যিনি সম্প্রতি গ্রেফতার হয়েছেন’।

পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধান বলছে, এটি পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যা। আর গাজী টিভির হেড অব নিউজ ইকবাল করিম নিশান ফেসবুকে লিখেছেন, রাহানুমার স্বামী সায়েদ শুভ্রর ভাষ্য মতে এটি আত্মহত্যা। একইসঙ্গে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে না পাওয়ার আগে রাহনুমার মৃত্যু নিয়ে ভুল তথ্য না ছড়ানোর অনুরোধও করেন তিনি।

কিন্তু সজীব ওয়াজেদ জয় দাবি করেছেন, দেশে বিদ্যমান শাসনব্যবস্থায় মতপ্রকাশের স্বাধীনতার উপর হামলার কারণেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে।

এমন মন্তব্যে জয়কে একহাত নিয়েছেন নেটিজেনরা। অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারী ওই পোস্টের মন্তব্যে প্রশ্ন তুলেছেন জয়ের কান্ডজ্ঞান নিয়ে। কেউ কেউ করছেন হাসি-ঠাট্টা-মজা।

সিনিয়র সাংবাদিক আনিস আলমগীর জয়ের পোস্ট শেয়ার করে লিখেছেন, ‘গাজী টেলিভিশনের একজন নারী সাংবাদিক এবং এক্টিভিস্ট গতরাতে আত্মহত্যা করেছেন বলে অনুমান করছেন তার বন্ধুবান্ধব, তাকে যারা চেনে সবাই। হাতিরঝিল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এদিকে বঙ্গবন্ধুর নাতি সজীব ওয়াজেদ জয় আবিষ্কার করেছেন ‘‘এটা মত প্রকাশের স্বাধীনতার উপর আরেকটা আঘাত’’। ’

জয়ের পোস্টে নির্মাতা আশফাক নিপুন লিখেছেন, ‘আপনার দলের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের জন্য মৃত ব্যক্তির বা তার মৃত্যুকে হাতিয়ার না করে দয়া করে তাকে সম্মান করুন। এটি এমন কিছু যা আপনি ডিজিটালভাবে শিখতে পারবেন না, এটি পরিবারের লালন-পালন থেকে আসে। কিছুটা সম্মান দেখাতে শিখুন’।

ফখরুল ইসলাম নামে আরেক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘গুজরের ডিজিটাল প্রচার সম্পাদক আপনি’।

মো. রেজভী নামে একজন লিখেছেন, ‘আপনার লজ্জা থাকা উচিৎ। এতকিছুর পরও আপনারা মিথ্যাচার ছাড়েননি’।

সরকার পতনের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর বিচ্ছিন্ন হামলাকে কেন্দ্র করে অন্তবর্তীকালীন সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চেষ্টা চালান সজীব ওয়াজেদ জয়। সেখানে আরো বিতর্ক উসকে দেয় ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের গুজব। তবে দেশের সাধারণ মানুষের সামাজিক দৃঢ় বন্ধনে সেটা আর হালে পানি পায়নি। এখন নারী সংবাদকর্মীর মৃত্যুকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন তারই চেষ্টা মনে করছেন অনেকে।

ছাত্র-জনতার প্রাণঘাতি গণআন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট দেশত্যাগ করে ভারতে পালিয়েছেন শেখ হাসিনা। এরপরই দল এবং পরিবারের মুখপাত্র হিসেবে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে শুরু করেন হাসিনাপুত্র জয়। যার বেশিরভাগই ভারতীয়।

এই সংবাদমাধ্যমগুলো একপাক্ষিক এবং পক্ষপাতমূলকভাবে আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনাকে অনুকম্পা দেখায়। যেখানে গত জুলাই এবং আগস্টের প্রথম সপ্তাহ জুড়ে পুলিশের নির্বিচার গুলিবর্ষণ, কঠিন বলপ্রয়োগ, সরকারের একনায়ক মনোভাব নিয়ে কোনো প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়নি তাকে।

জয় এসব সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক গণআন্দোলনকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন। আন্দোলনকারীদের ‘জঙ্গি’ তকমাও দিয়েছেন তিনি। এমনকি এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশে দ্রুত নির্বাচনে দাবিতে ভারতের হস্তক্ষেপও কামনা করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর এই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪০১

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪০১
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪০১

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪০১