রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

‎কুবিতে শুরু হলো প্রথম আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সম্মেলন

কুবি প্রতিনিধি : ‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) বিজ্ঞান অনুষদের আয়োজনে প্রথমবারের মতো শুরু হলো দুই দিনব্যাপী ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন মাল্টিডিসিপ্লিনারি রিসার্চ ইন সায়েন্সেস’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সম্মেলন। ‎শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (বার্ড) ময়নামতি অডিটোরিয়ামে এ সম্মেলনের উদ্বোধন হয়। ‎‎বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. প্রদীপ দেবনাথের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে […]

‎কুবিতে শুরু হলো প্রথম আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সম্মেলন

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২১:৫৫

কুবি প্রতিনিধি :

‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) বিজ্ঞান অনুষদের আয়োজনে প্রথমবারের মতো শুরু হলো দুই দিনব্যাপী ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন মাল্টিডিসিপ্লিনারি রিসার্চ ইন সায়েন্সেস’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সম্মেলন।

‎শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (বার্ড) ময়নামতি অডিটোরিয়ামে এ সম্মেলনের উদ্বোধন হয়।

‎‎বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. প্রদীপ দেবনাথের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়াল মাধ্যমে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান ।

‎এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসমাইল, পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ শাহিদুল ইসলাম, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসাইন উদ্দিন শেখর এবং চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. পায়ের আহমেদসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

‎জানা যায়, সম্মেলনের প্রথম দিনে ১৪টি ভেন্যুতে ৬টি কি-নোট সেশন, ১৩ টি টেকনিক্যাল সেশন এবং ১টি পোস্টার সেশন অনুষ্ঠিত হবে এবং দ্বিতীয় দিনে ৯টি ভেন্যুতে ৪ টি কি-নোট সেশন এবং ৯টি টেকনিক্যাল সেশন অনুষ্ঠিত হবে।

উক্ত সম্মেলনের জন্য মোট ২৭০ টি অ্যাবস্ট্রাক্ট জমা পড়েছে, যার মধ্যে ১৮৪ টি নির্বাচিত হয়েছে। অ্যাবস্ট্রাক্টগুলোর মধ্যে ১৪৯ টি মৌখিক প্রেজেন্টেশন এবং ৩৫ টি পোস্টার প্রেজেন্টেশন হবে। এছাড়াও সম্মেলনে ১৩ টি প্রবন্ধ উপস্থিত হবে এবং ২টি প্লেনারি টক অনুষ্ঠিত হবে। 

‎নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, “আমরা সবাই নিজ নিজ বিষয়ের গণ্ডির মধ্যেই কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি এবং আন্তঃবিষয়ক শিক্ষাব্যবস্থাকে প্রায়ই উপেক্ষা করি।

আমরা মনে করি, রসায়ন শুধু রসায়নের জন্য, বায়োকেমিস্ট্রি বা অ্যাপ্লায়েড কেমিস্ট্রি শুধু নিজ নিজ বিষয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ, এই চিন্তা থেকে আমাদের বের হতে হবে। এখন সময় এসেছে বহুমাত্রিক ও বৈচিত্র্যময়ভাবে কাজ করার।

‎তিনি আরও বলেন , “কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আজকের এই সেমিনার বৈশ্বিক সমস্যা সমাধান নিয়ে ভাবার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এ জন্য শুধু প্রযুক্তি ব্যবহার করলেই চলবে না, প্রযুক্তি উদ্ভাবনও করতে হবে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কখনোই অটোপাইলট নয়, বরং এটি একটি কো-পাইলট।

তাই শিক্ষার্থীদের এআইয়ের প্রভাব সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে এবং জানতে হবে, কোথায়, কখন এবং কীভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করা উচিত এবং এআই কিভাবে গবেষণায় কাজে লাগাতে পারি সেটাও জানা দরকার।”

‎কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, “দেশি ও আন্তর্জাতিক গবেষক ও শিক্ষাবিদদের এই দুই দিনব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক সমাবেশের সূচনা হতে যাচ্ছে, এটি আমাদের জন্য একটি গর্বের মুহূর্ত। এই সম্মেলনের কাঠামো ও পরিকল্পনা প্রাতিষ্ঠানিক সম্পদকে জ্ঞান সৃষ্টির সুযোগ, উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বে রূপান্তর করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

আমরা একটি দ্রুত পরিবর্তনশীল পৃথিবীতে বসবাস করছি, যেখানে জটিল বৈজ্ঞানিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জগুলো নতুন চিন্তা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার দাবি জানায়।’

‎তিনি আরও বলেন, “আজকের দিনে বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি আর বিচ্ছিন্ন কোনো সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এই সম্মেলনটি ধারণা বিনিময়, গবেষণা উপস্থাপন ও ভাগাভাগি করা এবং ঐতিহ্যগত বিষয়ভিত্তিক সীমা অতিক্রম করে অর্থবহ একাডেমিক ও পেশাগত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।

আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় মানসম্মত গবেষণার উন্নয়ন ও প্রসারে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। উদ্ভাবন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে আমরা বিশ্বাস করি, এই কর্মসূচিগুলো কেবল একাডেমিক লক্ষ্যকেই সমৃদ্ধ করবে না, বরং ভবিষ্যৎ গবেষণা উদ্যোগ ও অংশীদারিত্বকেও অনুপ্রাণিত করবে।’

‎উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, “কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদ প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের আয়োজন করেছে, যা আমাদের  বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক এবং বৈজ্ঞানিক উন্নতির নির্দেশ করে। এখানে উপস্থিত বিভিন্ন গবেষক প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাক্তি এবং আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ নির্দেশ করে আমাদের একাডেমিক তাৎপর্য ।

আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, এই কনফারেন্সে স্কলার এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে, যা বহুমুখী এবং বেশ্বিক নানা সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করবে। ল্যান্ডমার্ক ইভেন্ট শুধু আমাদের কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক উন্নতি না, এটা আরো নতুন প্রজন্মদের এবং নতুন গবেষকদের জন্য বড় সুযোগ সৃষ্টি করবে।’

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. মোঃ হায়দার আলি বলেন, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের প্রথম দিন থেকেই আমার একমাত্র স্বপ্ন ছিল এই বিশ্ববিদ্যালয়কে শুধু শিক্ষাদানের কেন্দ্র নয় বরং গবেষণা ও উদ্ভাবনের এক উৎকর্ষকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা।

এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমাদের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ইতোমধ্যে দুইটি আন্তর্জাতিক রিসার্চ আয়োজন করেছে এবং সম্প্রতি কলা অনুষদ আরও একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সফল আয়োজন করেছে। এসব উদ্যোগ আমাদের গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা ও আন্তর্জাতিক একাডেমিক সহযোগিতার প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।’

‎তিনি আরও বলেন, “আমরা অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ের প্রজেক্ট ও থিসিস গবেষকদের জন্য বিশেষ গবেষণা বৃত্তি চালু করেছি। চলতি বছর আমরা পিএইচডি প্রোগ্রামও চালু করার চেষ্টা করছি।

এই মাস থেকেই প্রায় ১৩ জন পিএইচডি গবেষক তাঁদের গবেষণা কার্যক্রম শুরু করতে পারবেন বলে আমরা আশা রাখছি। তাঁদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ গবেষণা বৃত্তি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতিও আমরা দিচ্ছি।’

‎সম্মেলনের সভাপতি এবং বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. প্রদীপ দেবনাথ বলেন, “আন্তর্জাতিক এই কনফারেন্সের লক্ষ্য হলো দেশ ও বিদেশের গবেষক ও শিক্ষিত ব্যক্তিদের একসাথে হওয়া। উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে জটিল ও বৈশ্বিক চ্যালেন্জ গুলোর সমস্যা সমধান করা।

এই কনফারেন্স গবেষক ও শিক্ষানবীস গবেষক অংশগ্রহণের মাধ্যমে নতুন আইডিয়া আবিস্কার করবে। দেশি বিদেশি গবেষকদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করবে। যা সমাজের জন্য ভালো কিছু বয়ে আনবে।”

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২২:২০

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হল।

যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রজ্ঞাপনটি আমি হাতে পেয়েছি। আমার এখানে কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো শেষ করে আজকে বা কালকের মধ্যে আমি যবিপ্রবিতে জয়েন করবো। 

উল্লেখ্য, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে শিক্ষকতা শুরু করেন।