শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

বিআরটিএ বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি উপদেষ্টা ফাওজুলের

শনিবার দুপুরে রাজধানীর বিআরটিএ ভবনে আলোচনা সভায় তিনি বলেন, যানবাহনের ফিটনেস, লাইসেন্স ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দুর্ঘটনা ঘটলে দায় নিতে হবে বিআরটিএকে। প্রতিদিনই ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা। তদন্তে বেরিয়ে আসে চালকের লাইসেন্স নেই, ফিটনেস ছাড়াও চলছে অনেক গাড়ি। এসবের পেছনে বিআরটিএ’র দায় দেখছেন দুর্ঘটনা বিশ্লেষকরা। তাদের অভিযোগ, যানবাহনের ফিটনেস নবায়ন, চালকদের লাইসেন্স, মালিকানা পরিবর্তন করতে বিআরটিতে […]

নিউজ ডেস্ক

১১ জানুয়ারী ২০২৫, ১৯:১৩

শনিবার দুপুরে রাজধানীর বিআরটিএ ভবনে আলোচনা সভায় তিনি বলেন, যানবাহনের ফিটনেস, লাইসেন্স ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দুর্ঘটনা ঘটলে দায় নিতে হবে বিআরটিএকে।

প্রতিদিনই ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা। তদন্তে বেরিয়ে আসে চালকের লাইসেন্স নেই, ফিটনেস ছাড়াও চলছে অনেক গাড়ি। এসবের পেছনে বিআরটিএ’র দায় দেখছেন দুর্ঘটনা বিশ্লেষকরা। তাদের অভিযোগ, যানবাহনের ফিটনেস নবায়ন, চালকদের লাইসেন্স, মালিকানা পরিবর্তন করতে বিআরটিতে হয়রান হতে হয়। ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ হয় না।

বিআরটিএ’র আচরণে ক্ষুব্ধ সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। সংস্থাটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সংশোধন না হলে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

সড়ক উপদেষ্টা জানান, বিআরটিরএ’র কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এমন আচরণ সহ্য করা হবে না। সবাইকে শুধরে যাওয়ার জন্য সতর্ক করেন তিনি।

মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘কন্ট্রোলার অব ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট বলে একটা অফিস ছিল। রমরমা অফিস ছিল। সেই অফিসটা এখন আর নাই। এর কারণটা হলো ওরা মানুষকে যে সেবাটা দেওয়ার কথা ছিল, দিতে পারে নি। ফলে আমরা ওটা বন্ধ করে দিই। আমরা এটাও বলেছি বিআরটিএ’র পারফরমেন্সে যদি উন্নতি না হয় তাহলে আমরা এটা বন্ধ করে দেওয়ার কথাও চিন্তা করব।’

উপদেষ্টা আরও জানান, যানবাহনের ত্রুটির কারণে দুর্ঘটনা ঘটলে দায় নিতে বিআরটিকে। সড়কের সমস্যার জন্য অভিযুক্ত হবেন প্রকৌশলী।

মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকার কারণে যে সব দুর্ঘটনা হবে সেগুলোর জন্য বিআরটিএ অফিসকে দায়ী করা হবে। এগুলোর দায়িত্ব তাদের ওপর বর্তাবে এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

উপদেষ্টা বলেন, ৩ মাসের মধ্যে সব সিটি করপোরেশনে সরকারি হাসপাতালের ড্রাইভারদের ডোপ টেস্ট করা হবে।

 

 

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ২৭ মে পাঁচ ধাপে শুরু ইউপি নির্বাচন

আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ধাপে ধাপে শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। পাঁচ ধাপে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। যা ২০২৭ সালের ২৭ মে শেষ হতে পারে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণে সোমবার (১২ অক্টোবর) বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৈঠক শেষে নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ জানানো হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে […]

আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ২৭ মে পাঁচ ধাপে শুরু ইউপি নির্বাচন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৫

আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ধাপে ধাপে শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। পাঁচ ধাপে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। যা ২০২৭ সালের ২৭ মে শেষ হতে পারে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণে সোমবার (১২ অক্টোবর) বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৈঠক শেষে নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ জানানো হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে আগামী ২১ জানুয়ারি ৮১৫টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। পাশাপাশি দ্বিতীয় ধাপে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি ৭২৭ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হতে পারে। এ ছাড়া তৃতীয় ধাপে আগামী ২ মে ৭৯০ ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হতে পারে।

এদিকে আগামী ১৩ মে চতুর্থ ধাপে ৯৫১টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে পারে। আর সবশেষ পঞ্চম ধাপে বাকি ইউনিয়ন পরিষদে আগামী ২৭ মে ভোট অনুষ্ঠিত হতে পারে।

তবে সোমবারের বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করা হবে। ইতোমধ্যে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে এ নিয়ে বৈঠক শুরু হয়েছে। যেখানে অন্যদের মধ্যে নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ, আব্দুর রহমানেল মাছউদ, বেগম তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত রয়েছেন।

জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ১০ বছর করার সিদ্ধান্তে অনড় সরকার, বিরোধীদলকে আলোচনায় আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রীর পদে কোনো ব্যক্তির সর্বোচ্চ ১০ বছর থাকার প্রস্তাব থেকে সরকার সরে আসেনি বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন বিষয়ক বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। ব্যক্তিতান্ত্রিক বা স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা ঠেকাতেই এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে সংসদের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা […]

প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ১০ বছর করার সিদ্ধান্তে অনড় সরকার, বিরোধীদলকে আলোচনায় আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:০৫

প্রধানমন্ত্রীর পদে কোনো ব্যক্তির সর্বোচ্চ ১০ বছর থাকার প্রস্তাব থেকে সরকার সরে আসেনি বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন বিষয়ক বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। ব্যক্তিতান্ত্রিক বা স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা ঠেকাতেই এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে সংসদের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর করার প্রস্তাব নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে। কেউ কেউ এটিকে অগণতান্ত্রিক ও জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থি মনে করেন। তবে সরকারের অবস্থান হলো, কোনো ব্যক্তি যেন ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী পদে থাকতে না পারেন।

তিনি বলেন, বিরোধী দল বা অন্য কোনো পক্ষ থেকে বিকল্প প্রস্তাব এলে তা নিয়ে আলোচনা করা হবে। সংবিধান সংশোধন নিয়ে বিরোধী দলকে বিশেষ কমিটির আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

কমিটির কার্যক্রম প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, গণমাধ্যমের সম্পাদক, সাংবাদিক নেতা, মিডিয়া ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও বিকেন্দ্রীকরণ এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে পরিবর্তনসহ বিভিন্ন প্রস্তাব পাওয়া গেছে।

দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ নিয়েও আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদে এ বিষয়ে ঐকমত্য থাকায় সরকার সেই অনুযায়ী এগোতে চায়। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংসদ নেবে।

সবার মতামতের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করে সংসদে উপস্থাপনের মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য সংবিধান সংশোধনী আনার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।