শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বিনোদন

সালমান শাহ হত্যা মামলার আসামিদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় আসামিদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এ বিষয়ে রমনা থানা পুলিশ চিঠি দিয়েছে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি আদালতের নির্দেশে পুনরায় তদন্তাধীন থাকায় আসামিরা যেন দেশ ত্যাগ করতে না পারে, সে জন্য রমনা থানা থেকে সংশ্লিষ্ট সব বিমান ও স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে। রমনা থানার […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ অক্টোবর ২০২৫, ২০:৫৬

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় আসামিদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এ বিষয়ে রমনা থানা পুলিশ চিঠি দিয়েছে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি আদালতের নির্দেশে পুনরায় তদন্তাধীন থাকায় আসামিরা যেন দেশ ত্যাগ করতে না পারে, সে জন্য রমনা থানা থেকে সংশ্লিষ্ট সব বিমান ও স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে।

রমনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম ফারুক বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মামলার তদন্ত এখন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। তাই কোনো আসামি যেন দেশ ছাড়তে না পারেন, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর রহস্যজনক মৃত্যু হয়। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর এ মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে দাবি করেন অভিনেতার সাবেক স্ত্রী সামিরা হক।

তবে এতে দ্বিমত পোষণ করেন সালমান শাহর পরিবার। তাদের দাবি, সালমান শাহকে সুপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে অপমৃত্যু মামলার তদন্তে তদন্তকারীরা বারবার প্রতিবেদন দাখিল করেন নায়ক আত্মহত্যা কিরেছেন। এতে না রাজি জানিয়ে রিভিশন দাবি করেন সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী।

এর আগে, গত ২০ অক্টোবর সালমান শাহর অপমৃত্যু মামলাকে হত্যা মামলায় রূপান্তরের নির্দেশ দেন আদালত। মহানগর দায়রা জজ আদালতের দেওয়া নির্দেশের ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম। এরপরই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। শুরু হয় তদন্ত।

তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা জানান, পুনঃতদন্তে নতুন তথ্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের কাজ চলছে।

সালমান শাহ হত্যা মামলায় সর্বমোট ১১ জনকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হত্যা মামলায় প্রধান আসামি নায়কের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক।

অন্য ১০ আসামিরা হলেন- প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, লতিফা হক লুসি, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, মেফিয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আবদুস সাত্তার, সাজু ও রিজভী আহমেদ ফরহাদ।

বিনোদন

হাইকোর্টে চিত্রনায়ক রিয়াজ, জুলাই হত্যা মামলায় জামিন আবেদন বাতিল

২৪-এর জুলাই আন্দোলন ঘিরে দায়ের হওয়া দুটি হত্যা মামলায় আগাম জামিন পাননি চিত্রনায়ক রিয়াজ।তিনি আজ বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে সশরীরে হাজির হয়ে আগাম জামিন আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে আদালত তার আগাম জামিন আবেদন নাকচ করে দেন। রিয়াজের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর একটি হলো বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় রাজধানীর সরকারি আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ এমদাদকে হত্যাচেষ্টার […]

হাইকোর্টে চিত্রনায়ক রিয়াজ, জুলাই হত্যা মামলায় জামিন আবেদন বাতিল

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪:৫০

২৪-এর জুলাই আন্দোলন ঘিরে দায়ের হওয়া দুটি হত্যা মামলায় আগাম জামিন পাননি চিত্রনায়ক রিয়াজ।
তিনি আজ বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে সশরীরে হাজির হয়ে আগাম জামিন আবেদন করেন তিনি। শুনানি শেষে আদালত তার আগাম জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।

রিয়াজের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর একটি হলো বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় রাজধানীর সরকারি আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ এমদাদকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলা। ২০২৫ সালের ২ মে মামলাটি করা হয়।

এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে শিল্পী, সাংবাদিক, শিক্ষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ মোট ২০১ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এর আগে ২০২৫ সালের ৩০ এপ্রিল ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুল ইসলামের আদালত অভিযোগটি গ্রহণ করে শাহবাগ থানাকে এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। মামলায় আসামি করা ১৪ অভিনয়শিল্পীর মধ্যে রয়েছেন চিত্রনায়ক রিয়াজ, ফেরদৌস আহমেদ, চঞ্চল চৌধুরী, মামুনুর রশীদ, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, অরুণা বিশ্বাস, জ্যোতিকা জ্যোতি, শামীমা

তুষ্টি, শমী কায়সার, সাজু খাদেম, আশনা হাবীব ভাবনা, সোহানা সাবা, রোকেয়া প্রাচী ও জায়েদ খান।এ মামলায় সাংবাদিকদের মধ্যেও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কালবেলা সম্পাদক সন্তোষ শর্মা ও এটিএন নিউজের মুন্নী সাহাসহ মোট ১৫ জন সাংবাদিকের নাম রয়েছে। শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন জাফর ইকবাল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মিজানুর রহমান ও মুনতাসির মামুনসহ ১৩ জন।

এ ছাড়া ইমরান এইচ সরকার ও লাকী আক্তারকেও মামলার আসামি করা হয়েছে। জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া অন্য একটি হত্যা মামলাতেও রিয়াজের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।

বিনোদন

ভেনিসে বাঁধনকে হেনস্তার অভিযোগ, ক্ষুব্ধ পরীমনি

ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে ইতালি গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সামনে হেনস্তার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। ঘটনায় ক্ষোভ জানিয়েছেন পরীমনি।

ভেনিসে বাঁধনকে হেনস্তার অভিযোগ, ক্ষুব্ধ পরীমনি

বাঁধনের পাশে পরীমনি

নিউজ ডেস্ক

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:০৩

ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে ইতালি গিয়ে হেনস্তার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। পরিবারের সদস্য ও এক শিশুর সামনে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি।

ঘটনার একটি ভিডিও শেয়ার করে পরীমনি লেখেন, রাস্তায় কয়েকজনের চিৎকারের কাছে একটি শিশুর কান্নাও গুরুত্ব পায়নি। তিনি আক্রমণকারীদের উদ্দেশে তীব্র ভাষায় নিন্দা জানান।

জানা গেছে, ভেনিসের মেস্ত্রে এলাকার একটি পার্কে ভাইয়ের পরিবারের সঙ্গে অবস্থান করছিলেন বাঁধন। এ সময় একদল ব্যক্তি তাকে ঘিরে গালিগালাজ ও হেনস্তা করতে থাকেন বলে অভিযোগ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে কয়েকজনকে নিজেদের ‘ভেনিস ছাত্রলীগ’ ও ‘বঙ্গবন্ধুর সৈনিক’ হিসেবে পরিচয় দিতে শোনা যায়। তারা বাঁধনকে ‘জুলাই জঙ্গি’ বলে কটূক্তি করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনার সময় বাঁধনের সঙ্গে থাকা তার ভাইয়ের শিশু সন্তান আতঙ্কে কাঁদতে শুরু করে। তবে ওই ব্যক্তিদের আচরণ থামেনি বলে ভিডিওতে দেখা যায়।

পরে এক ভিডিও বার্তায় ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন বাঁধন। তার অভিযোগ, তাকে শারীরিকভাবে আঘাত করা হয়েছে। শরীরে কোল্ড ড্রিংকস ও পানি ছুড়ে মারার পাশাপাশি টানাহেঁচড়ার সময় তার মোবাইল ফোনও ফেলে দেওয়া হয়।

২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে বাঁধনের সক্রিয় ভূমিকার কারণে তাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়ে থাকতে পারে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে ধারণা করছেন। তবে ঘটনার কারণ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটির সমালোচনা করছেন অনেকেই।

বিনোদন

এআই দিয়ে মিথ্যা কন্টেন্ট তৈরি করা কোনো বিনোদন নয়,এটি অপরাধ: মেহজাবীন চৌধুরী

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি এবং তাকে হেয় করার উদ্দেশ্যে তা ছড়িয়ে দেওয়াকে অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। একই সঙ্গে এ ধরনের কনটেন্ট ছড়িয়ে দিতে স্যোশাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে তুলেছেন তিনি। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এসব কথা বলেন […]

এআই দিয়ে মিথ্যা কন্টেন্ট তৈরি করা কোনো বিনোদন নয়,এটি অপরাধ: মেহজাবীন চৌধুরী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৯

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি এবং তাকে হেয় করার উদ্দেশ্যে তা ছড়িয়ে দেওয়াকে অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। একই সঙ্গে এ ধরনের কনটেন্ট ছড়িয়ে দিতে স্যোশাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে তুলেছেন তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এসব কথা বলেন মেহজাবীন চৌধুরী।

পোস্টে তিনি লেখেন, এআই ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি করা এবং কাউকে হেয় করার উদ্দেশ্যে তা ছড়িয়ে দেওয়া কোনো বিনোদন নয়। এটি একটি অপরাধ। কিন্তু যখন একই কনটেন্ট শত শত কিংবা হাজার হাজার মানুষ শেয়ার করতে থাকে, তখন বিষয়টি শুধু একজন ব্যক্তির অপরাধের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। এটি আরও বড় একটি সামাজিক সমস্যার চিত্র তুলে ধরে। তখন প্রশ্ন জাগে, সমাজ হিসেবে আমরা আসলে কোন জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছি?

মেহজাবীন লেখেন, এই পর্যায়ে এসে সেই পুরোনো কথাটাও আর বলতে ইচ্ছে করে না যে, একবার ভাবুন তো, এমনটা যদি আপনার মা কিংবা বোনের সঙ্গে ঘটত!কারণ কাউকে মানুষ হিসেবে সম্মান করতে, তাকে আমাদের পরিবারের সদস্য হতে হবে কেন?

তিনি আরও লেখেন, কিছু ভিউ, কিছু লাইক, কিছু শেয়ার, ট্রেন্ডিংয়ে থাকা, হয়তো সেখান থেকে কয়েকটা ডলার আয়। আমি বুঝি, মানুষের জীবনে সংগ্রাম আছে। অনেকের জন্য কনটেন্ট তৈরি করাই এখন জীবিকা নির্বাহের একটি উপায়। সেই বাস্তবতাকে আমি অস্বীকার করতে চাই না। কিন্তু প্রশ্ন হলো, কবে থেকে অন্য একজন মানুষের অপমান আর অসম্মান আমাদের উপার্জনের মাধ্যম হয়ে উঠল?

বিষয়টি কেবল নারী কিংবা পুরুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই উল্লেখ করে এই অভিনেত্রী লেখেন, আর বিষয়টা এখন শুধু নারী কিংবা পুরুষের মধ্যেও সীমাবদ্ধ নেই। ভিউ, এনগেজমেন্ট আর ট্রেন্ডিংয়ের এই প্রতিযোগিতা এখন লিঙ্গের সীমারেখাও ছাড়িয়ে গেছে। ক্ষতিকর কিছু ছড়িয়ে দেওয়ার অংশ হতে পারে যে কেউ, আবার এর শিকারও হতে পারে যে কেউ।

মেহজাবীন আরও লেখেন, আমাকে সবচেয়ে বেশি ভাবায় শুধু সেই মানুষটি নয়, যে এমন কিছু তৈরি করছে। বরং সেই অসংখ্য মানুষ, যারা স্বেচ্ছায় সেটি শেয়ার করছে, আলোচনা করছে এবং আরও হাজার হাজার মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। একজন অপরাধীর অপরাধে অংশ নিয়ে নিজের বিবেকহীনতার পরিচয় দেবেন কি না, ভেবে দেখতে পারেন ।