রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

ইবির পঞ্চম সমাবর্তনের নিবন্ধন শুরু ১০ নভেম্বর, যেভাবে করবেন আবেদন

সাকিব মাহমুদ ইবি প্রতিনিধি:  ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) পঞ্চম সমাবর্তন আগামী ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ অনুষ্ঠিত হবে। সমাবর্তনে অংশগ্রহণে আগ্রহী গ্র্যাজুয়েটদের জন্য অনলাইন নিবন্ধন, সনদ ও অন্যান্য ফি পরিশোধের সময়সূচি প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আগামী ১০ নভেম্বর থেকে নিবন্ধন শুরু হয়ে চলবে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত। রোববার (৮ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক […]

ইবির পঞ্চম সমাবর্তনের নিবন্ধন শুরু ১০ নভেম্বর, যেভাবে করবেন আবেদন

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১৭:১০

সাকিব মাহমুদ ইবি প্রতিনিধি: 

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) পঞ্চম সমাবর্তন আগামী ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ অনুষ্ঠিত হবে। সমাবর্তনে অংশগ্রহণে আগ্রহী গ্র্যাজুয়েটদের জন্য অনলাইন নিবন্ধন, সনদ ও অন্যান্য ফি পরিশোধের সময়সূচি প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আগামী ১০ নভেম্বর থেকে নিবন্ধন শুরু হয়ে চলবে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত।

রোববার (৮ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক রেকর্ড ও অফিশিয়াল গ্র্যাজুয়েট তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নির্ধারিত শিক্ষাবর্ষের ডিগ্রিধারীরা সমাবর্তনে অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন করতে পারবেন।

নিবন্ধনের যোগ্যতার ক্ষেত্রে স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ে ২০১২-১৩ থেকে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ, স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ২০১৫-১৬ থেকে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষ এবং সান্ধ্যকালীন মাস্টার্সে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। এ ছাড়া নির্ধারিত সিন্ডিকেটের ২৩৭তম থেকে ২৫৭তম পর্যন্ত এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রিপ্রাপ্তরাও নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয় , সমাবর্তনে অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৫০০ টাকা। তবে সান্ধ্যকালীন মাস্টার্সের ক্ষেত্রে এ ফি ৫ হাজার ৫০০ টাকা। ডিগ্রির ধরন অনুযায়ী সনদ উত্তোলন ফি স্নাতক পর্যায়ে ৫০০, মাস্টার্সে ৭০০, এমফিলে ১ হাজার ৫০০ এবং পিএইচডিতে ২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সান্ধ্যকালীন মাস্টার্সের সনদ ফি ১ হাজার টাকা।

এ ছাড়া প্রত্যেক গ্র্যাজুয়েট সর্বোচ্চ তিনজন অতিথি সঙ্গে আনতে পারবেন। অতিথি হিসেবে বাবা-মা, স্বামী-স্ত্রী অথবা সন্তানকে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে। পাঁচ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সী প্রত্যেক অতিথির জন্য ১ হাজার টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। অতিথিদের তথ্য, ছবি ও প্রয়োজনীয় বিবরণ নিবন্ধনের সময় অনলাইনে জমা দিতে হবে। 

এজন্য গ্র্যাজুয়েটদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন পোর্টালে প্রবেশ করে কয়েকটি ধাপে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে, 

ধাপ ১: অ্যাকাউন্ট তৈরি 

সমাবর্তন পোর্টালে https://convocation.iu.ac.bd⁠ প্রবেশ করে Registration অপশনে ক্লিক করতে হবে।

বিভাগ, ডিগ্রির ধরন, রোল/রেজিস্ট্রেশন নম্বর, শিক্ষাবর্ষ, মোবাইল নম্বর ও ই-মেইলসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। তথ্য যাচাইয়ের পর অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে।

ধাপ ২: লগইন 

নিবন্ধনের সময় দেওয়া মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে পোর্টালে লগইন করতে হবে।

ধাপ ৩: ব্যক্তিগত তথ্য প্রদান 

আবেদনকারীর নাম, বাবা-মায়ের নাম, জন্মতারিখ, লিঙ্গ, রক্তের গ্রুপ ও জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্মনিবন্ধন নম্বর দিতে হবে। বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা এবং প্রয়োজনীয় যোগাযোগের তথ্য পূরণ করতে হবে।

ধাপ ৪: ডিগ্রির তথ্য প্রদান

ডিগ্রির ধরন নির্বাচন করে রোল বা রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে তথ্য যাচাই করতে হবে। একাধিক ডিগ্রি থাকলে প্রতিটির তথ্য আলাদাভাবে যুক্ত করতে হবে।

ধাপ ৫: অতিথির তথ্য প্রদান 

গ্রাউন সংগ্রহের সাইজ নির্বাচন করতে হবে। সর্বোচ্চ তিনজন অতিথি সঙ্গে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। অতিথিদের নাম, সম্পর্ক, জন্মতারিখ ও প্রয়োজনীয় ছবি আপলোড করতে হবে।

ধাপ ৬: ছবি আপলোড 

পাসপোর্ট সাইজের সাম্প্রতিক ছবি আপলোড করতে হবে। ছবির ফরম্যাট JPG, JPEG অথবা PNG হতে হবে। ছবির সাইজ সর্বোচ্চ ১.৫ এমবি হতে হবে।

ধাপ ৭: তথ্য যাচাই ও আবেদন জমা 

ব্যক্তিগত তথ্য, ডিগ্রির বিবরণ, অতিথির তথ্য, ছবি ও ফি ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। সব তথ্য সঠিক থাকলে Submit Application অপশনে ক্লিক করতে হবে।

ধাপ ৮: অনলাইন পেমেন্ট 

Payment অপশনে গিয়ে মোট প্রদেয় অর্থ যাচাই করতে হবে।

ধাপ ৯: আবেদন যাচাই ও সমাবর্তন কার্ড সংগ্রহ

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আবেদন ও পেমেন্টের তথ্য যাচাই করবে। আবেদন অনুমোদিত হলে পোর্টাল থেকে Convocation Card ডাউনলোড করা যাবে।

সমাবর্তনের দিন কার্ড ও জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হবে। অতিথিদের জন্য পৃথক গেস্ট পাস বা কিউআর কোড প্রদান করা হবে।

উল্লেখ্য, নিবন্ধন ও ফি পরিশোধ সম্পন্ন হলেই আবেদন চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত বলে গণ্য হবে না। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের যাচাই ও অনুমোদনের পরই নিবন্ধন চূড়ান্ত হবে। সমাবর্তনসংক্রান্ত পরবর্তী নির্দেশনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট ও সমাবর্তন পোর্টালে প্রকাশ করা হবে।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও […]

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৪১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও ‘গরিব’ বলে মন্তব্য করার অভিযোগের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। একই সঙ্গে এসব আচরণের সমর্থকদের বিরুদ্ধেও প্রতীকী প্রতিবাদ জানান তাঁরা।

কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘Red Card to Racist, Classist and Hypocrite’ এবং ‘Red Card to Those Who Support Discrimination, Humiliation and Bullying’। শিক্ষার্থীরা জানান, বৈষম্য, অপমান ও হয়রানির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি এসব আচরণকে সমর্থনকারীদেরও তাঁরা প্রত্যাখ্যান করছেন।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নায়েম বলেন, তাসনিম সিরাজ মাহবুব ম্যাম ইংরেজি বিভাগের একজন শিক্ষার্থী নেকাব করায় তাকে Fundamentalist এবং সন্ত্রাসী বলে অবিহিত করেন। এছাড়াও, তিনি একই ক্লাসে ছেলেদের ৬ জন এক বেঞ্চে বসায় ‘গে’ এবং ‘গরিব’ বলে অবিহিত করেন। পরবর্তীতে তিনি তার ফেইসবুক লাইভে এগুলোর কোন কিছু এড্রেস না করে এক পাক্ষিক এআই নির্ভর বিবৃতি দেন৷

তিনি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি সামিনা লুৎফা, শিক্ষক নেটওয়ার্ক এবং তার অন্যান্য অনুসারী তাকে নির্লজ্জভাবে ডিফেন্ড করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের মূল অপরাধী হিসেবে প্রোট্রে করার চেষ্টা করছেন। আজকের প্রতিকী প্রতিবাদ তাদের সকলের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তাজিন আজিজ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না,আমি এই মূহুর্তে অফিসে নাই। তবে শিক্ষার্থীরা যদি এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকে, তবে তা দেখে বিষয়টি সম্পর্কে জানা সম্ভব হবে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষে নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। পরে ৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁকে সাময়িকভাবে সব ধরনের ক্লাস কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।