বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

বর্ণাঢ্য আয়োজনে গবিতে শপথ গ্রহণ ও নবীনবরণ সম্পন্ন 

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি প্রতিনিধি: সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের পাদদেশে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধসহ সব গণতান্ত্রিক ও সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ও শপথ বাক্য পাঠের মধ্য দিয়ে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) ২০২৫ সালের জুলাই-ডিসেম্বর সেশনের নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সকাল ১০টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবীন শিক্ষার্থীদের শপথবাক্য পাঠ করান বিশ্ববিদ্যালয়ের […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৭ আগস্ট ২০২৫, ২২:১১

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি প্রতিনিধি:

সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের পাদদেশে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধসহ সব গণতান্ত্রিক ও সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ও শপথ বাক্য পাঠের মধ্য দিয়ে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) ২০২৫ সালের জুলাই-ডিসেম্বর সেশনের নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সকাল ১০টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবীন শিক্ষার্থীদের শপথবাক্য পাঠ করান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন। শপথ গ্রহণ শেষে সাভারের গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পিএইচএ ভবনের অডিটোরিয়ামে নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদ এবং মাইলস্টোন ট্রাজেডি স্মরণে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরীর জীবনকাল এবং গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর নির্মিত ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। এসময় ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করা হয় নবাগত শিক্ষার্থীদের।

নবীন শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে স্বাগত বক্তব্যে কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো: ফজলুল করিম বলেন, ‘ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরী সমাজে একটি আদর্শকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য লড়ে গেছেন। জ্ঞানের মাধ্যমে সমাজকে পরিবর্তন করার লক্ষে তৈরি করেছিলেন এই বিশ্ববিদ্যালয়।

আপনারা তারই আদর্শের বাহক। শিক্ষার মাধ্যমে সমাজকে পরিবর্তন করার প্রত্যয়ে এগিয়ে যেতে হবে। সবুজে ঘেরা এই ক্যাম্পাসকে মাইলফলক করে তুলতে হবে। পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন সংগঠনে যুক্ত হয়ে মানসিক বিকাশের মাধ্যমে মনকে সুন্দর করে তুলবে। সমাজ ও দেশের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখবে এই প্রত্যাশা।’

ফলিত গনিত বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী ফয়জুননেছা নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, ‘এই নতুন ক্যাম্পাস, নতুন পরিবেশ, নতুন বন্ধু। এক স্বপ্ন নিয়ে এসেছি সুন্দর যাত্রা শুরু করতে। শিক্ষক-অগ্রজ সবাইকে ধন্যবাদ জানাই, যারা আমাদের এতো সুন্দর করে বরণ করে নিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সময়টুকু জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। আমরা নবীনরা শুধু বইয়ের জ্ঞানই নয় শিখবো কীভাবে মানব সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করবো, কীভাবো আর্দশবান মানুষ হিসেবে গড়ে উঠা যায়। শিক্ষক এবং অগ্রজদের সহযোগিতায় আমরা লক্ষ্য পূরণে প্রত্যয়ী।’

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমিরিটাস অধ্যাপক ও গবি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ড.  সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী নবাগত শিক্ষার্থীদের অভিবাদন জানিয়ল বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল আদর্শ হলো একসাথে চলা ও অজানাকে জানার প্রয়াস।

এখানে একা নয়, সবাই মিলে কাজ করাই শিক্ষা। এই প্রতিষ্ঠান ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরীর অনুপ্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত, যার লক্ষ্য ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গণতান্ত্রিক সমাজ গঠন—যেখানে সকলের সমান অধিকার ও সুযোগ থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয় কারো ব্যক্তিগত নয়, এটি জনগণের।

জ্ঞান সামাজিক মালিকানা, যা মানুষের কল্যাণে ব্যবহৃত হওয়া উচিত। কিন্তু পুঁজিবাদী ব্যবস্থা এই জ্ঞানকে ব্যবহার করছে ধ্বংস ও মুনাফার জন্য। তাই তরুণদের উচিত জ্ঞানচর্চা, ইতিহাস জানা ও মনুষ্যত্ব গড়ে তোলা—যাতে গড়ে ওঠে একটি মানবিক ও গণতান্ত্রিক সমাজ।

তিনি আরও বলেন, ‘গণ বিশ্ববিদ্যালয় জনগণের, কোনো একক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়। জ্ঞান ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, এটি সামাজিক মালিকানা এবং মানুষের কল্যাণে ব্যবহারের জন্য। কিন্তু পুঁজিবাদী ব্যবস্থা জ্ঞান ও বিজ্ঞানকে মুনাফা, যুদ্ধ, ও ধ্বংসের কাজে ব্যবহার করছে—যেমন পারমাণবিক বোমা বা জলবায়ু বিপর্যয়। আজকের পৃথিবীর বড় সমস্যা হলো পুঁজিবাদী উন্নয়ন ও ব্যক্তি মালিকানা। এর বিকল্প হলো সামাজিক উন্নয়ন, যেখানে জ্ঞান মানবিকতা গঠনের হাতিয়ার হয়।’

নবাগত শিক্ষার্থীদের স্বাগত এবং অতিথিদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন বলেন, ‘আগামী ৪ বছর এই ক্যাম্পাসে আপনাদের সুন্দর সময় অতিবাহিত হোক তা আমাদের একান্ত কাম্য। গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ পুরুষ ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর প্রত্যয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি স্বল্প খরচে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ করে দিয়েছে তাই তার দেখানো পথেই চলতে হবে। এই চারটি বছর আপনাদের বাকী জীবনের পাথেয়। প্রকৃত শিক্ষা অর্জন করে দেশের কাজে নিজেদের বিলিয়ে দিতে হবে।

জ্ঞান অর্জনের সকল ব্যবস্থাই বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে। এখানে ভালো মন্দ উভয়ই আছে। ভালোকে বেছে নিয়ে মন্দকে বর্জন করতে হবে। আপনাদের ভবিষ্যৎ জীবন সুন্দর হোক এই কামনা করি।’

নবীন বরণের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা নাচ, গান, কবিতা পরিবেশন করেন।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো: ওহিদুজ্জামান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, কর্মকর্তা-কর্মচারি, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।