বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

নম্বর টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে পছন্দের নারী শিক্ষার্থীকে শিক্ষক নিয়োগ

আবু তাহের, ক্যাম্পাস সংবাদদাতা, জাককানইবি  বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে আবেদন করতে হলে এসএসসি ও এইচএসসি পর্যায়ে ন্যূনতম জিপিএ ৪.০০ (৫.০০ স্কেলে) এবং স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে সিজিপিএ ৩.৫০ (৪.০০ স্কেলে) থাকতে হয়। তবে অভিযোগ উঠেছে, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগে মেহেদী উল্লাহকে নিয়োগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে শর্ত শিথিলের সুযোগ রেখে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। ২০১৫ […]

নম্বর টেম্পারিংয়ের মাধ্যমে পছন্দের নারী শিক্ষার্থীকে শিক্ষক নিয়োগ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৪:৫৮

আবু তাহের, ক্যাম্পাস সংবাদদাতা, জাককানইবি 

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে আবেদন করতে হলে এসএসসি ও এইচএসসি পর্যায়ে ন্যূনতম জিপিএ ৪.০০ (৫.০০ স্কেলে) এবং স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে সিজিপিএ ৩.৫০ (৪.০০ স্কেলে) থাকতে হয়। তবে অভিযোগ উঠেছে, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগে মেহেদী উল্লাহকে নিয়োগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে শর্ত শিথিলের সুযোগ রেখে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল।

২০১৫ সালের ১২ মে প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়— বিশেষ যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রার্থীর ফলাফলের যেকোনো একটির আংশিক শিথিল করা যেতে পারে। সাধারণত উচ্চতর ডিগ্রি (পিএইচডি), আন্তর্জাতিকমানের জার্নালে প্রথম লেখক হিসেবে প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধকেই বিশেষ যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

কিন্তু সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষ যোগ্যতা হিসেবে দেখানো হয়— ফোকলোর বিষয়ে স্বীকৃত প্রকাশনা সংস্থা থেকে প্রকাশিত গ্রন্থ, স্বীকৃত জার্নালে একক নামে প্রকাশিত প্রবন্ধ অথবা স্বীকৃত সংস্থা কর্তৃক জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্তি।

এই বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে, অনার্সে ৩.৩১ সিজিপিএ পাওয়া মেহেদী উল্লাহ বেহুলা বাংলা নামের বেসরকারি প্রকাশনা থেকে প্রকাশিত “ফোকলোরের প্রথম পাঠ” নামে একটি গ্রন্থ এবং জেমকন সাহিত্য পুরষ্কার প্রাপ্তিকে তিনি বিশেষ যোগ্যতা হিসেবে দেখান।

অনুসন্ধানে উঠে আসে, গ্রন্থটির অধিকাংশ লিখাই বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির প্রকাশিত ‘লোকসংস্কৃতি’ গ্রন্থ থেকে কপি-পেস্ট করা। জেমকন সাহিত্য পুরষ্কারটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান জেমকন গ্রুপ ও এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান আজকের কাগজ ও কাগজ প্রকাশনী ২০০০ সাল থেকে এই পুরস্কারটি প্রদান করে থাকে। 

বিশেষ যোগ্যতা হিসেবে তিনি যে গ্রন্থ এবং পুরষ্কার প্রাপ্তির কথা উল্লেখ করেছেন দুটির কোনোটিই জাতীয় কোনো প্রতিষ্ঠানের নয় বরং দুটিই  বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের। 

অভিযুক্ত এই শিক্ষক  এর আগেও তৎকালীন উপাচার্য মোহিত উল আলমের পিএস খন্দকার এহসান হাবিবের ভাই হওয়ার সুবাদে (পরবর্তীতে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গরু বলার কারণে বহিষ্কার হন) নিয়োগ বাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন ।

সেবার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ১জন শিক্ষক নিয়োগের কথা উল্লেখ থাকলেও, তার ভাই খন্দকার এহসান হাবিব প্রভাব খাটিয়ে তার ভাই মেহেদী উল্লাহসহ  এক পদের বিপরীতে দুজনের সুপারিশ করান। কিন্তু পরবর্তীতে সিন্ডিকেটে, মেহেদী উল্লাহর নিয়োগ বাতিল করা হয়। এই নিয়োগ বাতিল হওয়ার পরেই ২০১৫ সালের মার্চ মাসে  অভিযুক্ত এই শিক্ষক ‘ফোকলোরের প্রথম পাঠ’ বইটি প্রকাশ করেন।

নিয়মকে পায়ে মাড়িয়ে শিক্ষক হয়েই ক্ষান্ত হননি তিনি। নিজে শিক্ষক হওয়ার পর পছন্দের শিক্ষার্থীকে শিক্ষক বানাতে নম্বর টেম্পারিংয়ে জড়ানোর অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। পুরো ফলাফল ঘেটে দেখা যায়, প্রদিতি রাউত প্রমাকে নিয়োগ দিতে স্নাতকে সিজিপিএ ৩.৫০ বা এর বেশি পাওয়া শিক্ষার্থীদের স্নাতকোত্তরে ৩.৫০ এর কম দেখানো হয়েছে।

প্রমা এবং আরেকজন শিক্ষার্থীকে যথাক্রমে ৩.৫০ ও ৩.৭০ দেওয়া হলেও, দ্বিতীয় জন স্নাতকে ৩.৫০ এর কম পাওয়ায় শর্ত পূরণ করতে পারেননি। ফলে প্রমা ছাড়া অন্য কেউ আবেদনই করতে পারেননি। নিয়োগকালীন সময়ে মেহেদী উল্লাহ ছিলেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক এবং উপাচার্য সৌমিত্র শেখরের আস্থাভাজন। প্রভাব খাটিয়ে তিনি প্রমার নিয়োগ বাগিয়ে নেন।

অভিযোগকারীরা জানান, প্রদিতি রাউত প্রমার প্রথম চার সেমিস্টারের ফলাফল ভালো ছিল না। পরে ১ম ও ২য় সেমিস্টারের কয়েকটি কোর্সে বিশেষ সুযোগে (স্পেশাল ইমপ্রুভ) আবার পরীক্ষা দিয়ে নম্বর বাড়ানো হয়। সব মিলিয়ে অষ্টম সেমিস্টারে গিয়ে তিনি কাটায়-কাটায় সিজিপিএ ৩.৫০ উঠান। এছাড়াও ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন- কিছু কোর্সে তিনি আগেই প্রশ্ন পেয়েছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিপূর্বে ঘটা অনিয়ম-দুর্নীতি উদঘাটনে গঠিত সত্যানুসন্ধান কমিটির নিকট লিখিত অভিযোগকারী চাকরি বঞ্চিত প্রার্থী আশরাফুল ইসলাম জানান, “নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে অনার্সে ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.৫০ থাকার কথা থাকলেও নির্বাচিত প্রার্থীর সিজিপিএ ছিল ৩.৩১। তাঁর পুরস্কার কোনো জাতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত নয়, বরং একটি কোম্পানি থেকে পাওয়া।

দেশীয় বা আন্তর্জাতিক স্বীকৃত জার্নালে তাঁর কোনো প্রকাশনা নেই, বরং টাকার বিনিময়ে করা প্রকাশনা দেখানো হয়েছে। স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে আমাকে চরম বৈষম্যের শিকার হতে হয়েছে। আমি অনার্স ও মাস্টার্সে ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট হয়েও বঞ্চিত হয়েছি। আমি সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দাবি করছি।”

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ সুজন আলী, সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক ড. উজ্জ্বল কুমার প্রধান, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান ও অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর, দুর্নীতি দমন কমিশন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন এবং সর্বশেষ সত্যানুসন্ধান কমিটির নিকট লিখিত অভিযোগ জমা দেন।

২৪ সালের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময়ও ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক হিসেবে শিক্ষার্থীবান্ধব না হয়ে তিনি আন্দোলনে বাধা দেন, গ্রাফিতি অঙ্কনে বাঁধা দেন এবং শিক্ষার্থীদের উপর মারমুখী ভূমিকা নেন। ভিডিও ফুটেজেও এ অভিযোগ প্রমাণ মেলে।

এ ব্যাপারে ড. মেহেদী উল্লাহর কাছে জানতে চাইলে বলেন- আমি বিজ্ঞপ্তির সম্পূর্ণ শর্ত পূরণ করেই আবেদন করেছি। নিয়োগ পরিক্ষায় প্রথম হয়ে প্রভাষক স্থায়ী পদে নিয়োগ পাই। আবেদনে বিশেষ যোগ্যতার এমন শর্তের ব্যাপারে প্রশাসন ভালো বলতে পারবে।

তৎকালীন উপাচার্যের পিএস খন্দকার এহসান হাবিব তার ভাই নয় বলেও জানান তিনি। নম্বর টেম্পারিংয় অভিযোগ অস্বীকার করে মেহেদী উল্লাহ বলেন, ‘স্নাতকোত্তরে দুই সেমিস্টারে পাঁচটি করে মোট দশটি কোর্স ছিলো শিক্ষার্থীদের, সেখানে প্রথম সেমিস্টারে আমার একটি কোর্স ছিলো।

অপরদিকে একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের স্নাতকে নম্বর টেম্পারিংয়ের অভিযোগ সহ বিভিন্ন ঘটনায় একাধিকবার তৎকালীন প্রক্টর-ছাত্র উপদেষ্টার মীমাংসা করার সত্যতা রয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান বলেন, এসব বিষয় নিয়ে একাডেমিক অনিয়ম ও দুর্নীতি সংক্রান্ত তদন্ত কমিটি কাজ করছে। রিপোর্ট পেলেই আমরা বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবো।

এ বিষয়ে জানতে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহিত উল আলমের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

ইতিপূর্বে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের ভিত্তিতে মেহেদী উল্লাহর চাকরি স্থায়ীকরণ স্থগিত ও শোকজ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।