বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

‎কুবিতে শুরু হলো প্রথম আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সম্মেলন

কুবি প্রতিনিধি : ‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) বিজ্ঞান অনুষদের আয়োজনে প্রথমবারের মতো শুরু হলো দুই দিনব্যাপী ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন মাল্টিডিসিপ্লিনারি রিসার্চ ইন সায়েন্সেস’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সম্মেলন। ‎শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (বার্ড) ময়নামতি অডিটোরিয়ামে এ সম্মেলনের উদ্বোধন হয়। ‎‎বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. প্রদীপ দেবনাথের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে […]

‎কুবিতে শুরু হলো প্রথম আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সম্মেলন

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২১:৫৫

কুবি প্রতিনিধি :

‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) বিজ্ঞান অনুষদের আয়োজনে প্রথমবারের মতো শুরু হলো দুই দিনব্যাপী ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন মাল্টিডিসিপ্লিনারি রিসার্চ ইন সায়েন্সেস’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সম্মেলন।

‎শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (বার্ড) ময়নামতি অডিটোরিয়ামে এ সম্মেলনের উদ্বোধন হয়।

‎‎বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. প্রদীপ দেবনাথের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়াল মাধ্যমে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান ।

‎এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসমাইল, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ শাহিদুল ইসলাম, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসাইন উদ্দিন শেখর এবং চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. পায়ের আহমেদসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

‎জানা যায়, সম্মেলনের প্রথম দিনে ১৪টি ভেন্যুতে ৬টি কি-নোট সেশন, ১৩ টি টেকনিক্যাল সেশন এবং ১টি পোস্টার সেশন অনুষ্ঠিত হবে এবং দ্বিতীয় দিনে ৯টি ভেন্যুতে ৪ টি কি-নোট সেশন এবং ৯টি টেকনিক্যাল সেশন অনুষ্ঠিত হবে।

উক্ত সম্মেলনের জন্য মোট ২৭০ টি অ্যাবস্ট্রাক্ট জমা পড়েছে, যার মধ্যে ১৮৪ টি নির্বাচিত হয়েছে। অ্যাবস্ট্রাক্টগুলোর মধ্যে ১৪৯ টি মৌখিক প্রেজেন্টেশন এবং ৩৫ টি পোস্টার প্রেজেন্টেশন হবে। এছাড়াও সম্মেলনে ১৩ টি প্রবন্ধ উপস্থিত হবে এবং ২টি প্লেনারি টক অনুষ্ঠিত হবে। 

‎নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, “আমরা সবাই নিজ নিজ বিষয়ের গণ্ডির মধ্যেই কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি এবং আন্তঃবিষয়ক শিক্ষাব্যবস্থাকে প্রায়ই উপেক্ষা করি।

আমরা মনে করি, রসায়ন শুধু রসায়নের জন্য, বায়োকেমিস্ট্রি বা অ্যাপ্লায়েড কেমিস্ট্রি শুধু নিজ নিজ বিষয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ, এই চিন্তা থেকে আমাদের বের হতে হবে। এখন সময় এসেছে বহুমাত্রিক ও বৈচিত্র্যময়ভাবে কাজ করার।

‎তিনি আরও বলেন , “কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আজকের এই সেমিনার বৈশ্বিক সমস্যা সমাধান নিয়ে ভাবার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এ জন্য শুধু প্রযুক্তি ব্যবহার করলেই চলবে না, প্রযুক্তি উদ্ভাবনও করতে হবে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কখনোই অটোপাইলট নয়, বরং এটি একটি কো-পাইলট।

তাই শিক্ষার্থীদের এআইয়ের প্রভাব সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে এবং জানতে হবে, কোথায়, কখন এবং কীভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করা উচিত এবং এআই কিভাবে গবেষণায় কাজে লাগাতে পারি সেটাও জানা দরকার।”

‎কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, “দেশি ও আন্তর্জাতিক গবেষক ও শিক্ষাবিদদের এই দুই দিনব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক সমাবেশের সূচনা হতে যাচ্ছে, এটি আমাদের জন্য একটি গর্বের মুহূর্ত। এই সম্মেলনের কাঠামো ও পরিকল্পনা প্রাতিষ্ঠানিক সম্পদকে জ্ঞান সৃষ্টির সুযোগ, উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

আমরা একটি দ্রুত পরিবর্তনশীল পৃথিবীতে বসবাস করছি, যেখানে জটিল বৈজ্ঞানিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জগুলো নতুন চিন্তা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার দাবি জানায়।’

‎তিনি আরও বলেন, “আজকের দিনে বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি আর বিচ্ছিন্ন কোনো সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এই সম্মেলনটি ধারণা বিনিময়, গবেষণা উপস্থাপন ও ভাগাভাগি করা এবং ঐতিহ্যগত বিষয়ভিত্তিক সীমা অতিক্রম করে অর্থবহ একাডেমিক ও পেশাগত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।

আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় মানসম্মত গবেষণার উন্নয়ন ও প্রসারে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। উদ্ভাবন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা বিশ্বাস করি, এই কর্মসূচিগুলো কেবল একাডেমিক লক্ষ্যকেই সমৃদ্ধ করবে না, বরং ভবিষ্যৎ গবেষণা উদ্যোগ ও অংশীদারিত্বকেও অনুপ্রাণিত করবে।’

‎উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, “কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদ প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের আয়োজন করেছে, যা আমাদের  বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক এবং বৈজ্ঞানিক উন্নতির নির্দেশ করে। এখানে উপস্থিত বিভিন্ন গবেষক প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাক্তি এবং আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ নির্দেশ করে আমাদের একাডেমিক তাৎপর্য ।

আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, এই কনফারেন্সে স্কলার এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে, যা বহুমুখী এবং বেশ্বিক নানা সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করবে। ল্যান্ডমার্ক ইভেন্ট শুধু আমাদের কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক উন্নতি না, এটা আরো নতুন প্রজন্মদের এবং নতুন গবেষকদের জন্য বড় সুযোগ সৃষ্টি করবে।’

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. মোঃ হায়দার আলি বলেন, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের প্রথম দিন থেকেই আমার একমাত্র স্বপ্ন ছিল এই বিশ্ববিদ্যালয়কে শুধু শিক্ষাদানের কেন্দ্র নয় বরং গবেষণা ও উদ্ভাবনের এক উৎকর্ষকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা।

এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমাদের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ইতোমধ্যে দুইটি আন্তর্জাতিক রিসার্চ আয়োজন করেছে এবং সম্প্রতি কলা অনুষদ আরও একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সফল আয়োজন করেছে। এসব উদ্যোগ আমাদের গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা ও আন্তর্জাতিক একাডেমিক সহযোগিতার প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।’

‎তিনি আরও বলেন, “আমরা অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ের প্রজেক্ট ও থিসিস গবেষকদের জন্য বিশেষ গবেষণা বৃত্তি চালু করেছি। চলতি বছর আমরা পিএইচডি প্রোগ্রামও চালু করার চেষ্টা করছি।

এই মাস থেকেই প্রায় ১৩ জন পিএইচডি গবেষক তাঁদের গবেষণা কার্যক্রম শুরু করতে পারবেন বলে আমরা আশা রাখছি। তাঁদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ গবেষণা বৃত্তি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতিও আমরা দিচ্ছি।’

‎সম্মেলনের সভাপতি এবং বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. প্রদীপ দেবনাথ বলেন, “আন্তর্জাতিক এই কনফারেন্সের লক্ষ্য হলো দেশ ও বিদেশের গবেষক ও শিক্ষিত ব্যক্তিদের একসাথে হওয়া। উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে জটিল ও বৈশ্বিক চ্যালেন্জ গুলোর সমস্যা সমধান করা।

এই কনফারেন্স গবেষক ও শিক্ষানবীস গবেষক অংশগ্রহণের মাধ্যমে নতুন আইডিয়া আবিস্কার করবে। দেশি বিদেশি গবেষকদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করবে। যা সমাজের জন্য ভালো কিছু বয়ে আনবে।”

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।