মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আমরা ভালো হয়ে গেলে দেশও ভালো হয়ে যাবে : শফিকুর রহমান

মহান জাতীয় সংসদে একে-অন্যকে দোষারোপ না করে সবাইকে গঠনমূলক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, আমরা ভালো হয়ে গেলে দেশও ভালো হয়ে যাবে। বুধবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর আলোচনা করতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ের নোটিশের ভিত্তিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি […]

আমরা ভালো হয়ে গেলে দেশও ভালো হয়ে যাবে : শফিকুর রহমান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৩:৩৮

মহান জাতীয় সংসদে একে-অন্যকে দোষারোপ না করে সবাইকে গঠনমূলক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, আমরা ভালো হয়ে গেলে দেশও ভালো হয়ে যাবে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর আলোচনা করতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ের নোটিশের ভিত্তিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বৈশ্বিক অস্থিরতা ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সরকার সতর্ক, দায়িত্বশীল ও দূরদর্শী পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সক্ষম হয়েছে।

সংক্ষিপ্ত আলোচনায় (বিধি-৬৮) অংশ নিয়ে তিনি আরও বলেন, সরকার গঠনের সময় দেশে জ্বালানি তেলের মজুত ছিল মাত্র সাত দিনের। এ অবস্থায় ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরু হলে হরমুজ প্রণালি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

শফিকুর রহমান জ্বালানি প্রতিমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সেদিন তিনি আমাকে চাচা ডেকেছিলেন; জানি না আমার বয়স তত কিনা। আমি যশোরে তাকে বুকে টেনে নিয়েছিলাম; আর তিনি যর্থাথই স্মরণ রেখেন- যশোরের ডাব থেকে পানি বের করেই পানি পান করিয়েছিলাম। আমি ঢাকা থেকে নেইনি ওটা। আলহামদুলিল্লাহ তিনি যে মনে রেখেছেন তার জন্য ধন্যবাদ।

তিনি বলেন, প্রতিমন্ত্রী খুবেই পজিটিভ মনে আজ কথা বলেছেন। আমি মনে করি একটি বাস্তবসম্মত একটি বক্তব্য রেখেছেন। শুধু এক জায়গায় হালকা একটু সুই হাতে নিয়েছিলেন। তিনি লজ্জা পেয়েছেন তাই সে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাই না। চালাক লোকেরা একটা কঠিন গালি দেওয়ার পরে বলেন- আমি গালি দেওয়া পছন্দ করি না। যেটা আমি পছন্দই করি না সেটা আমি করবই না।

তিনি আরও বলেন, এ সংসদে আমি প্রথমদিনই অনুরোধ করেছিলাম- আসুন আমরা জনকল্যাণে কথা বলি। আমরা পরস্পরকে দোষারোপ না করি- কিন্তু এটা বন্ধ হয়নি। মনে হয় মাত্রা কিছুটা কমে এসেছে। মানে আট মাত্রার ভূমিকম্প না; চার/পাঁচ মাত্রায় এখনো কাঁপচ্ছে। এগুলো বন্ধ হওয়া উচিত। আমরা গঠনমূলক হই। সরকারি দলও গঠনমূলক হোক; আমরাও গঠনমূলক হই। সেইভাবে বিষয়গুলো রিজলভ করি এবং আমরা পারব- কেন পারব না। দুনিয়ার অনেক দেশই তো পারে আমরা কেনা পারব না। আমরা পারার কালচারে যেতে চাই; না পারার কালচারে থাকতে চাই না।

তিনি বলেন, এটা একটা ক্রাইসিস (জ্বালানি সংকট)। আমরা আগেই বলেছি এটা আমাদের সরকারের তৈরি না। কিন্তু ডিমান্ড ব্যবস্থাপনা বেশ কিছু সমস্যা হয়েছে। এ জায়গায় আমরা যদি মুক্ত মন নিয়ে বসতে পারতাম; কথা বলতে পারতাম; যদি কমন প্লাটফর্ম থেকে অ্যাড্রস করতে পারতাম তাহলে মানুষ একটা আস্থার স্থান খুঁজে পেত। আমরা বাস্তবধর্মী অ্যাড্রেস করতাম।

‘কিছু অসৎ লোক সব সময় সুবিধা নেয়’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, যখন ক্রাইসিস পরিস্থিত আসে- ওরা সুযোগের অপেক্ষায় ওত পেতে বসে থাকে। আমি বলল- সেই লোক আমি হলেও আমাকে ছাড় দেবেন না। জাতির স্বার্থে আমি হলেও আমাকে ধরুন। বরং সাধারণ মানুষের চেয়ে আমাকে আরও বেশি করে এক্সপোজ করে দেন। যারা অসৎ তারা কোনো দলের হতে পারে না। এরা দলের সুবিধা নেয়। দল যদি বিপদে পরে ও সবার আগে পালাবে। এ ধরনের সুযোগ সন্ধানীদের কোনো সুযোগ দেওয়া উচিত না।

তিনি বলেন, এ হাউসে বসে আমরা যে ধরনের কথা বলব তা এই প্যারাডাইমের ভেতরে থাকবে না। গোটা দুনিয়ায় চলে যাচ্ছে এটা। তাই কথার মধ্যে ‘ভার’ থাকতে হবে। কথাগুলো সত্য হতে হবে। দায়িত্ব নিয়ে কথা বলতে হবে- আজ একটা বললাম কাল একটা বললাম; তাহলে জনগণ আমাদের কথা বিশ্বাস করবে না। একই বিষয়ের উপর কথার ধারাবাহিকতা থাকে এবং ময়দানে যে তার প্রয়োগ থাকে। এই দুইটা যখন জনগণ খুঁজে পাবে- তখন আমাদের কোনো স্টেটমেন্ট লাগবে না।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৫০

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৫০
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৫০

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৫০