শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

নিরাপদ সড়ক চাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক তানভীর, সদস্য সচিব স্বাধীন 

হাবিবুর রহমান সাগর , জাবি প্রতিনিধি জাতীয় স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পরিবেশ বিজ্ঞান ৫০ ব্যাচের মো. তানভীর রহমানকে আহ্বায়ক এবং আইন ও বিচার ৫০ ব্যাচের মো. ফয়সাল আহম্মেদ স্বাধীনকে সদস্য সচিব করে ২১ (একুশ) সদস্য বিশিষ্ট ২০২৪-২৫ কার্যনির্বাহী আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে এর আগে ২৩ জানুয়ারি বিকালে নিসচা […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৫, ২০:৩৭

হাবিবুর রহমান সাগর , জাবি প্রতিনিধি

জাতীয় স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পরিবেশ বিজ্ঞান ৫০ ব্যাচের মো. তানভীর রহমানকে আহ্বায়ক এবং আইন ও বিচার ৫০ ব্যাচের মো. ফয়সাল আহম্মেদ স্বাধীনকে সদস্য সচিব করে ২১ (একুশ) সদস্য বিশিষ্ট ২০২৪-২৫ কার্যনির্বাহী আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে

এর আগে ২৩ জানুয়ারি বিকালে নিসচা কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন ও মহাসচিব একে এম আজাদ হোসেন এর স্বাক্ষরে কমিটির অনুমোদন হয়।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিনহাজুল ইসলাম, মো. তাওফিকুর রহমান।

সদস্য হিসেবে রয়েছেন, রাজীব হোসেন, দিদারুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আসিফ, মাশফিকুর রহমান নাঈম, ফেরদৌস মোল্যা, ধ্রুব চন্দ্র মোদক, মো. আতিফ হোসেন, মো. তৌকির কিবরিয়া, মো. জাহিদ খান, বুবলী আহমেদ, এস.এম. আব্দুল্লাহ আল আমিন, নূসরাত জাহান, মুহাম্মদ আনাস বিন আলম, মো. আব্দুল রাহাদ, ফাহিম ফয়সাল, মো. আমানুল্লাহ, জাবির মাহমুদ।

কমিটিতে উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন-
অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম, ডিন, সমাজবিজ্ঞান অনুষদ, জাবি। অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম, ডিন, আইন অনুষদ,৷ জাবি। অধ্যাপক ড. মো. সোহেল রানা, সভাপতি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। অধ্যাপক ড. আইরিন আখতার, সাধারণ সম্পাদক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। অধ্যাপক মো. জামাল উদ্দিন, চেয়ারম্যান, পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ, জাবি।
অধ্যাপক মাসুম শাহরিয়ার, কোষাধ্যক্ষ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. রাশিদুল আলম, প্রক্টর, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
শামীমা নাসরীন জলি, সহকারী প্রক্টর, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

কমিটিতে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছেন-ড. মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাবি। জনাব কামরুল হাসান, সহযোগী অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাবি। মো. ইমরান হোসেন, যুব বিষয়ক সম্পাদক, নিরাপদ সড়ক চাই কেন্দ্রীয় কমিটি। মো. সোহেল রানা, প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক, নিরাপদ সড়ক চাই, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। মো. হাবিবুর রহমান আসিফ, সাবেক সদস্য, নিরাপদ সড়ক চাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

কেন্দ্রীয় কমিটির যুব বিষয়ক সম্পাদক মো. ইমরান হোসেন বলেন,”আমরা সবাই অবগত আছি যে, নিরাপদ সড়ক চাই স্বেচ্ছাসেবী জাতীয় সামাজিক সংগঠন। এক মর্মান্তিক ও হৃদয় বিদারক ঘটনার মধ্য দিয়ে নিরাপদ সড়ক চাই(নিসচা) আন্দোলনের শুরু। ১৯৯৩ সালের ২২ অক্টোবর এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ইলিয়াস কাঞ্চনের সহধর্মিনী জাহানারা কাঞ্চন। প্রাণপ্রিয় স্ত্রী হারানোর সেই শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় গড়ে তোলেন এক সামাজিক আন্দোলন – নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)। সুদীর্ঘ ৩১ বছরের পথ পরিক্রমায় আন্দোলন আজও চলমান। আমাদের উদ্দেশ্য এটাই সড়কের শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত করে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা। সেই লক্ষে নিরাপদ সড়ক চাই জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পুনরায় পথচলা শুরু হলো। যেহেতু আমাদের আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর এলাকা বেশ বড়। এখানে সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত করে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরীণ সড়কসমূহকে নিরাপদ করার লক্ষে আজকের এই কমিটি গঠিত হয়েছে। আমি আশা ও বিশ্বাস করি সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে আমরা সক্ষম হব ইনশাআল্লাহ।

নবনির্বাচিত কমিটির আহ্বায়ক মো. তানভীর রহমান বলেন,” একটি দূর্ঘটনা ও হারানোর বেদনা মনে কতটুকু গভীর ক্ষত তৈরি করতে পারে তা ইলিয়াস কাঞ্চনের জীবনী দেখলেই বোঝা যায়, এই সংগঠন শুধু তাঁর অর্ধাঙ্গিনী হারানোর অনুভূতি থেকেই তিনি তৈরি করেননি বরঞ্চ লাল-সবুজের বাংলার সড়কগুলোয় প্রতিদিন যারা তাদের প্রিয়জন হারায়, তাদের সকলের অনুভূতি একীভূত করে তৈরি করেছেন। ২০১৮ সাল তিতুমীর কলেজের রাজীবের হাতটি যখন দুটি বাসের চাপায় একদম ছিটকে যায় একটি পরিবার তার চালিকাশক্তি হারায়। ২০১৮ সালের আরেকটি ঘটনা, শহীদ রমিজউদীন ক্যন্টের ২জন শিক্ষার্থী জাবালে নূর পরিবহনপর চাপায় পিষ্ট হলে জোরেসোরে নিরাপদ সড়কের ব্যাপারটি সামনে আসে, কয়েকদিন যেতে না যেতেই তা থেমে যায়। আমরা সড়ক আইনের বাস্তবায়ন ফিরিয়ে আনবো, আমাদের কোনো বোন রাচি মারা যাবে না, এই বিশ্ববিদ্যালয় সকলের নিরাপদ ও নির্দিধায় চলার একটি ক্ষেত্র হবে, সেই লক্ষেই কাজ করে যাবে নিসচা জাবি শাখা ইনশাআল্লাহ। ইলিয়াস কাঞ্চনের সুরে সুর মিলিয়ে আমরা লক্ষ নিয়ে আগাই ইনশাআল্লাহ কোনো একদিন আমরা সড়ক দূর্ঘটনাকে শূণ্যে নামিয়ে আনতে পারবো।”

নবনির্বাচিত সদস্য সচিব মো. ফয়সাল আহম্মেদ স্বাধীন বলেন,”শুকরিয়া আদায় করছি মহান আল্লাহ’র যিনি আজকে আমাদের এখানে মিলিত হবার সুযোগ দিয়েছেন।
১৯৯৩ সালের পহেলা ডিসেম্বর চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন, দেশে সড়ক দূর্ঘটনার ভয়াবহতা উপলব্ধি করে দেশব্যাপী গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে গঠন করেন- “নিরাপদ সড়ক চাই সংগঠন”। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠার দিনকে গুরত্ব দিয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের তৎকালীন সরকার ২২ অক্টোবর জাতীয় নিরাপদ দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন। সেই থেকে প্রতিবছর ২২ অক্টোবর জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। সারাদেশে সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষার মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতকল্পে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে। ২০২২ সালের ৬ জুন সর্বপ্রথম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পায়। তারপর থেকেই জাবি শাখা ক্যাম্পাসের সড়ক নিরাপত্তা সহ ভর্তি পরীক্ষায় বিভিন্ন কার্যক্রম করে আসছে। অনিয়ন্ত্রিত যানবাহন ও অসচেতন চলাচল যাতে আর কখনো কোনো প্রাণনাশের কারণ না হয়, সেই চাওয়া ই থাকবে, এবং সে বিষয়ে কাজ করে যাবে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) জাবি শাখা।।”

শিক্ষাঙ্গন

গলা কেটে শিক্ষিকাকে হত্যার পর নিজেই আত্মহননের চেষ্টা সহকর্মীর

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে নিজ কক্ষে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৬, ২০:২৪

ইরফান উল্লাহ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে নিজ কক্ষে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে। পরে ওই কক্ষেই রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমানকেও আত্মহননের চেষ্টা অবস্থায় দেখেছেন ওই ভবনের কর্তব্যরত আনসার সদস্য ও বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী। বুধবার (০৪ মার্চ) বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের সমাজকল্যাণ বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উভয়ের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিক্ষিকাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জানা যায়, আজ বিভাগটির আয়োজনে ইফতার মাহফিল থাকায় সাড়ে ৩টায় অফিস শেষেও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিভাগে অবস্থান করছিলেন। বিকাল আনুমানিক ৪ টার দিকে সভাপতির নিজ কক্ষে চিৎকারের আওয়াজ শুনে ভবনের নিচে থাকা আনসার সদস্য ও কয়েকজন শিক্ষার্থী এসে দরজা ধাক্কাধাক্কি করে। দরজা ভেতর থেকে আটকানো থাকায় তারা দরজা ভেঙ্গে ওই শিক্ষিকার রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখেন এবং পাশেই ফজলুরকে নিজেই নিজের গলায় ছুরি চালাতে দেখেন। পরে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানা পুলিশকে জানালে তারা এসে দুজনের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠায়। হাসপাতালে পৌঁছলে কর্তব্যরত আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ইমাম হোসাইন শিক্ষিকাকে মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া ওই কর্মচারীও আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানান তিনি।

বিভাগ সূত্র জানা যায়, ফজলুর রহমান দীর্ঘদিন যাবত সমাজকল্যাণ বিভাগে কর্মরত ছিল। পরে তার বেতন বৃদ্ধি নিয়ে মাসখানেক আগে বিভাগের সভাপতির সঙ্গে বাকবিতন্ডা হয়। পরে তাকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে বদলি করা হয়। শিক্ষার্থীদের ধারণা, এই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে আজকের ঘটনা ঘটতে পারে।

ভবনের নিচে থাকা এক আনসার সদস্য বলেন, ঘটনার সময় আমরা এখানে চারজন গল্প করছিলাম। সিভিল লোকও ছিলেন ৩-৪ জন। হঠাৎ আমরা বাঁচাও বাঁচাও শব্দ শুনি। তারপর একসঙ্গে ওপরে উঠে চেয়ারম্যানের রুমের বাইরে ডাকাডাকি করি। পরে দরজা না খুললে ভেঙে ফেলি। তারপর দেখি যে ম্যাডাম উপুড় হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় শুয়ে আছেন। আর কর্মচারী নিজেই নিজের গলায় ছুরি চালাচ্ছিলেন। পরে আমরা প্রশাসনের কাছে ফোন দেই।

সমাজকল্যাণ বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদ জানান, ফজলুকে বদলি করা হয় প্রায় ২ মাস আগে। তবে উনি এটা মেনে নিতে পারছিলেন না। এটা নিয়ে অনেক রেষারেষিও হচ্ছিল। বিষয়টি এ রকম পর্যায়ে যাবে এটা আমরা ভাবতেও পারিনি। আমরা ওদিকে ব্যস্ত ছিলাম। আমাদের ৫টায় প্রোগ্রাম শুরু হওয়ার কথা ছিল। এর মাঝে ডিপার্টমেন্টে কোনো কর্মচারী, কর্মকর্তা কেউ ছিলেন না। আমরা ছিলাম ওই রুমে। এই সুযোগে উনি এই আত্মঘাতী ঘটনাটি ঘটালেন। ম্যামের রুম আগে থেকে লক করা ছিল না। ওই কর্মচারী রুমে ঢুকে লক করে দেন।

প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, ঘটনা শুনেই আমরা পুলিশ প্রশাসনকে নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। এসময় একজনের নিথর দেহ ও একজনকে নড়াচড়া অবস্থায় উদ্ধার করি। পরে দ্রুত কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠাই। পরে জানতে পারি কর্তব্যরত চিকিৎসক শিক্ষককে মৃত ঘোষণা করেন।

ইবি থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুদ রানা বলেন, আমরা বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। পরে ওই কক্ষ থেকে দুই জনকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠাই। সেখানের কর্তব্যরত চিকিৎসক শিক্ষককে মৃত ঘোষণা করে। এছাড়া আরেকজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।

কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ইমাম হোসাইন বলেন, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে হাসপাতালে আনার আগেই তার (শিক্ষিকা) অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন ছিল। আমরা এখানে আসার পর তাকে প্রাথমিকভাবে মৃত হিসেবে পাই। প্রাথমিক অবজারভেশনে শিক্ষিকার গলা কাটা হয়েছে। এছাড়া তারা হাতে ও পায়ে কিছু ইনজুরি রয়েছে।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।