রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

তাহিরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ২ জন শিক্ষকে চলছে পাঠদান, ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত ৬০০ শিক্ষার্থীদের

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ এক সময়ের সুনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলা সদরে অবস্থিত সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এখন চরম শিক্ষক সংকটে ভুগছে। ছয় শতাধিক শিক্ষার্থীর বিপরীতে বর্তমানে শিক্ষক রয়েছেন মাত্র দুইজন। নেই প্রধান শিক্ষক, বাংলা, ইংরেজি, গণিত, ইসলাম শিক্ষা, কৃষি ও শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক। বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। হাওর ঘেরা […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ জুলাই ২০২৫, ১৬:২৩

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

এক সময়ের সুনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলা সদরে অবস্থিত সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এখন চরম শিক্ষক সংকটে ভুগছে।

ছয় শতাধিক শিক্ষার্থীর বিপরীতে বর্তমানে শিক্ষক রয়েছেন মাত্র দুইজন। নেই প্রধান শিক্ষক, বাংলা, ইংরেজি, গণিত, ইসলাম শিক্ষা, কৃষি ও শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক।

বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। হাওর ঘেরা তাহিরপুর উপজেলার একমাত্র সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৮৭ সালে জাতীয়করণ হওয়ার পর থেকেই শুরু হয় শিক্ষক সংকট, যা তিন যুগ পেরিয়েও কাটেনি। বর্তমানে ১১টি শিক্ষক পদের বিপরীতে কর্মরত মাত্র ৩ জন।

সম্প্রতি শিক্ষক রূপেশ দাশ বদলি হয়েছেন, আরেক শিক্ষক তপু বিশ্বাস চলতি মাস শেষে ব্যাংকে যোগ দিতে বিদ্যালয় ছাড়ছেন। ফলে পাঠদান কার্যক্রম কার্যত ভেঙে পড়েছে।

বর্তমানে ভৌত বিজ্ঞানের শিক্ষক মো. জামাল উদ্দিন ও সামাজিক বিজ্ঞানের শিক্ষক এএইচএম লিয়াকত – মাত্র এই দুই শিক্ষক বিদ্যালয়ের ৬০০ শিক্ষার্থীর পাঠদানে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে জীববিজ্ঞানের শিক্ষক প্রশিক্ষণে থাকায় তিনিও অনুপস্থিত।

শুধু শিক্ষক নয়, প্রশাসনিক জনবল সংকটও প্রকট। প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য, সহকারী প্রধান শিক্ষক ফয়জুল হুসাইন ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নেই অফিস সহকারী, দুইটি অফিস সহায়ক পদের মধ্যে একটি শূন্য।

বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী সামরুল ইসলাম ও শ্যামল বর্মণ বলেন, ১১ জন শিক্ষকের স্থলে মাত্র ৩ জন শিক্ষক দিয়ে বিদ্যালয় চালানো অসম্ভব। এই অবস্থায় শিক্ষা কার্যক্রম বলে কিছুই অবশিষ্ট নেই।

অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। নিয়মিত পাঠদান না হওয়ায় সিলেবাস অসম্পূর্ণ থাকে এবং ফলাফল খারাপ হচ্ছে।

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অর্ণব পুরকায়স্থ ও লুইপা বেগম বলেন, শিক্ষক না থাকায় প্রতিদিনই ক্লাস বাতিল হয়। সিলেবাস শেষ করতে পারি না, ফলাফল খারাপ হয়।

ষষ্ঠ শ্রেণির জান্নাতুল ফেরদৌস রশ্মিও একই অভিযোগ করেন।

ভৌত বিজ্ঞানের সিনিয়র শিক্ষক মো. জামাল উদ্দিন জানান, শিক্ষক সংকটের কারণে বিদ্যালয়টির প্রশাসনিক কাঠামো ভেঙে পড়েছে। শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হলে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ ও কঠোর নজরদারি বাড়াতে হবে।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ফয়জুল হুসাইন জানান, শিক্ষক সংকটসহ প্রতিষ্ঠানটির জনবল সংকটের বিষয়ে বারবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানানো হলেও কোনো সমাধান হয়নি। মোট ১১ শিক্ষকের পদ রয়েছে।

এর গত চার মাসের মধ্যে তিনজন বদলি, চলতি মাসে আরও একজন ব্যাংকে চাকরি পেয়েছেন, তিনিও চলে যাবেন। ফলে ৬ শতাধিক শিক্ষার্থীর এই প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রমে চরমভাবে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে।

তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল হাসেম জানান, দীর্ঘদিন ধরে তাহিরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকটের বিষয়টি দ্রুত সমাধানের জন্য গুরুত্ব সহকারে পদক্ষেপ গ্রহণ করব।

সুনামগঞ্জ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি। শিক্ষক সংকটের বিষয়ে কিন্তু কোনো লাভ হচ্ছে না।

এ বিষয়ে সিলেট আঞ্চলিক উপ-পরিচালক এ কে এম আব্দুল্লাহ জানান, তাহিরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকটের বিষয় অবগত আছি।

আমি বার বার শিক্ষক সংকট এর বিষয়ে বলি কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না। আর বদলি করে মাউশি, আমার কিছুই করার থাকে না।

তবে বদলি করার সময় কোন স্কুলে কতজন শিক্ষক আছে তা দেখে বদলি করলে এভাবে সংকট তৈরি হতো না।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও […]

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৪১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও ‘গরিব’ বলে মন্তব্য করার অভিযোগের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। একই সঙ্গে এসব আচরণের সমর্থকদের বিরুদ্ধেও প্রতীকী প্রতিবাদ জানান তাঁরা।

কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘Red Card to Racist, Classist and Hypocrite’ এবং ‘Red Card to Those Who Support Discrimination, Humiliation and Bullying’। শিক্ষার্থীরা জানান, বৈষম্য, অপমান ও হয়রানির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি এসব আচরণকে সমর্থনকারীদেরও তাঁরা প্রত্যাখ্যান করছেন।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নায়েম বলেন, তাসনিম সিরাজ মাহবুব ম্যাম ইংরেজি বিভাগের একজন শিক্ষার্থী নেকাব করায় তাকে Fundamentalist এবং সন্ত্রাসী বলে অবিহিত করেন। এছাড়াও, তিনি একই ক্লাসে ছেলেদের ৬ জন এক বেঞ্চে বসায় ‘গে’ এবং ‘গরিব’ বলে অবিহিত করেন। পরবর্তীতে তিনি তার ফেইসবুক লাইভে এগুলোর কোন কিছু এড্রেস না করে এক পাক্ষিক এআই নির্ভর বিবৃতি দেন৷

তিনি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি সামিনা লুৎফা, শিক্ষক নেটওয়ার্ক এবং তার অন্যান্য অনুসারী তাকে নির্লজ্জভাবে ডিফেন্ড করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের মূল অপরাধী হিসেবে প্রোট্রে করার চেষ্টা করছেন। আজকের প্রতিকী প্রতিবাদ তাদের সকলের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তাজিন আজিজ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না,আমি এই মূহুর্তে অফিসে নাই। তবে শিক্ষার্থীরা যদি এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকে, তবে তা দেখে বিষয়টি সম্পর্কে জানা সম্ভব হবে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষে নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। পরে ৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁকে সাময়িকভাবে সব ধরনের ক্লাস কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়।