বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি প্রকাশ্যে কিংবা পাথর নিক্ষেপের মাধ্যমে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পক্ষে অবস্থান নেয় না। শরিয়া আইনের রাজনীতি করলেও তারা সেই আইন বাস্তবায়নের প্রশ্নে দূরত্ব বজায় রাখছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন রাশেদ খান। মিরপুরে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি লেখেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ছিল আসামিদের গ্রেফতার করা এবং তা ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। এরপর তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেন তিনি।
পোস্টে তিনি আরও বলেন, আইনমন্ত্রী সাত দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশনার কথা জানিয়েছেন এবং প্রধানমন্ত্রীও দ্রুত বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন।
ধর্ষণের শাস্তি নিয়ে চলমান আলোচনা প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, অনেকেই প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবি তুলছেন। জনগণের মতামত থাকলে রাষ্ট্রে বিভিন্ন ধরনের আইন প্রণয়ন সম্ভব বলেও উল্লেখ করেন তিনি। একইসঙ্গে শরিয়া আইনে ধর্ষকের শাস্তির প্রসঙ্গ টেনে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির অবস্থান জানতে চান।
তিনি লেখেন, যদি তারা প্রকাশ্যে বা পাথর নিক্ষেপের মাধ্যমে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর চায়, তাহলে বিবৃতি বা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তা স্পষ্ট করা উচিত। এ বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি হলে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাশেদ খানের দাবি, জামায়াত ও এনসিপি এমন শাস্তির পক্ষে অবস্থান নেয় না, অথচ সব দায় বিএনপির ওপর চাপানো হচ্ছে।
পোস্টের শেষাংশে তিনি বলেন, যারা শরিয়া আইনের রাজনীতি করেও শরিয়া আইন বাস্তবায়ন থেকে দূরে থাকতে চায়, তারা প্রকৃত ইসলামিক দল হতে পারে না।a