বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

যেসব সীমান্তে জনবসতি নেই, এমন জায়গাগুলো টার্গেট করে পুশ-ইন করছে ভারত : বিজিবি মহাপরিচালক

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী অভিযোগ করেছেন, ভারত সুপরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশি নাগরিকদের নাম ব্যবহার করে রোহিঙ্গাসহ শত শত মানুষকে বাংলাদেশের বিভিন্ন সীমান্তে পুশ-ইন করছে। এ ঘটনাকে তিনি “ন্যক্কারজনক” এবং “মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল” বলে উল্লেখ করেছেন। সোমবার (১২ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের […]

যেসব সীমান্তে জনবসতি নেই, এমন জায়গাগুলো টার্গেট করে পুশ-ইন করছে ভারত : বিজিবি মহাপরিচালক

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৫, ১১:৪৩

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী অভিযোগ করেছেন, ভারত সুপরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশি নাগরিকদের নাম ব্যবহার করে রোহিঙ্গাসহ শত শত মানুষকে বাংলাদেশের বিভিন্ন সীমান্তে পুশ-ইন করছে। এ ঘটনাকে তিনি “ন্যক্কারজনক” এবং “মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল” বলে উল্লেখ করেছেন।

সোমবার (১২ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বিজিবি মহাপরিচালক জানান, পুশ-ইনের জন্য ভারত এমন সব সীমান্ত অঞ্চল বেছে নিচ্ছে, যেখানে জনবসতি নেই এবং টহল পৌঁছাতে সময় লাগে। খাগড়াছড়ির পানছড়ি ও কুড়িগ্রামের রৌমারির চরাঞ্চলের মতো প্রত্যন্ত এলাকাগুলোকে পুশ-ইনের জন্য টার্গেট করা হচ্ছে।

এসব এলাকা দিয়ে এরই মধ্যে শতাধিক মানুষকে পুশ-ইন করা হয়েছে। এ পর্যন্ত বিজিবি ২০২ জনকে হেফাজতে নিয়েছে, যাদের মধ্যে ৩৯ জন রোহিঙ্গা।

তিনি আরও জানান, স্থলসীমান্তে বিজিবির কড়া নজরদারির কারণে এবার ভারত সুন্দরবনের দিক দিয়ে রিমোট চর মান্দারবাড়িতে ভারতীয় একটি জাহাজের মাধ্যমে ৭৮ জনকে ফেলে গেছে। পরে কোস্টগার্ড তাদের উদ্ধার করে। এদের নিজ নিজ এলাকায় পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

মেজর জেনারেল আশরাফুজ্জামান বলেন, গত ৭ ও ৮ মে রাতের বেলায় বিএসএফ সীমান্তের বিভিন্ন জনবসতিহীন কর্নারে পুশ-ইন করেছে। বিজিবির হেফাজতে নেওয়া ২০২ জনের মধ্যে অনেকেই ২-৩ বছর থেকে শুরু করে ২০-২৫ বছর আগে নানা কাজে ভারতে গিয়েছিলেন।

সেখানে তাদের সন্তানও জন্মেছে এবং অনেকেই ভারতের আধার কার্ড বা অন্যান্য ডকুমেন্ট পেয়েছিলেন। কিন্তু এসব ডকুমেন্ট রেখে দিয়ে ভারত তাদের বাংলাদেশে পুশ-ইন করছে।

এছাড়া যেসব রোহিঙ্গা পাওয়া গেছে, তাদের মধ্যে কেউ কেউ পূর্বে বাংলাদেশে রেজিস্ট্রার্ড ছিল এবং পরে পালিয়ে ভারতে গিয়েছিল। তাদেরকে পুনরায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাঠানো হয়েছে। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, কিছু রোহিঙ্গা ভারতের ইউএনএইচসিআর কর্তৃক নিবন্ধিত এবং আইডি কার্ডধারী।

এসব রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া মানবাধিকার লঙ্ঘনের সমান বলে মন্তব্য করেন বিজিবি প্রধান।

তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে বিজিবি ইতোমধ্যে ফ্ল্যাগ মিটিং করেছে এবং প্রতিবাদলিপি দিয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ করা হয়েছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, যদি কেউ প্রকৃত বাংলাদেশি হয়, তাহলে নিয়মিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে দেশে ফেরত আনা যেতে পারে। কিন্তু লুকিয়ে, কৌশলে পুশ-ইনের কোনো সুযোগ নেই।

বিজিবি মহাপরিচালক আরও জানান, খাগড়াছড়ি সীমান্তের ওপারে আরও দুই থেকে তিন শতাধিক শরণার্থীকে রাখা হয়েছে, যাদের সুযোগ পেলে বিএসএফ বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করছে। তবে বিজিবির টহল জোরদার এবং সতর্ক নজরদারির ফলে গত কয়েকদিন ধরে সে চেষ্টা সফল হয়নি। তবে তারা এখনও সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করছে বলে জানান তিনি।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।