শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

চীনের সৌর প্যানেল জায়ান্ট ‘লংগি’ বাংলাদেশে বিনিয়োগ করবে : চীনা রাষ্ট্রদূত

বিশ্বের বৃহত্তম সৌর প্যানেল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘লংগি’ বাংলাদেশে অফিস স্থাপন এবং সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আমন্ত্রণে গত ডিসেম্বর মাসে চীনের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি সৌর প্যানেল নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশ সফর করেন। সেসময় তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা খতিয়ে […]

চীনের সৌর প্যানেল জায়ান্ট ‘লংগি’ বাংলাদেশে বিনিয়োগ করবে : চীনা রাষ্ট্রদূত

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৭ মার্চ ২০২৫, ০১:১২

বিশ্বের বৃহত্তম সৌর প্যানেল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘লংগি’ বাংলাদেশে অফিস স্থাপন এবং সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আমন্ত্রণে গত ডিসেম্বর মাসে চীনের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি সৌর প্যানেল নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশ সফর করেন। সেসময় তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখেন।

বাংলাদেশকে ম্যানুফ্যাকচারিং হাব (উৎপাদন কেন্দ্র) গড়ে তোলার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অধ্যাপক ইউনূস চীনা কোম্পানিগুলোকে তাদের উৎপাদন কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তরের আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানান, বাংলাদেশ সফরকারী কোম্পানিগুলোর মধ্যে অন্তত দুটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে তাদের অফিস ও কারখানা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যার মধ্যে লংগিও রয়েছে।

আজ রোববার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইউনূসের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সাক্ষাৎ করেন।

এসময় রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘চীনা কোম্পানি দুটি খুব শিগগিরই বাংলাদেশে বিনিয়োগ করবে।’

ইয়াও ওয়েন বলেন, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী শাসনের পতনের পর থেকে চীনা কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগকারী হয়ে উঠেছে। 

তিনি জানান, বর্তমানে বহু চীনা কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছে এবং শিগগিরই একটি বিশেষ চীনা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল চালু হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টার আসন্ন চীন সফর হবে দুই দেশের ৫০ বছরের দীর্ঘ সম্পর্কের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সফর। বাংলাদেশ ও চীন ‘বিশ্বস্ত’ এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে তাদের সম্পর্ক আরও গভীর করতে চলেছে।

অধ্যাপক ইউনূস আরও বেশি চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে স্বাগত জানান এবং বলেন, ‘যেসব কোম্পানি পশ্চিমা দেশে পণ্য রপ্তানি করতে চায়, তাদের জন্য বাংলাদেশ শীর্ষস্থানীয় উৎপাদন কেন্দ্র হতে পারে।’

তিনি চীনা হাসপাতাল চেইনগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা এখানে উন্নতমানের ক্লিনিক স্থাপন করে অথবা যৌথ বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশের হাসপাতালগুলোর সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র গড়ে তোলে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ প্রয়োজন। চীনা হাসপাতাল চেইনগুলোর জন্য বাংলাদেশে হাসপাতাল নির্মাণের এখনই সঠিক সময়।’

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানান, চীনের কুনমিং শহরের চারটি হাসপাতাল বাংলাদেশি রোগীদের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে এবং গত সপ্তাহে একদল বাংলাদেশি সেখানে চিকিৎসার জন্য গেছেন।

তিনি আরও জানান, বিশ্বের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় তাদের সফরের সময় অধ্যাপক ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করবে এবং তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তব্য দেবেন।

অধ্যাপক ইউনূস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তাঁর প্রথম দ্বিপক্ষীয় বিদেশ সফর।

সফরকালে তিনি বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়া (বিএফএ) সম্মেলনে অংশ নেবেন, যা ‘প্রাচ্যের দাভোস’ নামে পরিচিত। এখানে প্রতি বছর বিশ্বনেতা ও শীর্ষ কোম্পানিসমূহের নির্বাহীরা বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

অধ্যাপক ইউনূস সেখানে ‘পরিবর্তনশীল বিশ্বে এশিয়া: একটি অভিন্ন ভবিষ্যতের দিকে’ বিষয়ে বক্তৃতা দেবেন। এ সেশন চলাকালে সেখানে চীনের নির্বাহী উপ প্রধানমন্ত্রীও যোগ দেবেন।

বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ২৮ মার্চ চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকের পর দুই দেশ একটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করবে।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।