রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

পাকিস্তানের পর ইরাকের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা, পারমানবিক সহায়তা দিতে প্রস্তুত ইরান

তেহরান-ইরাক সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হচ্ছে: শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তি, বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে একসাথে আগাতে চায় দুই প্রতিবেশী দেশ তেহরানে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় তেহরান ডায়ালগ ফোরামে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও ইরাকের উপ-প্রধানমন্ত্রী ফুয়াদ হুসেইনের মধ্যে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, প্রযুক্তি বিনিময় ও আঞ্চলিক সহযোগিতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। বৈঠকে উভয় দেশ অর্থনীতি, জ্বালানি ও নিরাপত্তাকে কেন্দ্র […]

নিউজ ডেস্ক

২০ মে ২০২৫, ১৩:৪২

তেহরান-ইরাক সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হচ্ছে: শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তি, বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে একসাথে আগাতে চায় দুই প্রতিবেশী দেশ

তেহরানে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় তেহরান ডায়ালগ ফোরামে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও ইরাকের উপ-প্রধানমন্ত্রী ফুয়াদ হুসেইনের মধ্যে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, প্রযুক্তি বিনিময় ও আঞ্চলিক সহযোগিতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। বৈঠকে উভয় দেশ অর্থনীতি, জ্বালানি ও নিরাপত্তাকে কেন্দ্র করে একটি দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।

সভায় প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, “আমাদের কারও অনুমতির প্রয়োজন নেই। ইরান এগিয়ে যাবে নিজের সক্ষমতায়।” তিনি শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তি, বিশেষ করে চিকিৎসা ও কৃষি খাতে, মুসলিম প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে শেয়ার করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তেহরানের এ অবস্থান ইরানের ‘প্রতিরোধ অর্থনীতি’ নীতিরই সম্প্রসারিত প্রকাশ, যা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে স্বনির্ভরতার দিকে এগিয়ে যাওয়ার কৌশল হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।

বৈঠকে ইরাকি উপ-প্রধানমন্ত্রী ফুয়াদ হুসেইন বলেন, “ইরান ও ইরাকের মধ্যে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক ক্রমেই প্রসারিত হচ্ছে।” তিনি জানান, দুটি দেশ বর্তমানে বার্ষিক বাণিজ্য ২৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করছে, যার জন্য অবকাঠামোগত সংযোগ, যৌথ শিল্প অঞ্চল এবং জ্বালানি সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তেহরান-ইরাক সম্পর্ককে ঘিরে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ প্রকল্পগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে শালামচে–বসরা রেলপথ। সম্প্রতি চূড়ান্ত হওয়া এই প্রকল্প মধ্যপ্রাচ্যের দুই প্রতিবেশীর মধ্যে পণ্য ও যাত্রী চলাচল বাড়াবে, যা ইরানের চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI) এবং নিজের পূর্ব-পশ্চিম করিডর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ইরান বর্তমানে ইরাকের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহকারী দেশ। ইরাকের ১৪,০০০ মেগাওয়াট দৈনিক বিদ্যুৎ চাহিদার মধ্যে প্রায় ৪৫ শতাংশই আসে ইরান থেকে। কিন্তু এই শক্তিশালী সহযোগিতার মধ্যেও একটি বড় প্রতিবন্ধক হয়ে আছে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও রাজনৈতিক চাপ। ২০২4 সালের মার্চে যুক্তরাষ্ট্র ইরাককে দেওয়া ইরান থেকে বিদ্যুৎ আমদানির নিষেধাজ্ঞা অব্যাহতি বাতিল করে। যদিও পরে অল্প সময়ের জন্য নতুনভাবে অনুমতি দেওয়া হয়, কিন্তু এই ধরনের অস্থির নীতির ফলে দুই দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সহযোগিতা বারবার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

ইরান ও ইরাকের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব শুধু দ্বিপাক্ষিক স্তরে সীমাবদ্ধ নয়; এটি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন প্রভাবের বাইরে একটি বিকল্প আঞ্চলিক জোটের সম্ভাবনাও জাগিয়ে তুলছে। ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল-সুদানির ঘন ঘন তেহরান সফর এবং শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের গমনাগমন এরই ইঙ্গিত দেয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এ সম্পর্ক শুধু বাণিজ্যিক নয়, এটি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন শক্তি ভারসাম্য গড়ে তোলার প্রচেষ্টার অংশ। ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের চাপ উপেক্ষা করে তেহরান ও বাগদাদ নিজেদের কৌশলগত স্বার্থ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে চায়।

এই প্রেক্ষাপটে, মাসুদ পেজেশকিয়ানের নেতৃত্বে নতুন ইরান সরকার যে বহুপাক্ষিক কূটনীতি ও প্রতিবেশী সহযোগিতা বাড়ানোর সংকল্প দেখাচ্ছে, তা শুধু ইরান-ইরাক নয়, বরং গোটা অঞ্চলের ভূরাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের বার্তা দিচ্ছে। শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তির অংশীদারিত্ব, যৌথ অর্থনৈতিক অঞ্চল, অবকাঠামোগত সংযোগ এবং মার্কিন একচেটিয়া নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে একযোগে অবস্থান—সব মিলিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক এখন শুধু ঐতিহাসিক নয়, কৌশলগত দিক থেকেও এক নতুন স্তরে উত্তরণ ঘটাতে চলেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১০৭

আন্তর্জাতিক

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে এই তিন দেশ থেকে আসা যেকোনো ভ্রমণকারীর জন্য ভিসা ইস্যু এবং সৌদিতে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র সরাসরি ওই তিন দেশ থেকে […]

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

ডেস্ক রিপোর্ট

২৭ জুন ২০২৬, ১০:০৯

ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে এই তিন দেশ থেকে আসা যেকোনো ভ্রমণকারীর জন্য ভিসা ইস্যু এবং সৌদিতে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র সরাসরি ওই তিন দেশ থেকে আসা যাত্রীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়, বরং তৃতীয় কোনো দেশ হয়ে যারা সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করছেন, তাদের ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে। সৌদিতে প্রবেশের আগের ২১ দিনের মধ্যে যদি কোনো ব্যক্তি এই তিন দেশের যেকোনো একটিতে অবস্থান করে থাকেন, তবে তিনিও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বেন। এছাড়া সৌদি নাগরিকদেরও ওই তিন দেশে ভ্রমণ না করার নির্দেশনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ‘ওয়াকায়া’ জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সংক্রামক ব্যাধির আন্তঃসীমান্ত বিস্তার রোধে এই জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইবোলা সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সৌদি আরবের প্রবেশপথগুলোতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা (স্ক্রিনিং), রোগ নজরদারি এবং দ্রুত সাড়াদান প্রক্রিয়া আরও জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া আক্রান্ত দেশগুলোর প্রতিবেশী রাষ্ট্র—যেমন রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, তানজানিয়া ও কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ব্রাজাভিল) থেকে আগত যাত্রীদের ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ স্থিতিশীল। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা চালুর পর থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ইবোলার কোনো নিশ্চিত বা সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়নি। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মহামারি পরিস্থিতির ওপর সৌদি কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিক নজর রাখছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ প্রস্তুত রয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১০৭

আন্তর্জাতিক

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের […]

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১০:৪৫

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে।

ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ভারতের অংশের সমস্ত পানি সম্পূর্ণ ব্যবহারের ঘোষণার পরই ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে এই তীব্র প্রতিক্রিয়া এল।

ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিক সরাসরি অভিযোগ করেন যে প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী সিন্ধু নদের পানির কলটি নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং তিনি পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও আসতে দিতে চান না।

পাকিস্তানি এই মন্ত্রী বলেন যে তাদের দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের জীবিকা কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ফলে অন্য কেউ এসে তাদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, অর্ধেক কর্মসংস্থান এবং ২৫ শতাংশ অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে পানির অধিকার খর্ব করা হলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে এবং তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করবেন।

মুসাদিক মালিক আরও যুক্তি দেন যে আন্তর্জাতিক প্রথা অনুযায়ী চুক্তি না থাকলেও নদীর উপরিভাগে থাকা দেশগুলো নিচের দেশের পানি প্রবাহ বন্ধ করতে পারে না।

অথচ দুই দেশের মধ্যে ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তি রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য নিম্ন অববাহিকার শিশুদের পানির অধিকার রয়েছে কি না এবং আন্তর্জাতিকভাবে কোনটা প্রকৃত ন্যায়বিচার, তা নির্ধারণের জন্য তারা এই বিষয়টি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি করেন যে সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তিটি আইনগতভাবে এখনও বহাল রয়েছে এবং কোনো দেশ এককভাবে এটি বাতিল বা সংশোধন করতে পারে না।

তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে সিন্ধু নদের পানি পাকিস্তানের জন্য জীবনরেখা এবং এটি তাদের জন্য একটি লাল রেখা বা ‘রেড লাইন’।

অন্য দিকে ভারতের অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ় ও স্পষ্ট। গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে একটি ভয়াবহ আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসী হামলায় ২৫ জন পর্যটকসহ মোট ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর নয়া দিল্লি এই ঐতিহাসিক পানিবণ্টন চুক্তিটি সাময়িকভাবে স্থগিত বা মুলতবি ঘোষণা করে।

ভারতের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে পাকিস্তান যতক্ষণ না তাদের মাটিতে লালিত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার সন্ত্রাসী পরিকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দৃশ্যমান প্রমাণ দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পানি চুক্তি স্থগিতই থাকবে।

সূত্র: এনডিটিভি

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১০৭

আন্তর্জাতিক

ওমান উপকূলে ড্রোন হামলায় ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ!

ওমান উপকূলের কাছে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি জাহাজ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পরে ওমান কর্তৃপক্ষ জাহাজটির নাবিকদের উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে নেয়। জানা গেছে, ড্রোন হামলার পর সাগরে পুরোপুরি ডুবে যায় ওই জাহাজটি। ‘এমএসভি হাজি আলি’ (Haji Ali) নামের কার্গো শিপের উপর এই হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। প্রাথমিক […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ মে ২০২৬, ১৮:০৪

ওমান উপকূলের কাছে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি জাহাজ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পরে ওমান কর্তৃপক্ষ জাহাজটির নাবিকদের উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে নেয়।

জানা গেছে, ড্রোন হামলার পর সাগরে পুরোপুরি ডুবে যায় ওই জাহাজটি। ‘এমএসভি হাজি আলি’ (Haji Ali) নামের কার্গো শিপের উপর এই হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি।

প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, সন্দেহভাজন ড্রোন হামলার জেরেই জাহাজটি ডুবে গিয়েছে। তবে জাহাজে থাকা ১৪ জন ভারতীয় নাবিককেই নিরাপদে উদ্ধার করেছে ওমান কোস্টগার্ড।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র হামলাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ওমান কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, জাহাজের সব ক্রু সদস্য নিরাপদ আছেন।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এক বিবৃতিতে ভারত বলেছে, বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা এবং নিরীহ বেসামরিক নাবিকদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে।

পাশাপাশি নৌ চলাচল ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বাধীনতায় বাধা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১০৭