শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আইন-আদালত

জুলাই গণ-আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন পলক

জুলাই গণহত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার ছেলে ও তার আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে চতুর্থতম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগের একজন উপ-পরিচালক। আদালতের নির্দেশনায় তার নাম গোপন রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ জবানবন্দিতে তিনি বলেন, আমি বর্তমানে বিটিআরসিতে স্পেকট্রাম বিভাগে উপ-পরিচালক পদে […]

নিউজ ডেস্ক

১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২১:১৪

জুলাই গণহত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার ছেলে ও তার আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে চতুর্থতম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন বিটিআরসির স্পেকট্রাম বিভাগের একজন উপ-পরিচালক। আদালতের নির্দেশনায় তার নাম গোপন রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ জবানবন্দিতে তিনি বলেন, আমি বর্তমানে বিটিআরসিতে স্পেকট্রাম বিভাগে উপ-পরিচালক পদে কর্মরত আছি। ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিটিআরসির ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড অপারেশন্স বিভাগের উপ-পরিচালক পদে কর্মরত ছিলাম।

১৮ জুলাই সন্ধ্যা ৭টায় তৎকালীন বিটিআরসির মহাপরিচালক কাজী মোস্তাফিজুর রহমান টেলিফোনে আমাকে জানান তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আহম্মেদ পলক বিটিআরসির তৎকালীন চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহম্মেদকে ইন্টারন্যাশনাল টেরিস্ট্রিয়াল ক্যাবল অপারেটরদের আপস্ট্রিম বন্ধ করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন।

এরপর কাজী মোস্তাফিজুর রহমান উক্ত নির্দেশনা ইন্টারন্যাশনাল টেরিস্ট্রিয়াল ক্যাবল অপারেটরদেরকে অবহিত করার জন্য একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খুলতে আমাকে নির্দেশনা দেন।

জবানবন্দিতে তিনি আরো বলেন, নির্দেশনার পরে আমার অফিসিয়াল মোবাইল ফোন থেকে ইন্টারন্যাশনাল টেরিস্ট্রিয়াল ক্যাবল অপারেটরদের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ’১৮ জুলাই আইসিটি অপারেশন’ নামে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খুলি।

তৎকালীন মহাপরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান, সামিট কমিউনিকেশনের খালিদ, ফাইবার এটহোমের মশিউর, নভোকমের আজিজ, বিডি লিংকের একজন, ম্যাংগোর জাহিদ, বিটিসিএলের আনোয়ার মাসুদ এবং বিএসপিএলসির ওহাবের সমন্বয়ে ওই গ্রুপটি খোলা হয়। গ্রুপটি খোলার পর আমি ওই গ্রুপেই আমাদের মহাপরিচালককে বিষয়টি অবগত করি।

এরপর তিনি একটি গ্রুপ কল করেন। গ্রুপ কলে তিনি ইন্টারন্যাশনাল টেরিস্ট্রিয়াল ক্যাবল অপারেটরদেরকে আপস্ট্রিম (ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ) বন্ধ করার ব্যাপারে সরকারের নির্দেশনার কথা জানান। এরপর ১৮ জুলাই আনুমানিক রাত ৯টা অপারেটরদের মাধ্যমে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া হয়।

জবানবন্দিতে উপপরিচালক বলেন, ১৮ জুলাই রাত ৯টা থেকে ২৩ জুলাই বিকেল পর্যন্ত ইন্টারনেট সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকে। এরপর ২৩ জুলাই তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহম্মেদ পলক আইআইজি (ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে) এবং মিডিয়ার বিভিন্ন প্রতিনিধির সমন্বয়ে একটি সভায় ফেসবুক,

ইউটিউব এবং টিকটক বন্ধ রেখে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থান ব্যাংক, সংসদ ভবন, ক্যান্টনম্যান্ট ইত্যাদিতে সীমিতভাবে ইন্টারনেট চালু করার বিষয়ে নির্দেশনা দেন। ৩১ জুলাই জুনায়েদ আহম্মেদ পলক আমাদের চেয়ারম্যান মাধ্যমে ইন্টারনেট পুনরায় চালু করার নির্দেশনা দেন।

আইন-আদালত

ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজ

ইসলামী ব্যাংকে এস আলম-সংশ্লিষ্ট ২৪ প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একটি আবেদনের পর বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

নিউজ ডেস্ক

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:৫৬

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে এস আলম গ্রুপের নামে থাকা ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

ইসলামী ইকোনমিক রিসার্চ ব্যুরোর করা আবেদনের পর বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) আদেশটির লিখিত অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী শিশির মনির।

আদালতে করা রিট আবেদনে বলা হয়, প্রচলিত আইন অনুযায়ী একই গ্রুপ বা একটি পরিবারের সদস্যরা কোনো ব্যাংকের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার ধারণ করতে পারেন না। কিন্তু এস আলমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২৪টি কোম্পানি প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডার হিসেবে ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে সম্মিলিতভাবে ব্যাংকটির ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

এর আগে গত বছর এস আলম-সংশ্লিষ্ট ২৪ প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ারহোল্ডার, কয়েকজন পরিচালক ও ব্যক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

একই আদেশে সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডার পরিচালকদের বিদেশযাত্রায়ও বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছিল। আদালতের অনুমতি ছাড়া তাদের দেশত্যাগ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

আইন-আদালত

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন ৫ দিনের রিমান্ডে

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট […]

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন ৫ দিনের রিমান্ডে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৭ আগস্ট ২০২৬, ১৫:৩০

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

সিআইডির দাবি, ডনকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় করা হত্যা মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

একই সঙ্গে মামলায় জড়িত অন্য সহযোগীদের অবস্থান শনাক্ত এবং তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়েও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

আইন-আদালত

শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আপিলের সুযোগ শেষ: চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যেসব আসামি রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করেননি, তাদের আপিলের আর সুযোগ নেই। গুম ও মানবাধিকার আইন নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আজ সোমবার দুপুর ১২টায় তিনি এ কথা বলেন। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আইন অনুযায়ী রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। নির্ধারিত […]

শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আপিলের সুযোগ শেষ: চিফ প্রসিকিউটর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:২০

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, শেখ হাসিনাসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যেসব আসামি রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করেননি, তাদের আপিলের আর সুযোগ নেই।

গুম ও মানবাধিকার আইন নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আজ সোমবার দুপুর ১২টায় তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আইন অনুযায়ী রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা আপিল করেননি, তারা পরবর্তীতে আর আপিলের সুযোগ পাবেন না।

এদিকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কোনো অসঙ্গতি হবে না বলেও জানান মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, গুমের সব অভিযোগ ও রিপোর্ট যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।