শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

রাবিতে অনুষ্ঠিত হলো দ্বাদশ সমাবর্তন

রাবি প্রতিনিধি প্রায় ছয় বছর পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে দ্বাদশ সমাবর্তন। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় স্টেডিয়ামে এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন তিন ব্যাচের প্রায় ৬ হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি দুটি পর্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম পর্বে এদিন সকালে অতিথি ও গ্র্যাজুয়েটদের আসন গ্রহণ, শোভাযাত্রা, স্বাগত বক্তব্য, ডিগ্রি উপস্থাপন ও […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৯:৫৬

রাবি প্রতিনিধি

প্রায় ছয় বছর পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে দ্বাদশ সমাবর্তন। বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় স্টেডিয়ামে এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন তিন ব্যাচের প্রায় ৬ হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানটি দুটি পর্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম পর্বে এদিন সকালে অতিথি ও গ্র্যাজুয়েটদের আসন গ্রহণ, শোভাযাত্রা, স্বাগত বক্তব্য, ডিগ্রি উপস্থাপন ও গ্রহণ, শুভেচ্ছা ও সমাবর্তন বক্তব্য শেষে সভাপতির বক্তব্যের মাধ্যমে শেষ হয় এই পর্ব। পরে দুপুর আড়াইটায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়।

‎সমাবর্তনে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার, বিশেষ অতিথি হিসেবে পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ এবং সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন,’আজকের দিনটি শুধু শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত অর্জনের নয়, বরং এই ঐতিহাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্জিত জ্ঞান ও অবস্থানের স্বীকৃতি। বিশ্ববিদ্যালয় কেবল পেশাগত দক্ষতা অর্জনের স্থান নয়, এটি নৈতিকতা, বিবেক ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার শিক্ষাকেন্দ্র। এখানে ধারণা ও মূল্যবোধ গড়ে ওঠে, যা সমাজের কল্যাণে ভূমিকা রাখে।

‎তিনি বলেন, বাংলাদেশে দক্ষ পেশাজীবীর প্রয়োজন থাকলেও শিক্ষা যেন কেবল চাকরির প্রস্তুতিতে সীমাবদ্ধ না থাকে। বিশ্ববিদ্যালয় হলো জনগণের আমানত, যেখানে অর্জিত জ্ঞান সমাজ ও দেশের কল্যাণে ব্যবহৃত হওয়াই মূল লক্ষ্য।

শিক্ষার্থীদের নাগরিক দায়িত্ব, সচেতনতা, সমালোচনামূলক চিন্তা ও সাহসিকতার সঙ্গে জনজীবনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘ ঐতিহ্য ও আত্মত্যাগের ইতিহাস তুলে ধরে তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠান সবসময়ই ন্যায় ও বিবেকের পক্ষে দাঁড়ানোর শিক্ষা দিয়ে এসেছে।

সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ বলেন, ‘এই সমাবর্তন যেমন একদিক থেকে তোমাদের শিক্ষা যাত্রার সমাপ্তি অন্যদিকে তোমাদের বৃহৎ দায়িত্ব অর্পণ করে। আজকের এই অর্জন তোমাদের আগামী দিনের দায়িত্ব পালনের সোপান। তোমরা সর্বস্তরে নিজ নিজ দায়িত্ব সুন্দর ভাবে পালন করবে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে দক্ষ ‌গ্রাজুয়েট প্রয়োজন। যারা এদেশের উন্নয়নে সম্মূখ সারিতে থেকে অবদান রাখবে। এটি এমন এক বিনিয়োগ, যা এই বিশ্বাস ধারণ করে যে জ্ঞান ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা ধারণ করে না, বরং জন সাধারণের মঙ্গলের জন্যই।

তোমরা জনসাধারণের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবে, তাদের মঙ্গলে কাজ করবে। ক্রম পরিবর্তনশীল এই বিশ্বে ওয়ার্ল্ড ক্লাস সিটিজেন থাকার জন্য নিজের মধ্য দিয়েই পরিবর্তনের শুরু করতে হবে।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব বলেন, ‘গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, ন্যায় ও নৈতিকতার পক্ষে দাঁড়াতে সক্ষম দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও আপনারা যে অধ্যবসায় ও দৃঢ়তা দেখিয়েছেন, সেটিই আপনাদের অন্যতম বড় অর্জন।’

‎উপাচার্য বলেন, ‘‎আজকের প্রযুক্তিনির্ভর ও পরিবর্তনশীল বিশ্বে টিকে থাকতে হলে জ্ঞানকে মানবতার সেবায় নিয়োজিত করতে হবে, ন্যায়ের পক্ষে রাখতে হবে কণ্ঠস্বর এবং সততাকে রাখতে হবে জীবনের মূলনীতি হিসেবে। আপনারা এমন এক জাতির প্রতিনিধিত্ব করছেন, যার সম্ভাবনা অপরিসীম। এই দেশ আপনাদের সৃজনশীলতা, জ্ঞান ও ন্যায়পরায়ণ মানসিকতার দিকে তাকিয়ে আছে।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যদ্বয়, জনসংযোগ দপ্তর প্রশাসক, রেজিস্ট্রার ও প্রক্টরসহ বিভিন্ন অনুষদের অধিকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এবারের সমাবর্তনে ৬০, ৬১ ও ৬২ মোট ব্যাচের ৫ হাজার ৯৬৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে সর্বশেষ একাদশ সমাবর্তন ২০১৯ সালের ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২২:২০

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হল।

যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রজ্ঞাপনটি আমি হাতে পেয়েছি। আমার এখানে কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো শেষ করে আজকে বা কালকের মধ্যে আমি যবিপ্রবিতে জয়েন করবো। 

উল্লেখ্য, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে শিক্ষকতা শুরু করেন।