বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

ইস্পাহানি আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবলে ঢাবিকে হারিয়ে গবির উদ্বোধনী জয়

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি সংবাদদাতা: ইস্পাহানি আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে দুর্দান্ত জয় দিয়ে শিরোপা অভিযানের সূচনা করেছে গণ বিশ্ববিদ্যালয় (গবি)। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি মাঠে ৪৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে এবারের প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। দিনটির প্রথম ম্যাচেই মুখোমুখি হয় গণ বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় গবি। […]

ইস্পাহানি আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবলে ঢাবিকে হারিয়ে গবির উদ্বোধনী জয়

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ নভেম্বর ২০২৫, ০২:২৭

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি সংবাদদাতা:

ইস্পাহানি আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে দুর্দান্ত জয় দিয়ে শিরোপা অভিযানের সূচনা করেছে গণ বিশ্ববিদ্যালয় (গবি)।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি মাঠে ৪৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে এবারের প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। দিনটির প্রথম ম্যাচেই মুখোমুখি হয় গণ বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় গবি। ধাপে ধাপে চাপ বাড়ালেও নির্ধারিত সময়ে গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। ফলে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে আরও আত্মবিশ্বাসী পারফরম্যান্স দেখিয়ে গণ বিশ্ববিদ্যালয় ৪–৩ গোলের ব্যবধানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে পরাজিত করে উদ্বোধনী জয় নিশ্চিত করে।

টাইব্রেকারে দুটি শট ঠেকিয়ে ম্যাচসেরার স্বীকৃতি পান গবির গোলরক্ষক রাহুল হোসেন। তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন আশরাফউদ্দিন আহমেদ চুন্নু, আলফাজ আহমেদ, বিপ্লব ভট্টাচার্য, জাহিদ হাসান এমিলি, মামুনুল ইসলাম ও ইস্পাহানি গ্রুপের বিপণন উপমহাব্যবস্থাপক এইচ এম ফজলে রাব্বি।

টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশের খ্যাতিমান ফুটবলার ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব আশরাফউদ্দিন আহমেদ চুন্নু, শফিকুল ইসলাম মানিক, বিপ্লব ভট্টাচার্য, আলফাজ আহমেদ, মামুনুল ইসলাম মামুন, জাহিদ হাসান, তপু বর্মণ ও রাকিব হোসাইন রনি।

উপস্থিত ছিলেন স্পনসর প্রতিষ্ঠান ইস্পাহানি টি লিমিটেডের বিপণন মহাব্যবস্থাপক ওমর হান্নান এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ডিরেক্টর অব এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স ড. সৈয়দ মিজানুর রহমান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রথম আলোর প্রধান ক্রীড়া সম্পাদক উৎপল শুভ্র।

জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা ও অন্যান্য পতাকা উত্তোলনের পর বেলুন উড়িয়ে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়। এ উপলক্ষে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাজসজ্জায় ছিল উৎসবের আমেজ। শিক্ষার্থীরা সারিবদ্ধভাবে বসে ম্যাচ উপভোগ করেন।

অনুষ্ঠানে জাতীয় দলের ফুটবলার তপু বর্মণ বলেন, ‘প্রথমবার এই টুর্নামেন্টে এসে খুব ভালো লাগছে। ইস্পাহানি–প্রথম আলোকে ধন্যবাদ। ড্যাফোডিলের এত সুন্দর মাঠ, সত্যি আমি অভিভূত।’

স্বাগত বক্তব্যে টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির প্রধান ও জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আশরাফউদ্দিন আহমেদ চুন্নু বলেন, ‘দিন দিন টুর্নামেন্টের পরিধি বাড়ছে। দ্বিতীয় আয়োজন শেষে আয়োজকেরা বলেছিল, পরেরবার টুর্নামেন্টের পরিধি আরও বাড়বে, সেটি বেড়েছে। আশা করি ভবিষ্যতে আরও বেশি দল অংশ নেবে।’

ইস্পাহানি টি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (বিপণন) ওমর হান্নান বলেন, ‘টুর্নামেন্টের আবেদন ক্রমেই বাড়ছে। আশা করি, আগামী বছর ভেন্যু ও দল আরও বাড়বে। আমরা যে লক্ষ্য নিয়ে প্রথম আলোর সঙ্গে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিলাম, সেই লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। ভবিষ্যতে এটি আরও এগিয়ে নিতে চাই।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আগেই শেষ হয় দিনের প্রথম ম্যাচ। প্রথম আসরের চ্যাম্পিয়ন গণ বিশ্ববিদ্যালয় টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হারায় টুর্নামেন্টে প্রথমবার অংশ নেওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে। নির্ধারিত সময়ে গোলশূন্য ছিল দুই দল। প্রথম ম্যাচেই বিদায় নেয় ঢাবি।

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই জয় টুর্নামেন্টের শুরুতেই দলটির আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এ নিয়ে দলের সমর্থকদের মধ্যেও দেখা গেছে ব্যাপক উচ্ছ্বাস।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

‎রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের হামলার অভিযোগ,গুরুতর আহত ৪

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় চার সাংবাদিক গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ছাড়া আরও অন্তত ১০ সাংবাদিক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। হামলায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত সাংবাদিকরা হলেন—বিডিনিউজ […]

‎রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের হামলার অভিযোগ,গুরুতর আহত ৪

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০০:৩৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় চার সাংবাদিক গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ছাড়া আরও অন্তত ১০ সাংবাদিক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। হামলায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত সাংবাদিকরা হলেন—বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরিফ উজ্জামান কোরবান, আগামীর সময়ের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম, দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিনিধি নূর আহসান মৃদুল এবং দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজু। আহতদের বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

হামলায় রাবি ছাত্রদলের সহসভাপতি আহসান হাবীব ও শরিফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম এবং সহদপ্তর সম্পাদক শাহরিয়ার আলম অথিসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট এলাকা থেকে একদল ছাত্রদল নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে যান। তাদের কয়েকজনের হাতে রামদা, চাপাতি, হকি স্টিক, পাইপ ও বেসবল ব্যাটসহ দেশীয় অস্ত্র দেখা গেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা দাবি করেন।

খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এ সময় সেখানে থাকা কয়েকজন ছাত্রদল নেতাকর্মীর ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রথমে দৈনিক সমকালের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিকে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। আজকের পত্রিকার প্রতিনিধির মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ারও চেষ্টা করা হয়। পরে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিনিধিকেও মারধর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা হিসেবে কয়েকজন সাংবাদিককে হলের ভেতরে নিয়ে যাওয়া হয়।

হামলার খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও সাংবাদিক ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপরও হামলার অভিযোগ পাওয়া যায়। এতে দ্য ডেইলি স্টার ও আগামীর সময়ের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আহত হন। আগামীর সময়ের প্রতিনিধির মাথায় আঘাত লাগে। অন্য সাংবাদিকরা এগিয়ে গেলে তাদের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্ট ও মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বলে জানা গেছে। রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারকে নিয়ে ছাত্রদল নেতা আহসান হাবীবের একটি ফেসবুক পোস্টে মন্তব্য ঘিরে রাকিবুল নামের একজনের সঙ্গে তার বিরোধ তৈরি হয়।

আহসান হাবীব অভিযোগ করেন, ওই মন্তব্যে তার মা ও বোনকে নিয়ে গালাগাল করা হয়েছে। অন্যদিকে রাকিবুল দাবি করেন, তাকে মারধরের হুমকি দিয়ে অবস্থান জানতে চাওয়া হয়েছিল। পরে দুজনই ফেসবুকে পাল্টাপাল্টি পোস্ট দিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন।

এ পরিস্থিতির মধ্যে রোববার বিকেলে ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী অবস্থান নেন। তাদের কারও কারও হাতে বেসবল ব্যাট দেখা যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ অবস্থানের সমালোচনা করে শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলামও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেন। এরপর উত্তেজনা আরও বাড়ে এবং একপর্যায়ে হলের সামনে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মাহবুবুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তারা ব্যর্থ হয়েছেন। পুলিশের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছিল বলেও জানান তিনি।

রাবি ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, বিষয়টি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলকে জানানো হয়েছে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।