শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক আজ

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করতে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। আগামী সোমবার (১৭ মার্চ) তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। রোববার (১৬ মার্চ) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য […]

পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক আজ

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৭ মার্চ ২০২৫, ১১:১০

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করতে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। আগামী সোমবার (১৭ মার্চ) তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। রোববার (১৬ মার্চ) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশের বিভিন্ন স্তরের ১২৭ জন শীর্ষ কর্মকর্তা এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। এতে দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে এবং প্রধান উপদেষ্টা প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেবেন।

পুলিশ সদর দপ্তরের সূত্র জানায়, এই বৈঠকে দেশের সব জেলা পুলিশ সুপার (এসপি), রেঞ্জ ডিআইজি (উপ-মহাপরিদর্শক), সব মহানগর পুলিশ কমিশনার, পুলিশ সদর দপ্তরের তিনজন ডিআইজি, সব অতিরিক্ত আইজিপি ও আইজিপি উপস্থিত থাকবেন। এটি হবে ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে পুলিশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক। ধারণা করা হচ্ছে, প্রধান উপদেষ্টা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা কী হওয়া উচিত, তা নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেবেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, বিচারপ্রক্রিয়ায় পুলিশের ভূমিকা, সন্ত্রাস দমন, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বৈঠকে স্থান পাবে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে এই বৈঠকের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ বৈঠকের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকার পুলিশের ভূমিকা আরও কার্যকর ও স্বচ্ছ করার পরিকল্পনা নিতে পারে। ৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে, যার মধ্যে রাজনৈতিক সহিংসতা প্রতিরোধ, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পুলিশ বাহিনীর দায়িত্বশীলতা বাড়ানোর বিষয়টি অগ্রাধিকার পেয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রধান উপদেষ্টা বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বাহিনীকে কঠোর বার্তা দেবেন এবং জনবান্ধব ও নিরপেক্ষ প্রশাসন গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করবেন। সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা, বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের বিক্ষোভ, সহিংসতা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাওয়ায় পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পুলিশ বাহিনীকে আরও শৃঙ্খলাবদ্ধ, দুর্নীতিমুক্ত ও পেশাদার করার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিতে পারেন প্রধান উপদেষ্টা।

নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে, অতীতে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তাই প্রধান উপদেষ্টা কী ধরনের নির্দেশনা দেবেন, সেটি নিয়ে রাজনৈতিক মহলসহ সাধারণ জনগণেরও কৌতূহল রয়েছে। পুলিশের মধ্যে কোনও দুর্নীতি, অপব্যবহার বা ক্ষমতার অপপ্রয়োগ যেন না হয়, সেটি নিশ্চিত করতে চায় সরকার।

এ বৈঠকে আরও আলোচনা হতে পারে পুলিশের দায়িত্বশীলতা, দ্রুত বিচার ব্যবস্থা চালু করা, মিথ্যা মামলা ও হয়রানি বন্ধ করা এবং জনগণের সঙ্গে পুলিশের সুসম্পর্ক গড়ে তোলা নিয়ে। ইতোমধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন নীতিমালায় পুলিশের কার্যক্রম আরও জবাবদিহিমূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে, যা এই বৈঠকে আরও পরিষ্কার হতে পারে। পুলিশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা কীভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটাতে পারেন এবং কীভাবে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে পারেন, সে বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে নির্দেশনা দেওয়া হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ বৈঠকের পরপরই প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা ও পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করা হতে পারে। বিশেষ করে, দেশের বিভিন্ন জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সে বিষয়ে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পুলিশের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে সরকার কী ধরনের সংস্কার পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে, সেটিও বৈঠকের মাধ্যমে স্পষ্ট হতে পারে। ৫ আগস্টের পর নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাই প্রধান উপদেষ্টা কী বার্তা দেবেন, সেটি দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে।

এ বৈঠককে ঘিরে দেশের রাজনৈতিক মহল, আইনশৃঙ্খলা বিশ্লেষক ও সাধারণ জনগণের গভীর দৃষ্টি রয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা কী বার্তা দেবেন, পুলিশ প্রশাসনে কী পরিবর্তন আসবে, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে বৈঠকের পরই। এটি বাংলাদেশ পুলিশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।