বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

ইরান ধ্বংসস্তূপ থেকে বারবার ফিনিক্স পাখির মতো জেগে ওঠার ক্ষমতা রাখে : মিডলইস্ট আই

ইরানের দীর্ঘ ইতিহাসে বারবার বিদেশি আগ্রাসনের মুখে পড়ার এক নতুন অধ্যায় উন্মোচিত হয়েছে ২০২৬ সালের এই উত্তাল সময়ে। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েল ও আমেরিকার যৌথ সামরিক অভিযান দেশটির ওপর এক ভয়াবহ ধ্বংসলীলা চালিয়ে যাচ্ছে। ১৫ মার্চ রাজধানী তেহরানে বড় ধরনের বিমান হামলার পর ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ শুরু হলেও ইরানিদের চোখে এটি কেবল বর্তমানের […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ মার্চ ২০২৬, ২০:১৭

ইরানের দীর্ঘ ইতিহাসে বারবার বিদেশি আগ্রাসনের মুখে পড়ার এক নতুন অধ্যায় উন্মোচিত হয়েছে ২০২৬ সালের এই উত্তাল সময়ে। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েল ও আমেরিকার যৌথ সামরিক অভিযান দেশটির ওপর এক ভয়াবহ ধ্বংসলীলা চালিয়ে যাচ্ছে।

১৫ মার্চ রাজধানী তেহরানে বড় ধরনের বিমান হামলার পর ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ শুরু হলেও ইরানিদের চোখে এটি কেবল বর্তমানের সংঘাত নয় বরং হাজার বছরের ঐতিহ্যের ওপর আসা এক প্রাচীন পরীক্ষার পুনরাবৃত্তি মাত্র। বিশিষ্ট চিন্তাবিদ হামিদ দাবাশি এই পরিস্থিতিকে বর্ণনা করেছেন এমন এক সভ্যতা হিসেবে, যা ধ্বংসস্তূপ থেকে বারবার ফিনিক্স পাখির মতো জেগে ওঠার ক্ষমতা রাখে।

ইরানি জনগণের ঐতিহাসিক স্মৃতি অত্যন্ত প্রখর এবং গভীর। তাদের কাছে খ্রিস্টপূর্ব ৩৪৪ অব্দের আলেকজান্ডারের পারস্য বিজয় কিংবা সপ্তম ও ত্রয়োদশ শতাব্দীর আরব ও মঙ্গোল আক্রমণ কোনো সুদূর অতীত নয় বরং বর্তমান চেতনারই অংশ।

এই দীর্ঘ পথপরিক্রমায় ইরান বারবার দখলদারদের পদতলে পিষ্ট হলেও তার সাংস্কৃতিক ও সভ্যতার শিকড় কখনো উপড়ে ফেলা সম্ভব হয়নি। বর্তমানের এই সংকটকে ইরানিরা তাদের সেই সহস্রাব্দের লড়াইয়ের অংশ হিসেবেই দেখছে, যেখানে প্রতিটি আগ্রাসন দেশটিকে ভেতর থেকে আরও বেশি একতাবদ্ধ এবং আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান এই যুদ্ধের মূল নকশাকার ইসরায়েল এবং এর নেপথ্য শক্তি হিসেবে কাজ করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন। গাজা, লেবানন, সিরিয়া এবং ইয়েমেনের পর এখন ইরানের ওপর এই মারণযজ্ঞ চালানো হচ্ছে, এটি মূলত বসতিস্থাপনকারী ঔপনিবেশিক শক্তির আধিপত্য বিস্তারের চরম বহিঃপ্রকাশ। অভিযোগ উঠেছে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কয়েক দশক ধরে মার্কিন সাম্রাজ্যকে ব্যবহার করে ইরানকে ধ্বংস করার যে নীল নকশা এঁকেছিলেন, বর্তমান পরিস্থিতি তারই চূড়ান্ত রূপ।

ইরানের সার্বভৌমত্ব কেবল কোনো নির্দিষ্ট শাসক বা সরকারের ওপর নির্ভর করে না বরং এর আসল শক্তি নিহিত রয়েছে দেশটির বিচিত্র ও বহুত্ববাদী জনগণের মাঝে। আচেমানীয় থেকে সাফাবিদ এবং তারও পরবর্তী সময়ের বিভিন্ন রাজবংশের পতন ঘটলেও ইরানের জাতীয় সত্তা ও স্বকীয়তা সব সময় অটুট ছিল। ঐতিহাসিকরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, অতীতে রাশিয়ার আক্রমণ কিংবা ১৯৮০-র দশকে ইরাকি আগ্রাসনও ইরানকে দমাতে পারেনি। বরং প্রতিটি আঘাতের পর ইরানের শিল্প, সাহিত্য এবং বিজ্ঞান এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

বর্তমান এই আগ্রাসনের একটি নিষ্ঠুর দিক হলো ইরানের নাগরিক অবকাঠামো এবং প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা। অভিযোগ করা হচ্ছে, ইসরায়েল কেবল ইরানের সামরিক সক্ষমতা নয় বরং দেশটির পাঁচ হাজার বছরের ঐতিহাসিক স্মৃতিকে মুছে ফেলতে চায়।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে শিল্পকলা পর্যন্ত সবকিছুর ওপর এই আঘাত মূলত একটি সমৃদ্ধ সভ্যতাকে শিকড়হীন করার প্রচেষ্টা। তবে ইরানি বুদ্ধিজীবীদের দাবি, যারা ফিলিস্তিনিদের অস্তিত্ব অস্বীকার করে তারা ইরানের গভীর শিকড় সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ।

এই যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের গণ্ডি পেরিয়ে আমেরিকার অভ্যন্তরেও জনমতে বড় ধরনের বিভাজন তৈরি করেছে। দেখা যাচ্ছে, আমেরিকান জনগণের একটি বড় অংশ এখন ইসরায়েলি নীতির বিরোধিতা করছে এবং ফিলিস্তিনিদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে উঠছে।

এমনকি পশ্চিমা মূলধারার সংবাদমাধ্যমগুলো জনমতকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করলেও সাধারণ মানুষের ক্ষোভ প্রশমিত হচ্ছে না। যুদ্ধের এই ভয়াবহতা অনেক আমেরিকানকেই তাদের নিজ দেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।

অন্যদিকে ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও এই যুদ্ধ এক কঠিন পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর অদক্ষতা এবং দুর্নীতির সমালোচনা থাকলেও বিদেশি আগ্রাসনের সামনে সাধারণ মানুষ তাদের মাতৃভূমির অস্তিত্ব রক্ষায় বদ্ধপরিকর।

রাজতন্ত্রের অনুসারী বা সুবিধাবাদী বুদ্ধিজীবীরা যারা এই আক্রমণকে সমর্থন করছেন, তারা সাধারণ ইরানিদের চোখে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছেন। দেশের ভেতরের রাজনৈতিক মতভেদ ছাপিয়ে এখন বড় হয়ে উঠেছে জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং দীর্ঘস্থায়ী সভ্যতার সুরক্ষা।

ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে ইরান প্রমাণ করেছে যে তারা কেবল বিজিত হতে জানে না বরং বিজেতাদেরই জয় করতে জানে। আলেকজান্ডার থেকে মঙ্গোল পর্যন্ত সব দখলদারই শেষ পর্যন্ত ইরানের সমৃদ্ধ সংস্কৃতির কাছে নতি স্বীকার করেছে।

বর্তমানের এই ধ্বংসযজ্ঞ এবং কার্পেট বোমাবর্ষণ সাময়িকভাবে দেশটিকে ক্ষতবিক্ষত করলেও ইরানিদের লৌহকঠিন ইচ্ছা শক্তির কাছে এই আধুনিক বর্বরতা পরাস্ত হবে বলেই দেশটির নাগরিক সমাজ বিশ্বাস করে। ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া পতাকাটি আজ কেবল একটি কাপড়ের টুকরো নয় বরং সহস্র বছরের টিকে থাকার সংগ্রামের প্রতীক।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১১৭

আন্তর্জাতিক

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে এই তিন দেশ থেকে আসা যেকোনো ভ্রমণকারীর জন্য ভিসা ইস্যু এবং সৌদিতে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র সরাসরি ওই তিন দেশ থেকে […]

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

তিন দেশের নাগরিকদের প্রবেশ ও ভিসা স্থগিত করল সৌদি আরব

ডেস্ক রিপোর্ট

২৭ জুন ২০২৬, ১০:০৯

ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, উগান্ডা এবং দক্ষিণ সুদানের নাগরিকদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সৌদি আরব। একই সঙ্গে এই তিন দেশ থেকে আসা যেকোনো ভ্রমণকারীর জন্য ভিসা ইস্যু এবং সৌদিতে প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা শুধুমাত্র সরাসরি ওই তিন দেশ থেকে আসা যাত্রীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়, বরং তৃতীয় কোনো দেশ হয়ে যারা সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করছেন, তাদের ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে। সৌদিতে প্রবেশের আগের ২১ দিনের মধ্যে যদি কোনো ব্যক্তি এই তিন দেশের যেকোনো একটিতে অবস্থান করে থাকেন, তবে তিনিও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বেন। এছাড়া সৌদি নাগরিকদেরও ওই তিন দেশে ভ্রমণ না করার নির্দেশনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ‘ওয়াকায়া’ জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সংক্রামক ব্যাধির আন্তঃসীমান্ত বিস্তার রোধে এই জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইবোলা সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সৌদি আরবের প্রবেশপথগুলোতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা (স্ক্রিনিং), রোগ নজরদারি এবং দ্রুত সাড়াদান প্রক্রিয়া আরও জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া আক্রান্ত দেশগুলোর প্রতিবেশী রাষ্ট্র—যেমন রুয়ান্ডা, বুরুন্ডি, তানজানিয়া ও কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ব্রাজাভিল) থেকে আগত যাত্রীদের ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, সৌদি আরবের জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ স্থিতিশীল। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা চালুর পর থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ইবোলার কোনো নিশ্চিত বা সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়নি। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মহামারি পরিস্থিতির ওপর সৌদি কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিক নজর রাখছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ প্রস্তুত রয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১১৭

আন্তর্জাতিক

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের […]

প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১০:৪৫

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানের এক শীর্ষ মন্ত্রী ভারতের নাম উল্লেখ না করে হুমকি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাদের প্রাপ্য পানির ওপর কেউ হাত দিলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে।

ভারতের কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রী সি আর পাতিল কর্তৃক আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে ভারতের অংশের সমস্ত পানি সম্পূর্ণ ব্যবহারের ঘোষণার পরই ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে এই তীব্র প্রতিক্রিয়া এল।

ইসলামাবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মুসাদিক মালিক সরাসরি অভিযোগ করেন যে প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী সিন্ধু নদের পানির কলটি নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং তিনি পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও আসতে দিতে চান না।

পাকিস্তানি এই মন্ত্রী বলেন যে তাদের দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের জীবিকা কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ফলে অন্য কেউ এসে তাদের দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, অর্ধেক কর্মসংস্থান এবং ২৫ শতাংশ অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন যে পানির অধিকার খর্ব করা হলে তার চড়া মূল্য দিতে হবে এবং তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করবেন।

মুসাদিক মালিক আরও যুক্তি দেন যে আন্তর্জাতিক প্রথা অনুযায়ী চুক্তি না থাকলেও নদীর উপরিভাগে থাকা দেশগুলো নিচের দেশের পানি প্রবাহ বন্ধ করতে পারে না।

অথচ দুই দেশের মধ্যে ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তি রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য নিম্ন অববাহিকার শিশুদের পানির অধিকার রয়েছে কি না এবং আন্তর্জাতিকভাবে কোনটা প্রকৃত ন্যায়বিচার, তা নির্ধারণের জন্য তারা এই বিষয়টি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরবেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি করেন যে সিন্ধু নদ পানিবণ্টন চুক্তিটি আইনগতভাবে এখনও বহাল রয়েছে এবং কোনো দেশ এককভাবে এটি বাতিল বা সংশোধন করতে পারে না।

তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের বক্তব্য পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে সিন্ধু নদের পানি পাকিস্তানের জন্য জীবনরেখা এবং এটি তাদের জন্য একটি লাল রেখা বা ‘রেড লাইন’।

অন্য দিকে ভারতের অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ় ও স্পষ্ট। গত বছর জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে একটি ভয়াবহ আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসী হামলায় ২৫ জন পর্যটকসহ মোট ২৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পর নয়া দিল্লি এই ঐতিহাসিক পানিবণ্টন চুক্তিটি সাময়িকভাবে স্থগিত বা মুলতবি ঘোষণা করে।

ভারতের পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে পাকিস্তান যতক্ষণ না তাদের মাটিতে লালিত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার সন্ত্রাসী পরিকাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করার দৃশ্যমান প্রমাণ দেবে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পানি চুক্তি স্থগিতই থাকবে।

সূত্র: এনডিটিভি

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১১৭

আন্তর্জাতিক

ওমান উপকূলে ড্রোন হামলায় ডুবে গেছে ভারতীয় জাহাজ!

ওমান উপকূলের কাছে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি জাহাজ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পরে ওমান কর্তৃপক্ষ জাহাজটির নাবিকদের উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে নেয়। জানা গেছে, ড্রোন হামলার পর সাগরে পুরোপুরি ডুবে যায় ওই জাহাজটি। ‘এমএসভি হাজি আলি’ (Haji Ali) নামের কার্গো শিপের উপর এই হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি। প্রাথমিক […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ মে ২০২৬, ১৮:০৪

ওমান উপকূলের কাছে ভারতীয় পতাকাবাহী একটি জাহাজ ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পরে ওমান কর্তৃপক্ষ জাহাজটির নাবিকদের উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে নেয়।

জানা গেছে, ড্রোন হামলার পর সাগরে পুরোপুরি ডুবে যায় ওই জাহাজটি। ‘এমএসভি হাজি আলি’ (Haji Ali) নামের কার্গো শিপের উপর এই হামলার ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি।

প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, সন্দেহভাজন ড্রোন হামলার জেরেই জাহাজটি ডুবে গিয়েছে। তবে জাহাজে থাকা ১৪ জন ভারতীয় নাবিককেই নিরাপদে উদ্ধার করেছে ওমান কোস্টগার্ড।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র হামলাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ওমান কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, জাহাজের সব ক্রু সদস্য নিরাপদ আছেন।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এক বিবৃতিতে ভারত বলেছে, বাণিজ্যিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা এবং নিরীহ বেসামরিক নাবিকদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে।

পাশাপাশি নৌ চলাচল ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বাধীনতায় বাধা সৃষ্টি না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১১৭