সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

হাসিনার মতো এমন পতন পৃথিবীর কোনো সরকারের হয়নি: ফজলুর রহমান

কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান বলেছেন, শেখ হাসিনা সরকারের মতো এমন পতন পৃথিবীর কোনো সরকারের হয়নি। যে শাসক রক্তের সাগরে সিংহাসন স্থাপন করে রাজত্ব করতে চায়, তার সেই সিংহাসন রক্তের সাগরে ডুবে যায়। শেখ হাসিনাও তাই হয়েছে। বিএনপির এই প্রবীণ নেতা বলেন, শেখ হাসিনা যখন হাজার হাজার মানুষকে […]

হাসিনার মতো এমন পতন পৃথিবীর কোনো সরকারের হয়নি: ফজলুর রহমান

অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান

নিউজ ডেস্ক

১৭ আগস্ট ২০২৪, ১৫:৪৫

কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান বলেছেন, শেখ হাসিনা সরকারের মতো এমন পতন পৃথিবীর কোনো সরকারের হয়নি। যে শাসক রক্তের সাগরে সিংহাসন স্থাপন করে রাজত্ব করতে চায়, তার সেই সিংহাসন রক্তের সাগরে ডুবে যায়। শেখ হাসিনাও তাই হয়েছে।

বিএনপির এই প্রবীণ নেতা বলেন, শেখ হাসিনা যখন হাজার হাজার মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করেছে। জেল-জুলুম দিয়েছে, তখন আমি বলেছিলাম, শেখ হাসিনা আপনার মত একজন মানুষ চলে যাবেন, মরে যাবেন এটা বড় কথা নয়; কিন্তু সবচেয়ে দুর্ভাগ্যের কথা হলো, আপনি আপনার মহান পিতা নিয়ে ডুববেন। ৭৫ বছরের পুরোনো দল আওয়ামী লীগকে ডোবাবেন।

ফজলুর রহমান বলেন, সেনাবাহিনীর প্রধানের কৃপায় কোনো রকমে সেদিন প্রাণ নিয়ে হেলিকপ্টার করে দিল্লিতে আশ্রয় নিয়েছেন শেখ হাসিনা। আমি ভেবেছিলাম এ ঘটনার পর আপনার হয়ত শেখ হাসিনার শুভবুদ্ধির উদয় হবে। কিন্তু সেটা হয়নি। এখন উনি দিল্লিতে বসে দেশকে ডুবানোর চেষ্টা করছেন। আবারও দিল্লির হাতে এদেশকে তুলে দিতে চাচ্ছেন। অথচ এই দিল্লি দীর্ঘদিন ধরে হাসিনা কাঁধে ভর করে বাংলাদেশকে একটি সাব-অর্ডিনেট কান্ট্রিতে পরিণত করে রেখেছে। আবার সেই দিল্লির ক্রীড়নক হয়ে শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদেরা ক্ষমতায় বসার দুঃস্বপ্ন দেখছেন।

সাবেক এই এমপি বলেন, যে আন্তর্জাতিক আদালতে অন্যদের বিচার করা হয়েছিল, আজ সেই আদালতে গণহত্যার দায়ে শেখ হাসিনাসহ অন্যদের বিচার করা হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের দেশ, সেই মুক্তিযুদ্ধ যখন বৃথা হতে বসেছিল তখন এ দেশের সন্তানরা আবার দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত করেছে। বুক চিতিয়ে গুলির সামনে দাঁড়িয়ে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে এ বিজয় ছিনিয়ে এনেছে। এই যুদ্ধে যারাই রক্ত দিয়েছে তারাই হলো প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা, যারা শহীদ হয়েছে তারা হলো এ জাতির বীরশ্রেষ্ঠ। এখনও অনেক বীর শ্রেষ্ঠ বেঁচে আছেন। তারা শেখ হাসিনা এ স্বপ্নকে দুঃস্বপ্নে পরিণত করবেন।

ভারতকে উদ্দেশে তিনি বলেন, মালদ্বীপের ৫ কোটি মানুষের দাবির মুখে ভারতীয় সেনারা ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছে। আর আমরা তো ১৮ কোটি। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিন; বাঙালি জাতি কখনই দিল্লির অধীনতা মানেনি। এখনও নেবে না।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে অনুরোধ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, বিনা অপরাধে যেন কাউকে সাজা দেওয়া না হয়। আবার যারা অপরাধ করেছে বলে ধরা পড়বে তাদেরকেও যেন আইনে বাহিরে বিচার না হয়।

দেশের মানুষের প্রতি আহ্বান রেখে ফজলুর রহমান বলেন, দেশ এখন নতুন দিকে যাত্রা শুরু করেছে। প্রশাসন, বিচার বিভাগসহ অন্যন্যা সক বিভাগ থেকে চোর, দুর্নীতিবাজ, দলদাসদের বের করে ফ্রেশ একটা অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ও ফ্রেশ একটা রাজনীতি আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। আপনার তার পক্ষে আসুন। আমাদের আর পেছনে ফিরে তাকানোর সময় নেই।

 

 

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৪

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৪

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩