রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

রাকসুতে ১১ হলের ফল ঘোষণা, এগিয়ে শিবির

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে ১১টি হলের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে একে একে এসব ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

নিউজ ডেস্ক

১৭ অক্টোবর ২০২৫, ০৫:০৭

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে ১১টি হলের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে একে একে এসব ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

১১টি হলে ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী মোস্তাকুর রহমান জাহিদ এগিয়ে আছেন। একই প্যানেলের এজিএস পদে এগিয়ে এসেছেন এস এম সালমান। তবে জিএস পদে আটটি হলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছেন ‘আধিপত্যবিরোধী ঐক্য’ প্যানেলের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আম্মার।

শহীদ শামসুজ্জোহা হল: ভিপি ও এজিএস পদে ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’ এগিয়ে, জিএস পদে এগিয়ে সালাহউদ্দিন আম্মার। মোস্তাকুর রহমান জাহিদ পেয়েছেন ৬৫০ ভোট, শেখ নূর উদ্দীন আবীর পেয়েছেন ১৭০ ভোট। জিএস পদে সালাহউদ্দিন আম্মার ৬০০ ভোট, ফাহিম রেজা ২৮৩ ভোট। এজিএস পদে সালমান সাব্বির ৩৮৪ ভোট, জাহিন বিশ্বাস এষা ৩১৭ ভোট।

সৈয়দ আমীর আলী হল: ভিপি ও এজিএস পদে শিবির সমর্থিত প্যানেল, জিএস পদে সালাহউদ্দিন আম্মার। জাহিদ পেয়েছেন ৬১৯ ভোট, আবীর ১৫২ ভোট। জিএস পদে সালাহউদ্দিন ৫৮৮ ভোট, ফাহিম রেজা ২৪২ ভোট। এজিএস পদে সালমান সাব্বির ৩৪৭ ভোট, এষা ৩৩১ ভোট।

নবাব আব্দুল লতিফ হল: জাহিদ পেয়েছেন ৫১৮ ভোট, আবীর ১৩৭ ভোট। জিএস পদে সালাহউদ্দিন আম্মার ৪৮৪ ভোট, ফাহিম রেজা ১৮৪ ভোট। এজিএস পদে সালমান সাব্বির ২৭৮ ভোট, এষা ২৪৯ ভোট।

শাহ মাখদুম হল: ভিপি পদে জাহিদ ৭৩২ ভোট, আবীর ১৭৩ ভোট। জিএস পদে সালাহউদ্দিন আম্মার ৬৭০ ভোট, ফাহিম রেজা ২৯৭ ভোট। এজিএস পদে সালমান সাব্বির ৩৮৭ ভোট, এষা ৩৬৮ ভোট।

শের-ই বাংলা হল: জাহিদ পেয়েছেন ৪৮৯ ভোট, আবীর ৯৭ ভোট। জিএস পদে সালাহউদ্দিন ৪১৯ ভোট, ফাহিম রেজা ২৩৩ ভোট। এজিএস পদে সালমান সাব্বির ২৮২ ভোট, এষা ২১২ ভোট।

জুলাই-৩৬ হল: জাহিদ পেয়েছেন ৯৪৫ ভোট, আবীর ৩০০ ভোট। জিএস পদে সালাহউদ্দিন ৮৩৫ ভোট, ফাহিম রেজা ৫১০ ভোট। এজিএস পদে সালমান ৫২৪ ভোট, এষা ৩৭৩ ভোট।

খালেদা জিয়া হল: জাহিদ পেয়েছেন ৪৮৫ ভোট, আবীর ১৩৭ ভোট। জিএস পদে সালাহউদ্দিন ৩৫২ ভোট, ফাহিম রেজা ২৯৫ ভোট। এজিএস পদে সালমান সাব্বির ২৭৮ ভোট, এষা ১৭১ ভোট।

রহমতুন্নেসা হল: জাহিদ পেয়েছেন ৬৩০ ভোট, আবীর ১৮৬ ভোট। জিএস পদে সালাহউদ্দিন ৫৮৯ ভোট, ফাহিম রেজা ৩২০ ভোট। এজিএস পদে সালমান সাব্বির ৩৪৯ ভোট, এষা ২৮৯ ভোট।

তাপসী রাবেয়া হল: জাহিদ পেয়েছেন ৪৭৩ ভোট, আবীর ১৩৬ ভোট। জিএস পদে সালাহউদ্দিন ৪০৮ ভোট, ফাহিম রেজা ২৫৪ ভোট। এজিএস পদে সালমান সাব্বির ২৪৫ ভোট, এষা ১৯৭ ভোট।

রোকেয়া হল: জাহিদ পেয়েছেন ৭৫২ ভোট, আবীর ২১১ ভোট। জিএস পদে সালাহউদ্দিন ৬৬১ ভোট, ফাহিম রেজা ৩৭৭ ভোট। এজিএস পদে সালমান সাব্বির ৩৪৬ ভোট, এষা ২৯৯ ভোট।

মন্নুজান হল: জাহিদ পেয়েছেন ৯৭২ ভোট, আবীর ২৩৬ ভোট, তাসিন খান ১৭৩ ভোট। জিএস পদে সালাহউদ্দিন ৮৪১ ভোট, ফাহিম রেজা ৪৯৫ ভোট, নাফিউল জীবন ৮৯ ভোট। এজিএস পদে সালমান সাব্বির ৫৫৩ ভোট, এষা ৩৭৮ ভোট, সজিবুর রহমান ২৫৮ ভোট।

এখন পর্যন্ত ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’ বেশিরভাগ হলে এগিয়ে রয়েছে, তবে জিএস পদে ‘আধিপত্যবিরোধী ঐক্য’ প্যানেলের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আম্মার প্রায় সব হলে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।