শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

হাদির খুনিদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত রাজপথ ছেড়ে আমরা যাব না : হাদির ভাই ওমর

শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির খুনিদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বে না বলে সাফ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁর বড় ভাই শরিফ ওমর বিন হাদি। মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত ‘শহীদি শপথ’ অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, খুনিদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে—পিছু হটার কোনো প্রশ্ন নেই। শহীদ হাদির খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার, ৩০ […]

হাদির খুনিদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত রাজপথ ছেড়ে আমরা যাব না : হাদির ভাই ওমর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:০৬

শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির খুনিদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বে না বলে সাফ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁর বড় ভাই শরিফ ওমর বিন হাদি। মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত ‘শহীদি শপথ’ অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, খুনিদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে—পিছু হটার কোনো প্রশ্ন নেই।

শহীদ হাদির খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার, ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার নিশ্চিত করা এবং কাঙ্ক্ষিত ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার দাবিতে এই ‘শহীদি শপথ’ কর্মসূচির আয়োজন করে ইনকিলাব মঞ্চ। উল্লেখ্য, সংগঠনটির আহ্বায়ক ছিলেন শহীদ ওসমান হাদি।

ওমর বিন হাদি বলেন, শহীদ হওয়ার ছয় দিন পেরিয়ে গেলেও সরকার এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখাতে পারেনি। সরকারের কাছে একটাই দাবি—শহীদ ওসমান হাদির পুরো খুনি চক্রকে অবিলম্বে জাতির সামনে হাজির করতে হবে।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ওসমান হাদি কোনো ‘এজেন্সির’ কাছে মাথা নত করেননি। যে এজেন্সি বা যে রাষ্ট্রের হয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে—তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, হাদি কখনো কোনো তাঁবেদারের কাছে মাথা নত করেনি। মাথা নত করলে সে অন্য অনেক বিক্রি হওয়া নেতার মতো নিরাপদ আরামি জীবন বেছে নিতে পারত—কিন্তু করেনি।

ওমর বিন হাদি বলেন, ওসমান হাদি বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষকে দেখিয়ে গেছে কীভাবে রাজপথে দাঁড়িয়ে আন্দোলন করতে হয়, কীভাবে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হয়, কীভাবে এজেন্সির রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে জনতার নেতা হয়ে উঠতে হয়। তিনি প্রমাণ করে গেছেন—জীবিত ওসমান হাদির চেয়ে শহীদ ওসমান হাদি আজ আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে এসেছে।

সরকার এই হত্যার দায় এড়াতে পারে না—এ কথা স্পষ্ট করে ওমর বিন হাদি বলেন, রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকার সময়েই ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে। এই দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। আজ হোক বা দশ বছর পরে—বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতেই হবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, যদি মনে করেন দুই মাস পর ক্ষমতা ছেড়ে বিদেশে চলে যাবেন—তাহলে ভুল করছেন। এই দেশের জনতা আপনাদের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবেই। দ্রুত খুনিদের সামনে হাজির করুন, নির্বাচন যেন বিঘ্নিত না হয়—খুনিদের বিচার করুন। আপনারাই হাদিকে হত্যা করিয়েছেন, আবার সেই হত্যাকাণ্ডকে ইস্যু করে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছেন—এটা কোনোভাবেই হতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, ওসমান হাদি স্পষ্ট করে বলেছিল ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হতেই হবে এবং সেই লক্ষ্যেই সে মাঠে নেমেছিল। তাকেই হত্যা করে পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা চলছে।

শহীদি শপথ শেষে জনতার উদ্দেশে ওমর বিন হাদি বলেন, পরবর্তী কর্মসূচির ঘোষণার জন্য সবাই প্রস্তুত থাকুন। খুনিদের গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়ব না—ইনশা আল্লাহ।

কর্মসূচি শেষে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ২৪ ও ২৫ ডিসেম্বর শহীদ ওসমান হাদিকে নিয়ে দেয়াললিখন ও গ্রাফিতি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর সংগ্রাম বিশ্বব্যাপী তুলে ধরার কর্মসূচি থাকবে। ২৬ ডিসেম্বরের কর্মসূচি পরে ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মায়ের গলিত লাশ উদ্ধার, মুখ খুললেন বুয়েট অধ্যাপক ছেলে: আমার মা সিজোফ্রেনিয়ার রোগে আক্রান্ত

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ১১:১৯

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই দাবি করেন।

৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ গত ৩১ মে রাতে উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি মেয়ে ফাতিমা নাসরীন সুলতানার সঙ্গে বসবাস করতেন। মরদেহ উদ্ধারের পর বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বৃদ্ধার এক ছেলে মোংলা স্থলবন্দরের যুগ্ম সচিব। আরেক ছেলে বুয়েটের শিক্ষক। তারা মায়ের কাছে থাকতেন না।

নিহতের ছেলে বুয়েটের অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান বলেন, মায়ের মৃত্যুতে পরিবার এমনিতেই মানসিক আঘাতের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার তাদের আরও বিপর্যস্ত করে তুলেছে। মায়ের অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে দীর্ঘ সময় মা তার সঙ্গেই ছিলেন। করোনাকালেও তিনি মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ২০২৪ সাল থেকে মা তার মেয়ের সঙ্গে থাকছিলেন।

তিনি জানান, তাদের বাবা মো. আবুল কাশেম ২০০৮ সালে মারা যান। ২০১৭ সালে ফাতিমা নাসরীনের স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি একাই মায়ের দেখাশোনা করছিলেন। ফাতিমা নাসরীনের কোনো সন্তান নেই। তার মায়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহপ্রবণতা ছিল, যা সিজোফ্রেনিয়ার উপসর্গের সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে।

একইভাবে স্বামী হারানোর পর তার বোনও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে তিনি মনে করেন। তবে তাদের কাউকেই কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের কাছে নেওয়া হয়নি।

বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সম্পর্কে আশিকুর রহমান বলেন, তার বোন বাইরের গৃহকর্মী রাখতে চাইতেন না। তিনি নিজে কয়েকবার সহায়তার চেষ্টা করলেও তা স্থায়ী হয়নি। এছাড়া মাও অন্যের হস্তক্ষেপ পছন্দ করতেন না। ঘটনার দিন, ৩১ মে বিকেলে ফাতিমা নাসরীন ফোন করে জানান, মায়ের কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর নার্স ডাকা, পুলিশকে অবহিত করা এবং পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয় বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে নূর জাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার প্রক্রিয়ার সময় উপস্থিত থাকা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামছুর রহমান জানান, জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে গিয়ে তিনি বাসাটিকে বসবাসের অনুপযোগী অবস্থায় দেখতে পান। তার দাবি, মরদেহের ডান চোখ ও পিঠে পোকা ছিল। তবে আশিকুর রহমান এ দাবি অস্বীকার করেছেন।

এদিকে পচনধরা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মায়ের প্রতি অবহেলার দায়ে ছেলে যুগ্ম সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, আনিসুর রহমানকে পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বশির জানান, বৃদ্ধা তার মেয়ের বাড়িতে থাকতেন। একটি কক্ষে মা ও আরেকটি কক্ষে মেয়ে। রোববার বৃদ্ধার মেয়ে তাকে ডাকতে যান। সাড়া না পেয়ে তিনি একজন নার্সকে ডেকে আনেন।

তিনি ভেবেছিলেন, মা হয়তো অসুস্থ। পরে ওই নার্স রুমে ঢুকে দেখতে পান, বৃদ্ধা মারা গেছেন এবং শরীরে পচন ধরে মাংস খুলে বিছানায় পড়ে আছে। নার্স তাৎক্ষণিক বাইরে এসে লোকজনকে জানান। স্থানীয়রা ৯৯৯-এ কল দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

তিনি আরও জানান, বৃদ্ধার মেয়েকে দেখে কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। মা ঘরে মরে পচে আছে, অথচ নাকে কোনো গন্ধ পাননি তিনি। বিষয়টি পুলিশকে ভাবিয়ে তুলছে। ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।