বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

শেখ মুজিব ১৫ বছর সময় পেলে হাসিনাকেও ছাড়িয়ে যেতেন : মাহমুদুর রহমান

দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশে শেখ মুজিবই প্রথম স্বৈরতন্ত্রের জমিন তৈরি করে ফ্যাসিবাদের বীজ বুনেছিল। তিনি যদি ১৫ বছর দেশ শাসন করতেন তাহলে শেখ হাসিনাকেও ছাড়িয়ে যেতেন। রোববার (২০ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনে মোজাফফর রহমান চৌধুরী মিলনায়তনে ডায়ালগ ফর ডেমোক্রেসি কর্তৃক আয়োজিত ‘ফ্যাসিবাদী বয়ান নির্মাণে […]

নিউজ ডেস্ক

২০ অক্টোবর ২০২৪, ২১:০৮

দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেছেন, স্বাধীন বাংলাদেশে শেখ মুজিবই প্রথম স্বৈরতন্ত্রের জমিন তৈরি করে ফ্যাসিবাদের বীজ বুনেছিল। তিনি যদি ১৫ বছর দেশ শাসন করতেন তাহলে শেখ হাসিনাকেও ছাড়িয়ে যেতেন।

রোববার (২০ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনে মোজাফফর রহমান চৌধুরী মিলনায়তনে ডায়ালগ ফর ডেমোক্রেসি কর্তৃক আয়োজিত ‘ফ্যাসিবাদী বয়ান নির্মাণে গণমাধ্যমের ভূমিকা : একটি পর্যালোচনা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

ডায়ালগ ফর ডেমোক্রেসির আহ্বায়ক শেখ মো. আরমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি।

মাহমুদুর রহমান বলেন, শেখ মুজিব দেশের ফেরার পর প্রথম যে ব্যবস্থাগুলোকে ধ্বংস করেছেন তার মধ্যে অন্যতম গণতন্ত্র। বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্রের কবর রচনা করেছিলেন তিনি। শেখ মুজিব সাড়ে তিন বছরের শাসনে বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছে, দুর্ভিক্ষে মানুষ মেরেছে, রক্ষীবাহিনীর মাধ্যমে হাজার হাজার বিচারবহির্ভূত হত্যা করেছে। দেশের সব মিডিয়া, বিরোধী মতের কণ্ঠকে রোধ করেছে। আজ শেখ মুজিব বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের রাস্তা দেখিয়ে গেছে। শেখ হাসিনা তার বাবার পথেই গত ১৫ বছর হেঁটেছে।

ফ্যাসিবাদ নির্মাণে বেশ কয়েকটি চলক উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদ বেশ কয়েকটি বিষয়ের ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়। কার্লট চরিত্র তৈরি, পাবলিক এনিমি তৈরি, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, নিয়ন্ত্রিত বিচার ব্যবস্থা ও ফ্যাসিবাদ বয়ান প্রচারে মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ। এ বিষয়গুলোর মাধ্যমে সাবেক সরকার দেশে স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিল। উন্নয়নের নামে দেশে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করা হয়েছে তাদের মাধ্যমে।

ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠায় মিডিয়ার মদদ ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, মিডিয়া এই ফ্যাসিবাদ নির্মাণে প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করেছে। গত ১৫ বছরে মিডিয়াকে কাজে লাগিয়ে অসংখ্য মানুষের অধিকার হরণ করা হয়েছে। জঙ্গিকার্ড ব্যবহার করে ইসলামিফোবিয়াকে ছড়ানো হয়েছে। বেশকিছু পত্র-পত্রিকা সেখানে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করেছে। এখনো আমরা দেখছি, মিডিয়া ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসনে কাজ করে যাচ্ছে।

তারা বলছে শেখ হাসিনা খারাপ, কিন্তু শেখ মুজিব ভালো। ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনামও দেখছি সে কথা লিখেছে। কিন্তু শেখ মুজিবের প্রত্যাবর্তনের পরের চিত্র শেখ হাসিনার থেকে ভয়ঙ্কর ফ্যাসিস্টের চিত্র। মিডিয়ার উচিত ১৫ বছরে যা হয়েছে সেটা নিয়ে রিভাইজ করা। সে সঙ্গে আর্থিক খাতগুলোতে কীভাবে আওয়ামী সরকার প্রকল্পের নামে দুর্নীতি করেছে তার পর্দা ফাঁস করা।

এ সময় প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, গত ১৫ বছরে বাংলাদেশের বিশাল একটি জনগোষ্ঠীর অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং গণমাধ্যম কীভাবে তা বৈধতা দিয়েছে, তা ইতিহাসে খুব অদ্বিতীয় ঘটনা। এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বাংলাদেশ এবং বিশ্বের গবেষকরা একটি নির্মোহ গবেষণা করতে পারেন।

তিনি বলেন, (বর্তমান বাংলাদেশে) আমরা যেন কখনোই কোনো জনগোষ্ঠীকে বাদ না দেই। গত ১৫ বছরের প্রতি পরতে পরতে এটা ছিল। বিভিন্ন পত্রিকায় শিরোনামের মাধ্যমে গ্রেপ্তারকে ন্যায্যতা দিয়েছে। বিচারবহির্ভূত হত্যাকে ন্যায্যতা দিয়েছে। ২০১৩ সালের ৬ মে হেফাজতের ওপর ক্র‍্যাকডাউনের পর একটি পত্রিকার লেখক প্রথম পাতায় হেফাজতকে ‘এনশিয়েন্ট এনিমেল’-এর সাথে তুলনা করেছে। কীভাবে গণতন্ত্র না থাকাই ভালো, তা দেখানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গত ৫ আগস্টের আগেও বাংলাদেশের গণমাধ্যমে পাকিস্তান আমলের কায়দায় ছাত্রদের সন্ত্রাসী, দুর্বৃত্ত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। অনেকে গণমাধ্যমে গিয়ে অনবরত এমন মতামত দিয়েছেন। গণমাধ্যমকে সঠিক পথে আনতে সব মতের মানুষকে জায়গা দিতে হবে। গত ১৫ বছরে গণমাধ্যমকে নিজেদের ভূমিকা নিয়ে একটি নিজস্ব অনুসন্ধান করার আহ্বান জানান তিনি।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।