মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পকে পেছনে ফেলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এগিয়ে ভ্যান্স

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা এবং ইরানকে ঘিরে সামরিক তৎপরতা জোরদারের মাধ্যমে নিজেদের শক্তি প্রদর্শনে সক্রিয় রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে তিনি বাড়তি চাপে পড়েছেন বলে ইঙ্গিত দিচ্ছে সাম্প্রতিক এক জরিপ। ডানপন্থি রাজনৈতিক সম্মেলন কনজারভেটিভ পলিটিক্যাল অ্যাকশন কনফারেন্স (সি-প্যাক)-এর সর্বশেষ স্ট্র পোল অনুযায়ী, রিপাবলিকান পার্টির সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে আছেন […]

নিউজ ডেস্ক

২৯ মার্চ ২০২৬, ১৬:৫৫

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা এবং ইরানকে ঘিরে সামরিক তৎপরতা জোরদারের মাধ্যমে নিজেদের শক্তি প্রদর্শনে সক্রিয় রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে তিনি বাড়তি চাপে পড়েছেন বলে ইঙ্গিত দিচ্ছে সাম্প্রতিক এক জরিপ।

ডানপন্থি রাজনৈতিক সম্মেলন কনজারভেটিভ পলিটিক্যাল অ্যাকশন কনফারেন্স (সি-প্যাক)-এর সর্বশেষ স্ট্র পোল অনুযায়ী, রিপাবলিকান পার্টির সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে আছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, চার দিনব্যাপী এই সম্মেলনে অংশ নেওয়া প্রায় ১ হাজার ৬০০ প্রতিনিধির মধ্যে ৫৩ শতাংশ ভোট পেয়ে নিরঙ্কুশ জয় পান ভ্যান্স। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের কাছে জানতে চাওয়া হয়—২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির নেতৃত্বে কাকে দেখতে চান।

যদিও সি-প্যাক স্ট্র পোল সব সময় চূড়ান্ত নির্বাচনী ফলাফলের প্রতিফলন নয়, তবুও এটি দলীয় অভ্যন্তরীণ প্রবণতা ও জনপ্রিয়তার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়।

এই জরিপে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, যিনি পেয়েছেন ৩৫ শতাংশ ভোট। গত বছরের তুলনায় এটি তার জন্য উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রুবিওর এই উত্থান রিপাবলিকান শিবিরে বিকল্প নেতৃত্বের সম্ভাবনা আরও জোরালো করছে।

গত বছরের সি-প্যাক জরিপে ভ্যান্স পেয়েছিলেন ৬১ শতাংশ সমর্থন। তখন অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে স্টিভ ব্যানন পেয়েছিলেন ১২ শতাংশ, ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যান্টিস পান ৭ শতাংশ, আর রুবিও ও প্রতিনিধি এলিস স্টেফানিক পান মাত্র ৩ শতাংশ করে ভোট। এতে বোঝা যায়, সময়ের সঙ্গে রিপাবলিকান রাজনীতিতে নতুন শক্তির উত্থান ঘটছে, যদিও ভ্যান্স তার অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্প বর্তমানে দ্বিমুখী চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছেন। একদিকে মধ্যপ্রাচ্যে কঠোর অবস্থানের মাধ্যমে শক্তিশালী নেতৃত্বের বার্তা দিতে চাইলেও, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে তাকে লড়াই করতে হচ্ছে।

বিশেষ করে ইরান ইস্যুতে তার নীতি অনেকের কাছে আক্রমণাত্মক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা ভোটারদের একটি অংশকে দ্বিধায় ফেলতে পারে।

এ বছরের সি-প্যাক সম্মেলনে অংশ নেন বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা ও রাজনীতিবিদ। বক্তাদের মধ্যে ছিলেন টেক্সাসের সিনেটর টেড ক্রুজ, ইরানি বিরোধী নেতা রেজা পাহলভি এবং ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জায়ের বলসোনারোর ছেলে এদুয়ার্দো বলসোনারো ও ফ্লাভিও বলসোনারো। উল্লেখ্য, গণতন্ত্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ব্রাজিলে আইনি জটিলতায় পড়েছেন জায়ের বলসোনারো।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, এক দশক আগে পর্যন্ত সি-প্যাক স্ট্র পোলে মডারেট রিপাবলিকান মিট রমনি এবং লিবার্টারিয়ান র‍্যান্ড পল নিয়মিত জয়ী হতেন। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্পের উত্থানের পর রিপাবলিকান রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসে।

২০২০ সালের নির্বাচনে পরাজয়ের পরও ২০২১ সালের সি-প্যাক জরিপে তিনি ৫৫ শতাংশ সমর্থন পান এবং পরবর্তী বছরগুলোতে তার প্রভাব আরও বিস্তৃত হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, সি-প্যাকের এই ফলাফল রিপাবলিকান পার্টির ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের একটি ইঙ্গিত দিলেও চূড়ান্ত চিত্র এখনো অনেক দূরের। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট—জেডি ভ্যান্সের মতো নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বের উত্থান আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে ঘিরে সমীকরণ বদলে দিতে পারে।

অন্যদিকে, ট্রাম্পের জন্য এটি একটি সতর্কবার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে—দলীয় সমর্থন ধরে রাখতে হলে তাকে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক—দুই ক্ষেত্রেই ভারসাম্যপূর্ণ কৌশল গ্রহণ করতে হতে পারে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৪

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় কোনো দেশ যোগ দিলে তাকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ সতর্কবার্তা দেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ইরানের এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মিত্র কিংবা অন্য কোনো দেশ সহযোগিতা করলে তেহরান তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতে পারে।

এর আগে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর কোনো হামলা হলে এবার তার জবাব আগের তুলনায় আরও বড় পরিসরে দেওয়া হবে।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার সামরিক কৌশলে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘদিন দেশটির সামরিক নীতি মূলত প্রতিরক্ষামূলক থাকলেও এখন তা ধীরে ধীরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাচ্ছে।

তবে আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেছেন, এর অর্থ ইরান আগাম হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করছে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর কোনো আগ্রাসন হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে এবং সেই প্রতিক্রিয়ার পরিসর মূল হামলার চেয়েও বড় হবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১

আন্তর্জাতিক

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের […]

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১০:৪৫

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে।

ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ভারতের অংশের সমস্ত পানি সম্পূর্ণ ব্যবহারের ঘোষণার পরই ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে এই তীব্র প্রতিক্রিয়া এল।

ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিক সরাসরি অভিযোগ করেন যে প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী সিন্ধু নদের পানির কলটি নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং তিনি পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও আসতে দিতে চান না।

পাকিস্তানি এই মন্ত্রী বলেন যে তাদের দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের জীবিকা কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ফলে অন্য কেউ এসে তাদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, অর্ধেক কর্মসংস্থান এবং ২৫ শতাংশ অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে পানির অধিকার খর্ব করা হলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে এবং তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করবেন।

মুসাদিক মালিক আরও যুক্তি দেন যে আন্তর্জাতিক প্রথা অনুযায়ী চুক্তি না থাকলেও নদীর উপরিভাগে থাকা দেশগুলো নিচের দেশের পানি প্রবাহ বন্ধ করতে পারে না।

অথচ দুই দেশের মধ্যে ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তি রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য নিম্ন অববাহিকার শিশুদের পানির অধিকার রয়েছে কি না এবং আন্তর্জাতিকভাবে কোনটা প্রকৃত ন্যায়বিচার, তা নির্ধারণের জন্য তারা এই বিষয়টি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি করেন যে সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তিটি আইনগতভাবে এখনও বহাল রয়েছে এবং কোনো দেশ এককভাবে এটি বাতিল বা সংশোধন করতে পারে না।

তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে সিন্ধু নদের পানি পাকিস্তানের জন্য জীবনরেখা এবং এটি তাদের জন্য একটি লাল রেখা বা ‘রেড লাইন’।

অন্য দিকে ভারতের অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ় ও স্পষ্ট। গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে একটি ভয়াবহ আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসী হামলায় ২৫ জন পর্যটকসহ মোট ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর নয়া দিল্লি এই ঐতিহাসিক পানিবণ্টন চুক্তিটি সাময়িকভাবে স্থগিত বা মুলতবি ঘোষণা করে।

ভারতের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে পাকিস্তান যতক্ষণ না তাদের মাটিতে লালিত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার সন্ত্রাসী পরিকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দৃশ্যমান প্রমাণ দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পানি চুক্তি স্থগিতই থাকবে।

সূত্র: এনডিটিভি

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১

আন্তর্জাতিক

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, […]

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৮

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, যারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং এ বিচার হবে দ্রুত বিচার আদালতে।

ফেসবুকে মোদি লিখেছেন, “আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি।”

“যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

এদিকে বিক্ষোভকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমা চাইতে বলেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১