সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

ফিচার

ভারতীয় আমেরিকানদের বাংলাদেশ-বিরোধী ষড়যন্ত্র সফল হবে না

ভারতীয় হিন্দু আমেরিকানরা পতিত স্বৈরাচার খুনি হাসিনাকে ক্ষমতায় ফেরাতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে তা কখনও সফল হবে না বলে বিশ্বাস করেন বিশ্লেষকরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভারতীয় হিন্দু আমেরিকানদের সকল অপতৎপরতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদের ডাক উঠেছে।   ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ও দেশটির কংগ্রেসের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের চেষ্টা চালানো হবে বলে এক […]

নিউজ ডেস্ক

১৭ নভেম্বর ২০২৪, ২৩:৫৫

ভারতীয় হিন্দু আমেরিকানরা পতিত স্বৈরাচার খুনি হাসিনাকে ক্ষমতায় ফেরাতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে তা কখনও সফল হবে না বলে বিশ্বাস করেন বিশ্লেষকরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভারতীয় হিন্দু আমেরিকানদের সকল অপতৎপরতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদের ডাক উঠেছে।

 

ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ও দেশটির কংগ্রেসের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের চেষ্টা চালানো হবে বলে এক ভারতীয় হিন্দু আমেরিকান কমিউনিটি নেতা হুমকি দেন। ডাক্তার ভারত বড়াই নামে এই নেতা বার্তাসংস্থা পিটিআইকে বলেন, ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পরই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তারা কাজ শুরু করবেন।

বাংলাদেশী আমেরিকানরা সোশাল মিডিয়ায় ফ্যাসিস্ট হাসিনাপন্থী হিন্দুদের এসব ষড়যন্ত্র প্রতিহতের ডাক দিয়েছেন। গোটা জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে বিশ্বব্যাপী যার যার অবস্থান থেকে হিন্দুত্ববাদী অপতৎপরতা রুখে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নেটিজেনরা।

হিন্দু ওই আমেরিকান নেতা জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ডোনাল্ড ট্রাম্প যে পোস্ট দিয়েছিলেন সেটি তাদের উদ্বুদ্ধ করেছে। আর এ বিষয়টি কাজে লাগিয়েই বাংলাদেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে তারা ট্রাম্পকে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করবেন।

ভারত বড়াই বলেন, তাদের তৈরি পোশাক রপ্তানি যদি বন্ধ হয়ে যায়, যা তাদের ব্যবসার ৮০ শতাংশ, তাহলে বাংলাদেশের মানুষ খাবে কী?

বিশেষজ্ঞরা তার এই অপচেষ্টাকে কেবলই শিশুসুলভ, হিৎসাত্মক ও বৃথা বলে মনে করেন। তারা ব্যাখ্যা করে বলেন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের মত একটি বড় দেশের রয়েছে নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ও সুদৃঢ় নীতি। মার্কিন সরকার কোনো গোষ্ঠীর উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সরবরাহ করা মিথ্যা তথ্য যাচাই না করেই একটি দেশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে এমনটা আশা করা কেবলই মুর্খতা ও বোকামি। অতীতে এমন কোনো দৃষ্টান্ত দেখা যায়নি। আর বাংলাদেশের মত একটি বাণিজ্যিক ও কৌশলগত সহযোগী দেশের বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ গ্রহণ তো প্রশ্নই আসে না।

ফেসুবকে এনিয়ে আহমেদ মুসা লিখেছেন, ফাউল আলাপ। ট্রাম্প মোদির বন্ধু মানে এই নয় যে ভারতের মতো চুনোপুঁটির কথায় সে আমেরিকা চালাবে। বাংলাদেশের সাথে আমেরিকার বানিজ্যচুক্তি শুধু বাংলাদেশের জন্যেই নয়, বরং উভয় দেশের স্বার্থে হয়। বাংলাদেশের টেক্সটাইলেই আমেরিকার সুবিধা বেশি। বিকল্প কোনো দেশ থাকলে অনেক আগেই তাদের থেকে আমদানি করতো আমেরিকা। আর সামান্য মোদির কথায় এত বড় বানিজ্য এমনি এমনি বন্ধ করে নিজের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিবে তা ট্রাম্পের নীতি নয়।

মোঃ নুর লিখেছেন, ভারত কিন্তু ইদানিং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করতেছে। ভারত কি জানেনা আমরা অস্ত্র ছাড়া বাঁশ দিয়ে একাত্তরে এদেশ স্বাধীন করেছি।..ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমরাও ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দেয়ার মতন সেই সাহস আমাদের রয়েছে।..বেশি বাড়াবাড়ি করলে আমরা ছাড়াছাড়ি করিনা।

মীর কাশেম লিখেছেন, খুনী হাসিনা বিপুল পরিমাণের লুটপাটের টাকা দিয়ে হিন্দু আমেরিকানদের দিয়ে লবিং করাচ্ছেন। কিন্তু আমেরিকা এত শিশু দেশ না যে একটি গোষ্ঠীর দেওয়া তথ্য যাচাই না করেই তার ওপর ভীত্তি করে তারা একটি সহযোগী দেশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেবে। আর ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের কাছে অবশ্যই সঠিক তথ্য রয়েছে। এভাবে স্বৈরাচার হাসিনাকে ক্ষমতায় ফেরানো যাবে না।

নুরুন্নবী সরকার লিখেছেন, কোনো লাভ হবে না।বিশ্ব রাজনীতি এখন দুই ভাগে বিভক্ত, আমেরিকা নিষেধাজ্ঞা দিলে রাশিয়া পাশে দাঁড়াবে, আর রাশিয়ার সাথে ঝামেলা হলে আমেরিকা পাশে। সুতরাং এই সব পুরাতন থিওরি বাদ দিয়ে নতুন কিছু নিয়ে আসেন আমাদের জন্য।

 

মুফতী নুরুল আমিন লিখেছেন, আমেরিকা ২ প্রকার, এক প্রকার খারাপ আমেরিকা যারা সেন্ট মার্টিন দখল করতে চায়, আরেক প্রকার ভালো আমেরিকা, যারা আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনবে। বানীতে অসহায় লীগ।

 

মোহাম্মদ আক্তার ইবনে ওয়াহাব লিখেছেন, চিরশত্রু ভারত লাভ নাই এসব করে। যে দেশ যত বেশি নিষেধাজ্ঞায় পড়েছে সে দেশ নিজেরাই বিশ্বের বুকে বড় হয়েছে। ইরান, তুর্কি এর অন্যতম উদাহরণ।

 

আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ লিখেছেন, ওদের সব নাচানাচি বন্ধ হয়ে যাবে শুধু ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মুহাম্মদ ইউনূসের একটা বৈঠক এর মাধ্যমে। আর আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা কি এতো সহজ যে মনে চাইলাম একটি নিষেধাজ্ঞা দিয়ে দিলাম। আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা এই নয় যে পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া। ভেনেজুয়েলা, কিউবা, উওর কোরিয়া,ইরান, আফগানিস্তান, মায়ানমার সহ অনেক দেশকে দিয়েছে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না বরং তাঁরা আরো উন্নত হয়েছে।

 

তামিম রেজা লিখেছেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিতে ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে কাজ করবে ভারতীয় আমেরিকানরা! আর যারা বাংলাদেশী আমেরিকাতে আছি, আমরা কি বসে বসে আঙুল চুষবো?

 

জাহাঙ্গীর আলম লিখেছেন, ভারত সরকারের প্রত্যক্ষ মদদেই এদেশে শেখ হাসিনা সরকার ও তাদের দোসররা ফ্যাসিস্ট সরকারে পরিনত হয়েছিল এবং এদেশের জনগণের লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা লুটপাট করে এদেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছিল, এদেশকে দূর্নীতি ও ঘুষের দেশে পরিণত করেছিল, হাজার হাজার ছাত্র জনতাকে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে গণহত্যা করেছিল, বিরোধী দল-মত দমনে সীমাহীন নির্যাতন-গুম-খুন-সীমাহীন কেস দেয়া হয়েছিল, জনগণের ভোটাধিকার হরণ সহ জনগণের সকল অধিকার হরণ করেছিল। সর্বশেষ, ভারত সরকার, এদেশের বিরুদ্ধে সারা বিশ্বে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে। আর, সময়ের পরিক্রমায় ভারত সরকারের এসমস্ত মিথ্যা প্রোপাগান্ডা সারা বিশ্বে উন্মোচিত হবে এবং ভারতকেই এজন্য জবাব দিহিতার সম্মুক্ষীণ হতে পারে। কারণ মিথ্যা বেশি দিন টিকে না।

ট্রাম্পকে ভারতীয় আমেরিকান হিন্দুদের মিথ্যা ও বিভ্রান্তমূলক তথ্য সরবরাহ করা প্রসঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে। এখন যেহেতু উনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন, তাই অবশ্যই উনি দেখতে পারবেন ঘটনা আসলে কী ঘটেছে। আমরা মনে করি, সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে প্রচুর অপতথ্য বা ভুল তথ্য প্রচার করা হয়েছে। ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস রয়েছে, তারা দেখবে বাংলাদেশে কী ঘটছে বা সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা আদৌ ঘটেছে কি না। যুক্তরাষ্ট্রের সদ্য বিজয়ী প্রেসিডেন্ট তখন নিশ্চয়ই প্রকৃত চিত্র জানতে পারবেন।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫০৫৭

আন্তর্জাতিক

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে এই তিন দেশ থেকে আসা যেকোনো ভ্রমণকারীর জন্য ভিসা ইস্যু এবং সৌদিতে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র সরাসরি ওই তিন দেশ থেকে […]

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

ডেস্ক রিপোর্ট

২৭ জুন ২০২৬, ১০:০৯

ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে এই তিন দেশ থেকে আসা যেকোনো ভ্রমণকারীর জন্য ভিসা ইস্যু এবং সৌদিতে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র সরাসরি ওই তিন দেশ থেকে আসা যাত্রীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়, বরং তৃতীয় কোনো দেশ হয়ে যারা সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করছেন, তাদের ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে। সৌদিতে প্রবেশের আগের ২১ দিনের মধ্যে যদি কোনো ব্যক্তি এই তিন দেশের যেকোনো একটিতে অবস্থান করে থাকেন, তবে তিনিও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বেন। এছাড়া সৌদি নাগরিকদেরও ওই তিন দেশে ভ্রমণ না করার নির্দেশনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ‘ওয়াকায়া’ জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সংক্রামক ব্যাধির আন্তঃসীমান্ত বিস্তার রোধে এই জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইবোলা সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সৌদি আরবের প্রবেশপথগুলোতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা (স্ক্রিনিং), রোগ নজরদারি এবং দ্রুত সাড়াদান প্রক্রিয়া আরও জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া আক্রান্ত দেশগুলোর প্রতিবেশী রাষ্ট্র—যেমন রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, তানজানিয়া ও কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ব্রাজাভিল) থেকে আগত যাত্রীদের ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ স্থিতিশীল। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা চালুর পর থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ইবোলার কোনো নিশ্চিত বা সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়নি। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মহামারি পরিস্থিতির ওপর সৌদি কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিক নজর রাখছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ প্রস্তুত রয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫০৫৭

আন্তর্জাতিক

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের […]

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১০:৪৫

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে।

ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ভারতের অংশের সমস্ত পানি সম্পূর্ণ ব্যবহারের ঘোষণার পরই ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে এই তীব্র প্রতিক্রিয়া এল।

ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিক সরাসরি অভিযোগ করেন যে প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী সিন্ধু নদের পানির কলটি নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং তিনি পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও আসতে দিতে চান না।

পাকিস্তানি এই মন্ত্রী বলেন যে তাদের দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের জীবিকা কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ফলে অন্য কেউ এসে তাদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, অর্ধেক কর্মসংস্থান এবং ২৫ শতাংশ অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে পানির অধিকার খর্ব করা হলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে এবং তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করবেন।

মুসাদিক মালিক আরও যুক্তি দেন যে আন্তর্জাতিক প্রথা অনুযায়ী চুক্তি না থাকলেও নদীর উপরিভাগে থাকা দেশগুলো নিচের দেশের পানি প্রবাহ বন্ধ করতে পারে না।

অথচ দুই দেশের মধ্যে ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তি রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য নিম্ন অববাহিকার শিশুদের পানির অধিকার রয়েছে কি না এবং আন্তর্জাতিকভাবে কোনটা প্রকৃত ন্যায়বিচার, তা নির্ধারণের জন্য তারা এই বিষয়টি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি করেন যে সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তিটি আইনগতভাবে এখনও বহাল রয়েছে এবং কোনো দেশ এককভাবে এটি বাতিল বা সংশোধন করতে পারে না।

তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে সিন্ধু নদের পানি পাকিস্তানের জন্য জীবনরেখা এবং এটি তাদের জন্য একটি লাল রেখা বা ‘রেড লাইন’।

অন্য দিকে ভারতের অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ় ও স্পষ্ট। গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে একটি ভয়াবহ আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসী হামলায় ২৫ জন পর্যটকসহ মোট ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর নয়া দিল্লি এই ঐতিহাসিক পানিবণ্টন চুক্তিটি সাময়িকভাবে স্থগিত বা মুলতবি ঘোষণা করে।

ভারতের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে পাকিস্তান যতক্ষণ না তাদের মাটিতে লালিত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার সন্ত্রাসী পরিকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দৃশ্যমান প্রমাণ দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পানি চুক্তি স্থগিতই থাকবে।

সূত্র: এনডিটিভি

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫০৫৭

আন্তর্জাতিক

ওমান উপকূলে ড্রোন হামলায় ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ!

ওমান উপকূলের কাছে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি জাহাজ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পরে ওমান কর্তৃপক্ষ জাহাজটির নাবিকদের উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে নেয়। জানা গেছে, ড্রোন হামলার পর সাগরে পুরোপুরি ডুবে যায় ওই জাহাজটি। ‘এমএসভি হাজি আলি’ (Haji Ali) নামের কার্গো শিপের উপর এই হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। প্রাথমিক […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ মে ২০২৬, ১৮:০৪

ওমান উপকূলের কাছে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি জাহাজ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পরে ওমান কর্তৃপক্ষ জাহাজটির নাবিকদের উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে নেয়।

জানা গেছে, ড্রোন হামলার পর সাগরে পুরোপুরি ডুবে যায় ওই জাহাজটি। ‘এমএসভি হাজি আলি’ (Haji Ali) নামের কার্গো শিপের উপর এই হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি।

প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, সন্দেহভাজন ড্রোন হামলার জেরেই জাহাজটি ডুবে গিয়েছে। তবে জাহাজে থাকা ১৪ জন ভারতীয় নাবিককেই নিরাপদে উদ্ধার করেছে ওমান কোস্টগার্ড।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র হামলাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ওমান কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, জাহাজের সব ক্রু সদস্য নিরাপদ আছেন।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এক বিবৃতিতে ভারত বলেছে, বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা এবং নিরীহ বেসামরিক নাবিকদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে।

পাশাপাশি নৌ চলাচল ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বাধীনতায় বাধা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫০৫৭