সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবিতে সরস্বতী পূজা উদযাপন

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: আমরা সম্প্রতির বন্ধনে বৈষম্যহীন দেশ গড়তে চাই। ২৪-এর আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিলো বৈষম্যহীন ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার। তাই সবাইকে একসাথে হয়ে এই ছোট্ট দেশকে সোনার বাংলায় পরিণত করতে হবে। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে(যবিপ্রবি) সরস্বতী পূজা উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ।  আজ সোমবার সকাল […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৯:০৫

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

আমরা সম্প্রতির বন্ধনে বৈষম্যহীন দেশ গড়তে চাই। ২৪-এর আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিলো বৈষম্যহীন ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার। তাই সবাইকে একসাথে হয়ে এই ছোট্ট দেশকে সোনার বাংলায় পরিণত করতে হবে। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে(যবিপ্রবি) সরস্বতী পূজা উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ। 

আজ সোমবার সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী মন্দির মাঠে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

সরস্বতী পূজার আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, সবাইকে সম্প্রতির বন্ধনে আবদ্ধ থেকে এই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। সম্প্রতির বন্ধন যখন শক্ত হবে, রাষ্ট্রের ভিত্তি তখন মজবুুত হবে। তবেই আমাদের আন্দোলন-সংগ্রাম সফল হবে।

যবিপ্রবি বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালগুলোর মধ্যে ছোট আয়তনের বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি। শিক্ষা ও গবেষণায় এই বিশ্ববিদ্যালয় দেশসেরা। সকলে একসাথে জ্ঞান ও গবেষণা দিয়েই আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। 

যবিপ্রবি উপাচার্য আরও বলেন, আমাদের সকলকে সচেতন নাগরিক হতে হবে। কারো উস্কানিতে উৎফুল্ল না হয়ে নিজেদের বুদ্ধি ও বিবেককে কাজে লাগাতে হবে। তাহলে দেশে অস্থিরতা তৈরি হবে না। আমাদের সম্প্রতির বন্ধন আরও শক্তিশালী হবে। তাহলেই বৈষম্যহীন দেশ গড়া সম্ভব। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের পূজা উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাসের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন ড. মো. আমজাদ হোসেন, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো: মীর মোশাররফ হোসেন, প্রধান চিকিৎসক ডা. দীপক কুমার মন্ডল,

ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিট্যাশন বিভাগের শিক্ষার্থী জীবন রায় আকাশ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শহীদ মসিয়ূর রহমান হলের প্রভোস্ট ড. মো. মজনুজ্জামান, ড. মো. আব্দুর রউফ সরকারসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ। আলোচনা সভা পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পিটিআর বিভাগের শিক্ষার্থী সবুজ বিশ্বাস। 

সরস্বতীর পূজা উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী মন্দিরে পথ আল্পনা, বাণী অর্চনা, পুষ্পাঞ্জলি সহ নানা আয়োজনে বিদ্যার দেবী সরস্বতী পূজা উদ্যাপন করা হয়েছে। সকাল সাড়ে ৯:৩০টায় থেকে শুরু হয় পুষ্পাঞ্জলি ও হোমযজ্ঞ। পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষে ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

বিকেলে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিকে একইসাথে যবিপ্রবির ঝিনাইদহ ক্যাম্পাসে ভেটেরিনারি অনুষদেও বাণী অর্চনা, পুষ্পাঞ্জলির মাধ্যমে বিদ্যার দেবী সরস্বতী পূজা উদ্যাপন করা হয়।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

‘আম্মারের খরচের হিসাব আমাদের কাছে অবাস্তব’: শিবির সভাপতি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার দাপ্তরিক ব্যয় হিসেবে যে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকার হিসাব দিয়েছেন, তা বাস্তব ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে দাবি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল। তার মতে, সামগ্রিক ব্যয়ের কথা বলে জিএস মূলত নিজের দায় এড়ানোর চেষ্টা করছেন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে […]

‘আম্মারের খরচের হিসাব আমাদের কাছে অবাস্তব’: শিবির সভাপতি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ আগস্ট ২০২৬, ১৮:৪৩

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার দাপ্তরিক ব্যয় হিসেবে যে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকার হিসাব দিয়েছেন, তা বাস্তব ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে দাবি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল। তার মতে, সামগ্রিক ব্যয়ের কথা বলে জিএস মূলত নিজের দায় এড়ানোর চেষ্টা করছেন।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট চত্বরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। ছাত্রশিবিরের পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নোত্তরে শিবির সভাপতি বলেন, রাকসুর জিএস দাপ্তরিক ব্যয় হিসেবে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা দেখানো হয়েছে। এর ব্যাখ্যায় আপ্যায়ন ও যাতায়াত খাতে ব্যয়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু এত বড় অঙ্কের টাকা শুধু যাতায়াত ও আপ্যায়নে ব্যয় হয়েছে এমন দাবি সম্পূর্ণ অবাস্তব এবং শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি ইতিবাচকভাবে নেবেন না।

তিনি আরও বলেন, শিবির সমর্থিত সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোটের প্যানেল থেকে নির্বাচিত রাকসু প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে তারা ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব ও জবাবদিহি চেয়েছেন। তাদের পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সংস্কৃতি, পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ, মিডিয়া ও প্রকাশনা, তথ্য ও গবেষণা, মহিলা বিষয়ক এবং সাহিত্য ও বিতর্ক—এই ছয়টি দপ্তরে মোট প্রায় ৩৬ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।

শিবির সভাপতির দাবি, ক্রীড়া এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দপ্তরের ব্যয়ও হিসাবের আওতায় আনলে সেখানেও সর্বোচ্চ ১০ থেকে ২০ হাজার টাকার বেশি খরচ হওয়ার কথা নয়। তাই জিএসের দেওয়া ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকার সামগ্রিক হিসাব নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মুজাহিদ ফয়সাল বলেন, সালাহউদ্দিন আম্মার তাদের প্যানেল থেকে নির্বাচিত নন। ফলে তার কর্মকাণ্ডের কোনো দায়ভার ছাত্রশিবির নেবে না। তবে তাদের প্যানেল থেকে নির্বাচিত রাকসু প্রতিনিধিদের কার্যক্রমের দায় সংগঠন বহন করবে বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে শিবির সভাপতির বক্তব্যের বিষয়ে রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, মুজাহিদ ফয়সাল রাকসুর সদস্য নন। তিনি কোথা থেকে এসব তথ্য পেয়েছেন, সেটি তাকেই জিজ্ঞাসা করা উচিত। তার দাবি, সব তথ্য-প্রমাণ, নথি ও ভাউচার পরবর্তী সময়ে প্রকাশ করা হবে।

আম্মার বলেন, রাকসুর বিধান অনুযায়ী সাধারণ সম্পাদক সংসদের হিসাব পরিচালনা করেন এবং কোষাধ্যক্ষের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করেন। অর্থ উত্তোলনের সময় সেটি সংসদের দাপ্তরিক ব্যয় হিসেবে উল্লেখ করা থাকে। তাই পুরো হিসাব প্রকাশের আগে এ বিষয়ে মন্তব্য করা ঠিক নয়।

তিনি আরও বলেন, তার দায়িত্বের মেয়াদের আরও প্রায় আড়াই মাস বাকি রয়েছে। তাই এখনই সম্পূর্ণ ব্যয়ের হিসাব দেওয়ার সুযোগ নেই। নির্ধারিত সময় শেষে ভাউচারসহ সব হিসাব প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে রাবি শাখা ছাত্রশিবির পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে শতভাগ আবাসন নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রণয়ন, অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন ভাতা চালু, আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল সেন্টার প্রতিষ্ঠা, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট কার্যকর করা এবং পরবর্তী রাকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা।

এর আগে গত রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার তার দাপ্তরিক ব্যয় হিসেবে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা খরচের কথা জানিয়েছিলেন।