সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটিতে আলোচনার শীর্ষে রফিকুল ইসলাম রফিক

মুশফিক হাওলাদার (ভোলা): বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় সংসদ এর আসন্ন কমিটিতে তৃনমূলে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন সংগঠনের অন্যতম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাবেক ছাত্রনেতা রফিকুল ইসলাম রফিক। দীর্ঘ  রাজনীতির মাঠে তার ত্যাগ, রাজনৈতিক সংগ্রাম, কারাজীবন, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং আপসহীন নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনের পরিচিত মুখ রফিকুল ইসলাম রফিক ১৯৮৪ সালে ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার […]

স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটিতে আলোচনার শীর্ষে রফিকুল ইসলাম রফিক

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৮ মে ২০২৬, ২২:৪৩

মুশফিক হাওলাদার (ভোলা):

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় সংসদ এর আসন্ন কমিটিতে তৃনমূলে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন সংগঠনের অন্যতম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাবেক ছাত্রনেতা রফিকুল ইসলাম রফিক। দীর্ঘ  রাজনীতির মাঠে তার ত্যাগ, রাজনৈতিক সংগ্রাম, কারাজীবন, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং আপসহীন নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন।

রাজনৈতিক অঙ্গনের পরিচিত মুখ রফিকুল ইসলাম রফিক ১৯৮৪ সালে ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন রফিক। তাঁর পিতা আলহাজ্ব আব্দুল মালেক হাওলাদার ছিলেন একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী এবং মাতা রাহিমা বেগম ছিলেন ধর্মভীরু আদর্শবান নারী। শৈশব থেকেই তিনি ছিলেন তুখোড় মেধাবী । ১৯৯৩ সালে পঞ্চম শ্রেণিতে এবং ১৯৯৬ সালে অষ্টম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ করে তিনি শিক্ষাজীবনের শুরুতেই সকলের কাছে পরিচিতি লাভ করেন  

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদী দর্শনে অনুপ্রাণিত হয়ে কলেজ জীবনে প্রবেশ করেই ১৯৯৯ সালে কলেজ ছাত্রদলের সদস্য ফরম পূরণের মাধ্যমে ছাত্ররাজনীতিতে তাঁর পথচলা শুরু হয়। যোগদানের দ্বিতীয় দিনেই ছাত্রদলের একটি মিছিলে হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন। কিন্তু সেই নির্যাতন তাঁকে দমিয়ে রাখতে পারেনি; বরং রাজনীতির প্রতি তাঁর অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করেছে।

পরবর্তীতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়-এ ভর্তি হয়ে ছাত্রদলের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে শুরু করেন রফিক। ২০০১-২০০২ সেশনে তিনি পরিসংখ্যান বিভাগের ১ম বর্ষ ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরে বিভাগীয় ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত হন।

দেশের রাজনৈতিক সংকটময় সময়ে অবৈধ ১/১১ সরকারের আমলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমান গ্রেফতার হলে প্রতিবাদী ছাত্রসমাজকে সংগঠিত করতে গিয়ে তিনিও গ্রেফতার হন। দেশদ্রোহী মামলায় দীর্ঘদিন কারাবরণ করতে হয় তাঁকে। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের হরতাল চলাকালে মিছিল শেষে ডিবি পুলিশের হাতে পুনরায় গ্রেফতার হন তিনি। তিনদিন গুম অবস্থায় রেখে অমানুষিক নির্যাতনের পর একাধিক মামলায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। রাজনৈতিক জীবনে মোট সাতবার গ্রেফতার হয়ে প্রায় ৬ মাস ২০ দিন কারাগারে কাটিয়েছেন তিনি। তবুও আদর্শ থেকে একচুলও সরে যাননি।

বিএনপি ও ছাত্রদলের সবচেয়ে কঠিন সময়গুলোতে তাঁর নেতৃত্বগুণ বিশেষভাবে প্রকাশ পায়। ২০১৬ সালে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব লাভ করেন। ২০১৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ছাত্রলীগ খালেদা জিয়া-এর নামে নির্মিত বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণার নামফলক অপসারণ করলে তিনি প্রতিবাদে সোচ্চার হন। প্রশাসনের হুমকি-ধামকি উপেক্ষা করে তাঁর নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে মিছিল, সভা ও ছাত্রধর্মঘটের কর্মসূচি পালিত হয়। ঘোষিত ২০ দিনের আল্টিমেটামের মাত্র ১৩ দিনের মাথায় নামফলক পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে প্রশাসন বাধ্য হয়। তাঁর এই সাহসী নেতৃত্ব রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রশংসিত হয় এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রচারিত হয়।

সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বয়সসীমাজনিত কারণে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলে স্থান না পেলেও তিনি কখনো হতাশ হননি। ২০২১ সালে ছাত্রদল থেকে বিদায় নিয়ে তিনি যোগ দেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল-এ। সাংগঠনিক দক্ষতা ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৩ সালে এস এম জিলানী ও রাজিব আহসান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন।

রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, ছাত্র রাজনীতি শেষ করে স্বেচ্ছাসেবক দলে যোগদান করেই দলের সকল দায়িত্ব দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করার চেষ্টা করেছি। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জীবনকে তুচ্ছ করে তারেক রহমান ও আমার সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশনা পালন করেছি। দক্ষতা, আন্তরিকতা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ধারন করেছি বলে আমাকে  চট্টগ্রামে সাংগঠনিক টিমের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এভাবেই দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামে তৃণমূলের পাশে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে দল ও গনতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনকে বেগবান করেছি।

স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক নেতা রুবেল মাতাব্বর বলেন,রফিকুল ইসলাম রফিক ভাই শুধুমাত্র একজন রাজনৈতিক কর্মী নন; তিনি ত্যাগ, সাহস, নেতৃত্ব ও আদর্শিক দৃঢ়তার এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। তার সাথে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে তাকে খুব কাছ থেকে দেখেছি, তিনি পরিশ্রমী ও কর্মীবান্ধব নেতা। অাগামি দিনে তাকে সংগঠনের শীর্ষ পদে দায়িত্ব দিলে অামরা বিশ্বাস করি তিনি সততা, দক্ষতা, নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করতে সচেষ্ট হবেন এবং সংগঠনের কর্মকান্ডকে ত্বরান্বিত করতে সক্ষম হবেন।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।